নিজ নিজ সততা, কর্ম ও ব্যতিক্রমী উদ্যোগের মাধ্যমে সমাজের বুকে অনন্য দৃষ্টান্ত স্থাপন করা তিনজন অনুপ্রেরণাদায়ী ব্যক্তি প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সঙ্গে এক বিশেষ সৌজন্য সাক্ষাৎ করেছেন।
বুধবার বাংলাদেশ সচিবালয়ে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে সাক্ষাৎকালে এই তিন কৃতি সন্তানকে আন্তরিক অভ্যর্থনা জানান প্রধানমন্ত্রী। এই অদম্য ব্যক্তিত্বরা হলেন: বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয় (বুয়েট) থেকে পাস করেও সুউচ্চ করপোরেট ক্যারিয়ার ছেড়ে প্রাথমিক বিদ্যালয়ে শিক্ষকতাকে পেশা হিসেবে বেছে নেওয়া নায়লা শারাফ, দুই হাত না থাকা সত্ত্বেও নিজের অদম্য ইচ্ছাশক্তিতে বিদ্যালয় প্রতিষ্ঠা করা মো. আলতাফ হোসেন এবং নিজস্ব উদ্যোগে হাজার হাজার গাছ রোপণ করা পরিবেশপ্রেমী রেজাউল কিবরিয়া বাবুল।
প্রধানমন্ত্রীর সরাসরি সাক্ষাতের সুযোগ পেয়ে তারা আবেগাপ্লুত হয়ে পড়েন। এ সময় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান মনোযোগের সঙ্গে তাদের জীবনসংগ্রাম, ব্যতিক্রমী চিন্তাভাবনা ও সমাজের নানা কল্যাণে পরিচালিত কাজের অভিজ্ঞতা শোনেন।
তিনি তাদের এই উদ্যোগগুলোর ভূয়সী প্রশংসা করেন এবং ভবিষ্যতে যেকোনো প্রয়োজনে সরকারের পক্ষ থেকে সব ধরনের সহযোগিতার পূর্ণ আশ্বাস দেন। অনুষ্ঠানে অনুভূতি প্রকাশ করতে গিয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘দেশ গঠনে আপনাদের মতো মানুষের অনেক প্রয়োজন। আপনাদের মতো সবাই এগিয়ে এলে দেশ গঠন সহজ হবে।’
সাক্ষাৎকালে বুয়েট পাস করা নায়লা শারাফের অনন্য পেশা নির্বাচনের গল্প সবাইকে অনুপ্রাণিত করে। এলজিইডি ও ব্যাংকের চাকরি ছেড়ে এবং ৩৪তম বিসিএসে উত্তীর্ণ হওয়ার পরও সরকারি ক্যাডার সার্ভিসে যোগ না দিয়ে তিনি নেত্রকোনার পাঁচআননপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে বিগত সাত বছর ধরে শিশুদের পড়াচ্ছেন।
অপরদিকে নরসিংদীর মো. আলতাফ হোসেন জন্ম থেকেই দুই হাতহীন হলেও পা দিয়ে লিখে পড়ালেখা চালিয়ে গেছেন এবং ২০০৭ সালে প্রতিষ্ঠা করেছেন প্রতিভা দুঃখু মিয়া কিন্ডারগার্টেন স্কুল। প্রধানমন্ত্রী তার কথা শুনে স্কুলে নতুন ভবন বানিয়ে দেওয়ার সুনির্দিষ্ট নিশ্চয়তা দেন।
অন্যদিকে, ভোলার চরফ্যাশনের রেজাউল কিবরিয়া বাবুল মসজিদে ইমামতির পাশাপাশি তিন দশক ধরে নিজের জমিসম্পদ বিক্রি করে হাজার হাজার গাছ লাগিয়ে পুরো এলাকায় এক দৃষ্টান্ত তৈরি করেছেন। প্রধানমন্ত্রী জোর দিয়ে বলেন, দেশের অগ্রগতি ও কল্যাণে ব্যক্তিগত উদ্যোগে কাজ করা মানুষদের অবদান অপরিসীম।
পরিশেষে দেশের উন্নয়ন নিশ্চিত করতে ও যুবসমাজকে উদ্বুদ্ধ করতে প্রধানমন্ত্রী তাদের নিজ নিজ মানবিক কার্যক্রম অব্যাহত রাখার জোর তাগিদ দেন এবং সরকারের পক্ষ থেকে সব ধরনের সহায়তার হাত বাড়িয়ে দেওয়ার অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করেন।

বুধবার, ১৪ অক্টোবর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৪ অক্টোবর ২০২৬
