২০০৬ বিশ্বকাপ ফাইনালে ইতালির ডিফেন্ডার মার্কো মাতেরাজ্জিকে মাথা দিয়ে আঘাত করার সেই আলোচিত ঘটনার প্রায় ২০ বছর পার হয়ে গেলেও স্মৃতিটি এখনও তাড়া করে ফরাসি কিংবদন্তি জিনেদিন জিদানকে।
ফরাসি ফুটবলের এই মহানায়ক খোলামেলাভাবে জানিয়েছেন, ওই ঘটনার পর থেকে ইতালি ডিফেন্ডারের সঙ্গে আর কখনও কোনো কথা হয়নি। তবে এই অনভিপ্রেত অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনাটি নিয়ে কোনো আক্ষেপ না থাকলেও তিনি সাফ জানিয়ে দেন যে, মাঠের এমন আচরণের জন্য তিনি মোটেও গর্বিত নন।
উয়েফা নেশন্স লিগে ঘরের মাঠে ইতালির মুখোমুখি হয়েছিল ফ্রান্স। প্যারিসে হাইভোল্টেজ ম্যাচটির আগে সংবাদ সম্মেলনে সাংবাদিকদের মুখোমুখি হলে স্বাভাবিকভাবেই উঠে আসে বার্লিনের সেই হেডবাট বিতর্ক।
সংবাদমাধ্যমের প্রশ্নে জিদান সেই অতীত স্মৃতি স্মরণ করে স্পষ্ট কণ্ঠে বলেন, ‘এগুলো আক্ষেপ নয়, তবে এটি আমার ক্যারিয়ারের একটি অংশ। যা ঘটেছিল, তা নিয়ে আমি গর্বিত নই। এর আগেও আমি এটা বলেছি, আবারও বলছি।’
সেই ঘটনার অদেখা ছবি ও ভিডিও ফুটেজ প্রতিনিয়ত সামনে আসায় বিষয়টি তাকে বারবার সেই পুরোনো স্মৃতির কথা মনে করিয়ে দেয় বলে মন্তব্য করেন ফ্রান্সের এই কোচ।
তিনি যোগ করে বলেন, ‘ছবিগুলো সব সময় আমাকে সেই ঘটনার কথা মনে করিয়ে দেয়। কারণ সেগুলো সব জায়গায় নিয়মিত দেখানো হয়। তবে সৌভাগ্যবশত আমি শুধু ওই ফাইনালেই খেলিনি। আমার আরও অনেক ইতিবাচক স্মৃতি রয়েছে।’
জিদানকে যখন তার দীর্ঘ ফুটবল ক্যারিয়ারের সেরা ও স্মরণীয় মুহূর্তের কথা জিজ্ঞেস করা হয়, তখন তিনি ফিরে যান ১৯৯৮ সালের ঘরের মাঠের বিশ্বকাপে।
ব্রাজিলকে হারিয়ে ঐতিহাসিক শিরোপা জয়ের স্মৃতিকে সেরা আখ্যা দিয়ে তিনি বলেন, ‘আমি খুব মৌলিক কিছু বলব না। আমার মনে হয়, ১৯৯৮ সালে আমরা ছেলেদের সঙ্গে যা করেছিলাম, সেটিই। বিশ্বকাপ জেতা, তাও আবার ব্রাজিলের বিপক্ষে, এটি ছিল স্বপ্নপূরণের মতো।’
২০০৬ সালে মাঠের প্রধান খেলোয়াড় হিসেবে ইতালির মুখোমুখি হওয়া জিদান এবার ছিলেন সম্পূর্ণ ভিন্ন ভূমিকায়। ডাগআউটে দাঁড়িয়ে ফরাসি দলের মাস্টারমাইন্ড হয়ে দলকে পথ দেখানোর নতুন দায়িত্ব পালন করেন তিনি।

শনিবার, ১০ অক্টোবর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১০ অক্টোবর ২০২৬
