রংপুরের মিঠাপুকুরে একটি বেওয়ারিশ পাগলা কুকুরের আকস্মিক তাণ্ডবে শিশু ও বৃদ্ধসহ অন্তত ৩০ জন আহত হয়েছেন। শনিবার (১০ অক্টোবর) উপজেলার ১৪ নম্বর দুর্গাপুর ইউনিয়নের বিভিন্ন এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। হঠাৎ এমন আক্রমণে পুরো এলাকায় চরম আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়েছে। গুরুতর জখম অবস্থায় দুজনকে রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, শনিবার (১০ অক্টোবর) দিনের বেলায় একটি বেওয়ারিশ কুকুর রামপুরা, চিতলী দক্ষিণপাড়া, দুলহাপুর ও শীতলগাড়িসহ আশপাশের এলাকায় ত্রাস সৃষ্টি করে। রাস্তায় যাকে পেয়েছে, তাকেই কামড়াতে শুরু করে কুকুরটি। এতে শিশু ও বৃদ্ধসহ অন্তত ৩০ জন রক্তাক্ত জখম হন। পরে স্থানীয়রা তাদের উদ্ধার করে দ্রুত মিঠাপুকুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের জরুরি বিভাগে নিয়ে আসেন।
মিঠাপুকুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের প্রশাসনিক কর্মকর্তা ডা. হালিম লাভলু জানান, কুকুরের কামড়ে আহত ৩০ জন রোগী জরুরি বিভাগে চিকিৎসা নিয়েছেন। তাদের মধ্যে গুরুতর জখম দুজনকে রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে রেফার করা হয়েছে। এ ছাড়া তিনজনকে হাসপাতালে ভর্তি রেখে এবং বাকিদের প্রাথমিক চিকিৎসা ও ভ্যাকসিন দিয়ে বাড়িতে পাঠানো হয়েছে।
আক্রান্ত ব্যক্তিরা সবাই দুর্গাপুর ইউনিয়নের বাসিন্দা। হাসপাতালে ভর্তি থাকা তিনজনের মধ্যে রয়েছেন শীতলগাড়ি এলাকার ৫ বছরের শিশু মো. লাবিব হাসান, রামপুরা গ্রামের ৭৫ বছর বয়সী জুলেখা বেগম এবং একই গ্রামের ৫৫ বছর বয়সী মোছা. সেলিনা বেগম।
এলাকাবাসীর অভিযোগ, এলাকায় বেওয়ারিশ কুকুরের উপদ্রব দিন দিন চরম আকার ধারণ করছে। কিন্তু এর মধ্যে একটিমাত্র কুকুরের এমন হিংস্র আক্রমণে একদিনে এতসংখ্যক মানুষ আহত হওয়ায় মানুষের মধ্যে তীব্র আতঙ্ক বিরাজ করছে। বিশেষ করে স্কুলগামী শিশু ও বয়স্কদের ঘর থেকে বের হওয়া নিয়ে চরম উদ্বেগ দেখা দিয়েছে। দিনের বেলাতেও রাস্তাঘাটে চলাফেরা করতে গিয়ে আতঙ্কে থাকছেন সাধারণ মানুষ।
এ বিষয়ে মিঠাপুকুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মো. পারভেজ জানান, বিষয়টি নিয়ে উপজেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তার সঙ্গে কথা হয়েছে। দ্রুত কার্যকর পদক্ষেপের মাধ্যমে ওই আক্রমণকারী কুকুরটির ঝুঁকি মোকাবিলা এবং এলাকাবাসীর নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে।

শনিবার, ১০ অক্টোবর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১০ অক্টোবর ২০২৬
রংপুরের মিঠাপুকুরে একটি বেওয়ারিশ পাগলা কুকুরের আকস্মিক তাণ্ডবে শিশু ও বৃদ্ধসহ অন্তত ৩০ জন আহত হয়েছেন। শনিবার (১০ অক্টোবর) উপজেলার ১৪ নম্বর দুর্গাপুর ইউনিয়নের বিভিন্ন এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। হঠাৎ এমন আক্রমণে পুরো এলাকায় চরম আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়েছে। গুরুতর জখম অবস্থায় দুজনকে রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, শনিবার (১০ অক্টোবর) দিনের বেলায় একটি বেওয়ারিশ কুকুর রামপুরা, চিতলী দক্ষিণপাড়া, দুলহাপুর ও শীতলগাড়িসহ আশপাশের এলাকায় ত্রাস সৃষ্টি করে। রাস্তায় যাকে পেয়েছে, তাকেই কামড়াতে শুরু করে কুকুরটি। এতে শিশু ও বৃদ্ধসহ অন্তত ৩০ জন রক্তাক্ত জখম হন। পরে স্থানীয়রা তাদের উদ্ধার করে দ্রুত মিঠাপুকুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের জরুরি বিভাগে নিয়ে আসেন।
মিঠাপুকুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের প্রশাসনিক কর্মকর্তা ডা. হালিম লাভলু জানান, কুকুরের কামড়ে আহত ৩০ জন রোগী জরুরি বিভাগে চিকিৎসা নিয়েছেন। তাদের মধ্যে গুরুতর জখম দুজনকে রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে রেফার করা হয়েছে। এ ছাড়া তিনজনকে হাসপাতালে ভর্তি রেখে এবং বাকিদের প্রাথমিক চিকিৎসা ও ভ্যাকসিন দিয়ে বাড়িতে পাঠানো হয়েছে।
আক্রান্ত ব্যক্তিরা সবাই দুর্গাপুর ইউনিয়নের বাসিন্দা। হাসপাতালে ভর্তি থাকা তিনজনের মধ্যে রয়েছেন শীতলগাড়ি এলাকার ৫ বছরের শিশু মো. লাবিব হাসান, রামপুরা গ্রামের ৭৫ বছর বয়সী জুলেখা বেগম এবং একই গ্রামের ৫৫ বছর বয়সী মোছা. সেলিনা বেগম।
এলাকাবাসীর অভিযোগ, এলাকায় বেওয়ারিশ কুকুরের উপদ্রব দিন দিন চরম আকার ধারণ করছে। কিন্তু এর মধ্যে একটিমাত্র কুকুরের এমন হিংস্র আক্রমণে একদিনে এতসংখ্যক মানুষ আহত হওয়ায় মানুষের মধ্যে তীব্র আতঙ্ক বিরাজ করছে। বিশেষ করে স্কুলগামী শিশু ও বয়স্কদের ঘর থেকে বের হওয়া নিয়ে চরম উদ্বেগ দেখা দিয়েছে। দিনের বেলাতেও রাস্তাঘাটে চলাফেরা করতে গিয়ে আতঙ্কে থাকছেন সাধারণ মানুষ।
এ বিষয়ে মিঠাপুকুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মো. পারভেজ জানান, বিষয়টি নিয়ে উপজেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তার সঙ্গে কথা হয়েছে। দ্রুত কার্যকর পদক্ষেপের মাধ্যমে ওই আক্রমণকারী কুকুরটির ঝুঁকি মোকাবিলা এবং এলাকাবাসীর নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে।

আপনার মতামত লিখুন