নিজ নিজ সততা, কর্ম ও ব্যতিক্রমী উদ্যোগের মাধ্যমে সমাজের বুকে অনন্য দৃষ্টান্ত স্থাপন করা তিনজন অনুপ্রেরণাদায়ী ব্যক্তি প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সঙ্গে এক বিশেষ সৌজন্য সাক্ষাৎ করেছেন।
বুধবার বাংলাদেশ সচিবালয়ে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে সাক্ষাৎকালে এই তিন কৃতি সন্তানকে আন্তরিক অভ্যর্থনা জানান প্রধানমন্ত্রী। এই অদম্য ব্যক্তিত্বরা হলেন: বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয় (বুয়েট) থেকে পাস করেও সুউচ্চ করপোরেট ক্যারিয়ার ছেড়ে প্রাথমিক বিদ্যালয়ে শিক্ষকতাকে পেশা হিসেবে বেছে নেওয়া নায়লা শারাফ, দুই হাত না থাকা সত্ত্বেও নিজের অদম্য ইচ্ছাশক্তিতে বিদ্যালয় প্রতিষ্ঠা করা মো. আলতাফ হোসেন এবং নিজস্ব উদ্যোগে হাজার হাজার গাছ রোপণ করা পরিবেশপ্রেমী রেজাউল কিবরিয়া বাবুল।
প্রধানমন্ত্রীর সরাসরি সাক্ষাতের সুযোগ পেয়ে তারা আবেগাপ্লুত হয়ে পড়েন। এ সময় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান মনোযোগের সঙ্গে তাদের জীবনসংগ্রাম, ব্যতিক্রমী চিন্তাভাবনা ও সমাজের নানা কল্যাণে পরিচালিত কাজের অভিজ্ঞতা শোনেন।
তিনি তাদের এই উদ্যোগগুলোর ভূয়সী প্রশংসা করেন এবং ভবিষ্যতে যেকোনো প্রয়োজনে সরকারের পক্ষ থেকে সব ধরনের সহযোগিতার পূর্ণ আশ্বাস দেন। অনুষ্ঠানে অনুভূতি প্রকাশ করতে গিয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘দেশ গঠনে আপনাদের মতো মানুষের অনেক প্রয়োজন। আপনাদের মতো সবাই এগিয়ে এলে দেশ গঠন সহজ হবে।’
সাক্ষাৎকালে বুয়েট পাস করা নায়লা শারাফের অনন্য পেশা নির্বাচনের গল্প সবাইকে অনুপ্রাণিত করে। এলজিইডি ও ব্যাংকের চাকরি ছেড়ে এবং ৩৪তম বিসিএসে উত্তীর্ণ হওয়ার পরও সরকারি ক্যাডার সার্ভিসে যোগ না দিয়ে তিনি নেত্রকোনার পাঁচআননপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে বিগত সাত বছর ধরে শিশুদের পড়াচ্ছেন।
অপরদিকে নরসিংদীর মো. আলতাফ হোসেন জন্ম থেকেই দুই হাতহীন হলেও পা দিয়ে লিখে পড়ালেখা চালিয়ে গেছেন এবং ২০০৭ সালে প্রতিষ্ঠা করেছেন প্রতিভা দুঃখু মিয়া কিন্ডারগার্টেন স্কুল। প্রধানমন্ত্রী তার কথা শুনে স্কুলে নতুন ভবন বানিয়ে দেওয়ার সুনির্দিষ্ট নিশ্চয়তা দেন।
অন্যদিকে, ভোলার চরফ্যাশনের রেজাউল কিবরিয়া বাবুল মসজিদে ইমামতির পাশাপাশি তিন দশক ধরে নিজের জমিসম্পদ বিক্রি করে হাজার হাজার গাছ লাগিয়ে পুরো এলাকায় এক দৃষ্টান্ত তৈরি করেছেন। প্রধানমন্ত্রী জোর দিয়ে বলেন, দেশের অগ্রগতি ও কল্যাণে ব্যক্তিগত উদ্যোগে কাজ করা মানুষদের অবদান অপরিসীম।
পরিশেষে দেশের উন্নয়ন নিশ্চিত করতে ও যুবসমাজকে উদ্বুদ্ধ করতে প্রধানমন্ত্রী তাদের নিজ নিজ মানবিক কার্যক্রম অব্যাহত রাখার জোর তাগিদ দেন এবং সরকারের পক্ষ থেকে সব ধরনের সহায়তার হাত বাড়িয়ে দেওয়ার অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করেন।

আপনার মতামত লিখুন