গাজীপুর মহানগরীর কোনাবাড়ী এলাকায় এস এ পরিবহন পার্সেল অ্যান্ড কুরিয়ার সার্ভিসের শাখায় ঢুকে দেশীয় অস্ত্রের ভয় দেখিয়ে হামলা, ভাঙচুর ও ১০ লক্ষাধিক টাকার মালামাল ও নগদ টাকা লুটের অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় তিনজনের নাম উল্লেখসহ অজ্ঞাতপরিচয় আরও ৪-৫ জনকে আসামি করে কোনাবাড়ী থানায় একটি মামলা দায়ের করা হয়েছে। পুলিশ অভিযান চালিয়ে আশরাফুল ইসলাম শান্ত মির্জা (৪৪) নামের এজাহারভুক্ত এক প্রধান আসামিকে গ্রেপ্তার করেছে।
শনিবার (১০ অক্টোবর) মামলা দায়েরের পর দিনদুপুরে গ্রেপ্তারকৃত আসামিকে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়।
মামলার এজাহার সূত্রে জানা যায়, গত শুক্রবার (৯ অক্টোবর) সকাল আটটার দিকে কোনাবাড়ী থানাধীন দেওয়ালিয়াবাড়ী জেলখানা রোড এলাকায় অবস্থিত এস এ পরিবহন প্রাইভেট লিমিটেড পার্সেল অ্যান্ড কুরিয়ার সার্ভিস কার্যালয়ে অনধিকার প্রবেশ করে একদল দুর্বৃত্ত। আশরাফুল ইসলাম শান্ত মির্জা ও আসাদুজ্জামান লিয়নের নেতৃত্বে আসা ওই চক্রটি অফিস স্টাফদের অবরুদ্ধ করে দেশীয় অস্ত্রের মুখে জিম্মি করে।
অভিযোগে আরও বলা হয়, হামলাকারীরা অফিস ম্যানেজারসহ স্টাফদের চড়থাপ্পড় মেরে জিম্মি করে এবং গোডাউন থেকে দেশের বিভিন্ন স্থান থেকে পার্সেল হিসেবে আসা ৬ বস্তা সিগারেট (যার আনুমানিক মূল্য ৫ লাখ টাকা) এবং গ্রাহকদের লেনদেনের ক্যাশ বাক্সে থাকা নগদ ৫ লাখ ৫৬ হাজার টাকা জোরপূর্বক লুটে নেয়। যাওয়ার সময় চক্রটি আরও ১০ লাখ টাকা চাঁদা দাবি করে এবং ম্যানেজারকে শান্ত মির্জার মোবাইল নম্বর দিয়ে হুমকি দেয়। এ ঘটনা পুলিশ বা কাউকে জানালে প্রাণনাশের হুমকি দিয়ে তারা একটি কালো রঙের মাইক্রোবাসে করে পালিয়ে যায়।
মামলার বাদী ও ওই প্রতিষ্ঠানের কর্মকর্তা আরিফুল ইসলাম জানান, ঘটনার পর সিসিটিভি ফুটেজ পর্যালোচনা করে এবং স্থানীয়দের সহায়তায় হামলাকারীদের শনাক্ত করে থানায় মামলা করা হয়। এই আকস্মিক সশস্ত্র হামলায় পুরো অফিস ও আশপাশের ব্যবসায়ীদের মধ্যে চরম আতঙ্ক বিরাজ করছে।
কোনাবাড়ী থানার উপপরিদর্শক (এসআই) ও মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা খাইরুল ইসলাম জানান, এ ঘটনায় জড়িত অভিযোগে শান্ত মির্জা নামের একজনকে গ্রেপ্তার করে আদালতে পাঠানো হয়েছে। পলাতক অন্য আসামিদের গ্রেপ্তারে পুলিশি অভিযান অব্যাহত রয়েছে।

শনিবার, ১০ অক্টোবর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১০ অক্টোবর ২০২৬