২০০৬ বিশ্বকাপ ফাইনালে ইতালির ডিফেন্ডার মার্কো মাতেরাজ্জিকে মাথা দিয়ে আঘাত করার সেই আলোচিত ঘটনার প্রায় ২০ বছর পার হয়ে গেলেও স্মৃতিটি এখনও তাড়া করে ফরাসি কিংবদন্তি জিনেদিন জিদানকে।
ফরাসি ফুটবলের এই মহানায়ক খোলামেলাভাবে জানিয়েছেন, ওই ঘটনার পর থেকে ইতালি ডিফেন্ডারের সঙ্গে আর কখনও কোনো কথা হয়নি। তবে এই অনভিপ্রেত অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনাটি নিয়ে কোনো আক্ষেপ না থাকলেও তিনি সাফ জানিয়ে দেন যে, মাঠের এমন আচরণের জন্য তিনি মোটেও গর্বিত নন।
উয়েফা নেশন্স লিগে ঘরের মাঠে ইতালির মুখোমুখি হয়েছিল ফ্রান্স। প্যারিসে হাইভোল্টেজ ম্যাচটির আগে সংবাদ সম্মেলনে সাংবাদিকদের মুখোমুখি হলে স্বাভাবিকভাবেই উঠে আসে বার্লিনের সেই হেডবাট বিতর্ক।
সংবাদমাধ্যমের প্রশ্নে জিদান সেই অতীত স্মৃতি স্মরণ করে স্পষ্ট কণ্ঠে বলেন, ‘এগুলো আক্ষেপ নয়, তবে এটি আমার ক্যারিয়ারের একটি অংশ। যা ঘটেছিল, তা নিয়ে আমি গর্বিত নই। এর আগেও আমি এটা বলেছি, আবারও বলছি।’
সেই ঘটনার অদেখা ছবি ও ভিডিও ফুটেজ প্রতিনিয়ত সামনে আসায় বিষয়টি তাকে বারবার সেই পুরোনো স্মৃতির কথা মনে করিয়ে দেয় বলে মন্তব্য করেন ফ্রান্সের এই কোচ।
তিনি যোগ করে বলেন, ‘ছবিগুলো সব সময় আমাকে সেই ঘটনার কথা মনে করিয়ে দেয়। কারণ সেগুলো সব জায়গায় নিয়মিত দেখানো হয়। তবে সৌভাগ্যবশত আমি শুধু ওই ফাইনালেই খেলিনি। আমার আরও অনেক ইতিবাচক স্মৃতি রয়েছে।’
জিদানকে যখন তার দীর্ঘ ফুটবল ক্যারিয়ারের সেরা ও স্মরণীয় মুহূর্তের কথা জিজ্ঞেস করা হয়, তখন তিনি ফিরে যান ১৯৯৮ সালের ঘরের মাঠের বিশ্বকাপে।
ব্রাজিলকে হারিয়ে ঐতিহাসিক শিরোপা জয়ের স্মৃতিকে সেরা আখ্যা দিয়ে তিনি বলেন, ‘আমি খুব মৌলিক কিছু বলব না। আমার মনে হয়, ১৯৯৮ সালে আমরা ছেলেদের সঙ্গে যা করেছিলাম, সেটিই। বিশ্বকাপ জেতা, তাও আবার ব্রাজিলের বিপক্ষে, এটি ছিল স্বপ্নপূরণের মতো।’
২০০৬ সালে মাঠের প্রধান খেলোয়াড় হিসেবে ইতালির মুখোমুখি হওয়া জিদান এবার ছিলেন সম্পূর্ণ ভিন্ন ভূমিকায়। ডাগআউটে দাঁড়িয়ে ফরাসি দলের মাস্টারমাইন্ড হয়ে দলকে পথ দেখানোর নতুন দায়িত্ব পালন করেন তিনি।

আপনার মতামত লিখুন