সাতক্ষীরা আদালত এলাকায় হাজিরা দিতে আসা বিচারপ্রার্থীদের কৌশলে ডেকে নিয়ে আটকে রেখে লাখ লাখ টাকা আদায় করার চাঞ্চল্যকর অভিযোগ উঠেছে। নিজেদের একটি যুব সংগঠনের নেতা পরিচয় দেওয়া একটি চক্র এই চাঁদাবাজি ও বন্দি করে অর্থ আদায়ের কর্মকাণ্ড চালাচ্ছে বলে অভিযোগ তুলেছেন জেলা আদালতের একাধিক আইনজীবী।
আইনজীবীদের ভাষ্য অনুযায়ী, গত ২০ সেপ্টেম্বর এক মামলায় জেলা ও দায়রা জজ আদালতে হাজিরা দিতে আসা কয়েকজন বিচারপ্রার্থীকে আদালত চত্বর থেকে কৌশলে ডেকে বাইরে নেওয়া হয়। প্রধান সড়কসংলগ্ন একটি কনফেকশনারির সামনে থেকে তাদের গাড়িতে তুলে অজ্ঞাত স্থানে নিয়ে আটকে রাখা হয়। পরবর্তী সময়ে পরিবারের সদস্যদের কাছে ফোন করিয়ে গুমের ভয় দেখিয়ে মোটা অংকের টাকা দাবি করা হয়।
ভীতি প্রদর্শনের মাধ্যমে চক্রটি এক জনপ্রতিনিধির কাছ থেকে আড়াই লাখ টাকা, উপজেলা পর্যায়ের এক রাজনৈতিক নেতার কাছ থেকে ১ লাখ ৭৫ হাজার টাকা এবং এক শ্রমিকনেতার কাছ থেকে ১ লাখ টাকা আদায় করে কয়েক দিন পর তাঁদের ছেড়ে দেয় বলে জানান আইনজীবীরা। এমনকি টাকা দিতে না চাওয়ায় প্রায় দেড় মাস আগে কালীগঞ্জের এক বিচারপ্রার্থীকে পিটিয়ে হাত-পা ভেঙে দেওয়ার মতো অভিযোগও পাওয়া গেছে। পুনরায় নির্যাতন বা হয়রানির আশঙ্কায় ভুক্তভোগীরা আইনি পদক্ষেপ নিতে ভয় পাচ্ছেন।
অভিযোগের বিষয়ে সাতক্ষীরা জেলা বিএনপির সদস্যসচিব আবু জাহিদ ডাবলু জানান, বিষয়টি তার জানা নেই। তবে সুনির্দিষ্ট তথ্য পাওয়া গেলে দায়ী ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে দলীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে। সাতক্ষীরা জেলা জাতীয়তাবাদী আইনজীবী ফোরামের সদস্যসচিব ও জেলা আইনজীবী সমিতির আহ্বায়ক কমিটির সদস্য অ্যাডভোকেট আকবর আলী জানান, ঘটনাটি নিয়ে সহকর্মী আইনজীবীদের সঙ্গে আলোচনা করে পরবর্তী করণীয় নির্ধারণ করা হবে।
সাতক্ষীরা সদর থানার পুলিশ পরিদর্শক মো. শাহীদুর রহমান জানান, এ বিষয়ে এখনো কেউ লিখিত অভিযোগ করেনি। তবে খবর পেয়ে পুলিশ বিষয়টি খতিয়ে দেখছে এবং সত্যতা পেলে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেবে।

রোববার, ০৪ অক্টোবর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৪ অক্টোবর ২০২৬
সাতক্ষীরা আদালত এলাকায় হাজিরা দিতে আসা বিচারপ্রার্থীদের কৌশলে ডেকে নিয়ে আটকে রেখে লাখ লাখ টাকা আদায় করার চাঞ্চল্যকর অভিযোগ উঠেছে। নিজেদের একটি যুব সংগঠনের নেতা পরিচয় দেওয়া একটি চক্র এই চাঁদাবাজি ও বন্দি করে অর্থ আদায়ের কর্মকাণ্ড চালাচ্ছে বলে অভিযোগ তুলেছেন জেলা আদালতের একাধিক আইনজীবী।
আইনজীবীদের ভাষ্য অনুযায়ী, গত ২০ সেপ্টেম্বর এক মামলায় জেলা ও দায়রা জজ আদালতে হাজিরা দিতে আসা কয়েকজন বিচারপ্রার্থীকে আদালত চত্বর থেকে কৌশলে ডেকে বাইরে নেওয়া হয়। প্রধান সড়কসংলগ্ন একটি কনফেকশনারির সামনে থেকে তাদের গাড়িতে তুলে অজ্ঞাত স্থানে নিয়ে আটকে রাখা হয়। পরবর্তী সময়ে পরিবারের সদস্যদের কাছে ফোন করিয়ে গুমের ভয় দেখিয়ে মোটা অংকের টাকা দাবি করা হয়।
ভীতি প্রদর্শনের মাধ্যমে চক্রটি এক জনপ্রতিনিধির কাছ থেকে আড়াই লাখ টাকা, উপজেলা পর্যায়ের এক রাজনৈতিক নেতার কাছ থেকে ১ লাখ ৭৫ হাজার টাকা এবং এক শ্রমিকনেতার কাছ থেকে ১ লাখ টাকা আদায় করে কয়েক দিন পর তাঁদের ছেড়ে দেয় বলে জানান আইনজীবীরা। এমনকি টাকা দিতে না চাওয়ায় প্রায় দেড় মাস আগে কালীগঞ্জের এক বিচারপ্রার্থীকে পিটিয়ে হাত-পা ভেঙে দেওয়ার মতো অভিযোগও পাওয়া গেছে। পুনরায় নির্যাতন বা হয়রানির আশঙ্কায় ভুক্তভোগীরা আইনি পদক্ষেপ নিতে ভয় পাচ্ছেন।
অভিযোগের বিষয়ে সাতক্ষীরা জেলা বিএনপির সদস্যসচিব আবু জাহিদ ডাবলু জানান, বিষয়টি তার জানা নেই। তবে সুনির্দিষ্ট তথ্য পাওয়া গেলে দায়ী ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে দলীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে। সাতক্ষীরা জেলা জাতীয়তাবাদী আইনজীবী ফোরামের সদস্যসচিব ও জেলা আইনজীবী সমিতির আহ্বায়ক কমিটির সদস্য অ্যাডভোকেট আকবর আলী জানান, ঘটনাটি নিয়ে সহকর্মী আইনজীবীদের সঙ্গে আলোচনা করে পরবর্তী করণীয় নির্ধারণ করা হবে।
সাতক্ষীরা সদর থানার পুলিশ পরিদর্শক মো. শাহীদুর রহমান জানান, এ বিষয়ে এখনো কেউ লিখিত অভিযোগ করেনি। তবে খবর পেয়ে পুলিশ বিষয়টি খতিয়ে দেখছে এবং সত্যতা পেলে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেবে।

আপনার মতামত লিখুন