গাজীপুর মহানগরীর কোনাবাড়ী এলাকায় এস এ পরিবহন পার্সেল অ্যান্ড কুরিয়ার সার্ভিসের শাখায় ঢুকে দেশীয় অস্ত্রের ভয় দেখিয়ে হামলা, ভাঙচুর ও ১০ লক্ষাধিক টাকার মালামাল ও নগদ টাকা লুটের অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় তিনজনের নাম উল্লেখসহ অজ্ঞাতপরিচয় আরও ৪-৫ জনকে আসামি করে কোনাবাড়ী থানায় একটি মামলা দায়ের করা হয়েছে। পুলিশ অভিযান চালিয়ে আশরাফুল ইসলাম শান্ত মির্জা (৪৪) নামের এজাহারভুক্ত এক প্রধান আসামিকে গ্রেপ্তার করেছে।
শনিবার (১০ অক্টোবর) মামলা দায়েরের পর দিনদুপুরে গ্রেপ্তারকৃত আসামিকে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়।
মামলার এজাহার সূত্রে জানা যায়, গত শুক্রবার (৯ অক্টোবর) সকাল আটটার দিকে কোনাবাড়ী থানাধীন দেওয়ালিয়াবাড়ী জেলখানা রোড এলাকায় অবস্থিত এস এ পরিবহন প্রাইভেট লিমিটেড পার্সেল অ্যান্ড কুরিয়ার সার্ভিস কার্যালয়ে অনধিকার প্রবেশ করে একদল দুর্বৃত্ত। আশরাফুল ইসলাম শান্ত মির্জা ও আসাদুজ্জামান লিয়নের নেতৃত্বে আসা ওই চক্রটি অফিস স্টাফদের অবরুদ্ধ করে দেশীয় অস্ত্রের মুখে জিম্মি করে।
অভিযোগে আরও বলা হয়, হামলাকারীরা অফিস ম্যানেজারসহ স্টাফদের চড়থাপ্পড় মেরে জিম্মি করে এবং গোডাউন থেকে দেশের বিভিন্ন স্থান থেকে পার্সেল হিসেবে আসা ৬ বস্তা সিগারেট (যার আনুমানিক মূল্য ৫ লাখ টাকা) এবং গ্রাহকদের লেনদেনের ক্যাশ বাক্সে থাকা নগদ ৫ লাখ ৫৬ হাজার টাকা জোরপূর্বক লুটে নেয়। যাওয়ার সময় চক্রটি আরও ১০ লাখ টাকা চাঁদা দাবি করে এবং ম্যানেজারকে শান্ত মির্জার মোবাইল নম্বর দিয়ে হুমকি দেয়। এ ঘটনা পুলিশ বা কাউকে জানালে প্রাণনাশের হুমকি দিয়ে তারা একটি কালো রঙের মাইক্রোবাসে করে পালিয়ে যায়।
মামলার বাদী ও ওই প্রতিষ্ঠানের কর্মকর্তা আরিফুল ইসলাম জানান, ঘটনার পর সিসিটিভি ফুটেজ পর্যালোচনা করে এবং স্থানীয়দের সহায়তায় হামলাকারীদের শনাক্ত করে থানায় মামলা করা হয়। এই আকস্মিক সশস্ত্র হামলায় পুরো অফিস ও আশপাশের ব্যবসায়ীদের মধ্যে চরম আতঙ্ক বিরাজ করছে।
কোনাবাড়ী থানার উপপরিদর্শক (এসআই) ও মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা খাইরুল ইসলাম জানান, এ ঘটনায় জড়িত অভিযোগে শান্ত মির্জা নামের একজনকে গ্রেপ্তার করে আদালতে পাঠানো হয়েছে। পলাতক অন্য আসামিদের গ্রেপ্তারে পুলিশি অভিযান অব্যাহত রয়েছে।

আপনার মতামত লিখুন