বিনামূল্যে দেওয়ার কথা থাকলেও ফ্যামিলি কার্ড করিয়ে দেওয়ার প্রলোভন দেখিয়ে কার্ডপ্রার্থীদের কাছ থেকে টাকা নেওয়ার অভিযোগ উঠেছে সুনামগঞ্জের বিশ্বম্ভরপুর উপজেলার তথ্য সংগ্রহকারী আল আমিনের বিরুদ্ধে। এ নিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ৫ মিনিটের একটি ভিডিও ভাইরাল হওয়ার পর গত মঙ্গলবার রাতে চরম চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে।
অভিযুক্ত আল আমিন উপজেলার ধনপুর ইউনিয়নের মাছিমপুর গ্রামের আবু বক্করের ছেলে। তিনি ওই ইউনিয়নের ৯ নম্বর ওয়ার্ডের তথ্য সংগ্রহকারী হিসেবে চূড়ান্ত তালিকায় ১৩ নম্বরে রয়েছেন।
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া ভিডিও ফুটেজে দেখা গেছে, পাকা দালানঘরের এক মালিকের কাছ থেকে ফ্যামিলি কার্ডের জন্য টাকা দাবি করছেন আল আমিন। ভিডিওতে তাকে বলতে শোনা যায়, এই টাকা শুধু তিনি একা খান না; নেতাদেরও ভাগ দিতে হয় এবং সবাই মিলেমিশে খান।
একপর্যায়ে আল আমিনকে আরও বলতে শোনা যায়, ‘তিনটি গ্রাম টাকা দিয়ে কিনে এনেছি। মহেন্দ্র নগর কিনে আনছি। দুই গ্রামের টাকা নেতারা ভাগ নেবে, নেতারা টাকা খেয়ে ফেললে আমার কোনো গন্ধ বের হবে না। তোমার কাছে পাঁচ টাকা খেলে গন্ধ বের হবে। সবাই মিলে খেয়ে ফেললে তুফান এলেও আমার কিছু হবে না; তখন ১০ জনে বলবে আল আমিন ভালো।’ এ সময় টাকা কম দিতে চাইলে তিনি বলেন, ‘আর কয়টা দিন অপেক্ষা করো, ১০ হাজার টাকা দিয়েও পাবে না।’
ঘটনার পর ওই ওয়ার্ড বিএনপির সাধারণ সম্পাদক আব্দুল হান্নান বিশ্বম্ভরপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) ও উপজেলা সমাজসেবা কর্মকর্তার কাছে আল আমিনের বিরুদ্ধে লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন।
অভিযোগ দায়েরের বিষয়টি নিশ্চিত করে আব্দুল হান্নান বলেন, ‘আমাদের দলের প্রধান ও প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নির্বাচনী অঙ্গীকার ছিল দেশের অসহায় ও দরিদ্র পরিবারের সদস্যদের বিনামূল্যে একটি করে ফ্যামিলি কার্ড দেওয়া। কিন্তু আল আমিন কার্ড দেওয়ার নামে অনেকের কাছ থেকে টাকা নিচ্ছেন। বর্তমান সরকারের ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন করতে এবং দলের সুনাম নষ্ট করতেই সে এমনটা করছে। তার বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থার দাবি জানাচ্ছি।’
এ বিষয়ে জানতে অভিযুক্ত তথ্য সংগ্রহকারী আল আমিনের মুঠোফোনে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলে তা বন্ধ পাওয়া যায়। পরে তার হোয়াটসঅ্যাপ নম্বরে কল দেওয়া হলে তিনি রিসিভ করেননি এবং বার্তারও কোনো উত্তর দেননি।
বিশ্বম্ভরপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) সকিনা আক্তার বলেন, ‘ফ্যামিলি কার্ড দেওয়ার কথা বলে টাকা নেওয়া এবং বিতর্কিত কথাবার্তা বলার একটি ভিডিও ফুটেজ দেখেছি। এ বিষয়ে একটি লিখিত অভিযোগও পাওয়া গেছে। অভিযুক্ত তথ্য সংগ্রহকারী এখনো প্রশিক্ষণ নেননি। তদন্ত সাপেক্ষে তার বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে, কোনো ছাড় দেওয়া হবে না।’

বুধবার, ১৪ অক্টোবর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৪ অক্টোবর ২০২৬
বিনামূল্যে দেওয়ার কথা থাকলেও ফ্যামিলি কার্ড করিয়ে দেওয়ার প্রলোভন দেখিয়ে কার্ডপ্রার্থীদের কাছ থেকে টাকা নেওয়ার অভিযোগ উঠেছে সুনামগঞ্জের বিশ্বম্ভরপুর উপজেলার তথ্য সংগ্রহকারী আল আমিনের বিরুদ্ধে। এ নিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ৫ মিনিটের একটি ভিডিও ভাইরাল হওয়ার পর গত মঙ্গলবার রাতে চরম চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে।
অভিযুক্ত আল আমিন উপজেলার ধনপুর ইউনিয়নের মাছিমপুর গ্রামের আবু বক্করের ছেলে। তিনি ওই ইউনিয়নের ৯ নম্বর ওয়ার্ডের তথ্য সংগ্রহকারী হিসেবে চূড়ান্ত তালিকায় ১৩ নম্বরে রয়েছেন।
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া ভিডিও ফুটেজে দেখা গেছে, পাকা দালানঘরের এক মালিকের কাছ থেকে ফ্যামিলি কার্ডের জন্য টাকা দাবি করছেন আল আমিন। ভিডিওতে তাকে বলতে শোনা যায়, এই টাকা শুধু তিনি একা খান না; নেতাদেরও ভাগ দিতে হয় এবং সবাই মিলেমিশে খান।
একপর্যায়ে আল আমিনকে আরও বলতে শোনা যায়, ‘তিনটি গ্রাম টাকা দিয়ে কিনে এনেছি। মহেন্দ্র নগর কিনে আনছি। দুই গ্রামের টাকা নেতারা ভাগ নেবে, নেতারা টাকা খেয়ে ফেললে আমার কোনো গন্ধ বের হবে না। তোমার কাছে পাঁচ টাকা খেলে গন্ধ বের হবে। সবাই মিলে খেয়ে ফেললে তুফান এলেও আমার কিছু হবে না; তখন ১০ জনে বলবে আল আমিন ভালো।’ এ সময় টাকা কম দিতে চাইলে তিনি বলেন, ‘আর কয়টা দিন অপেক্ষা করো, ১০ হাজার টাকা দিয়েও পাবে না।’
ঘটনার পর ওই ওয়ার্ড বিএনপির সাধারণ সম্পাদক আব্দুল হান্নান বিশ্বম্ভরপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) ও উপজেলা সমাজসেবা কর্মকর্তার কাছে আল আমিনের বিরুদ্ধে লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন।
অভিযোগ দায়েরের বিষয়টি নিশ্চিত করে আব্দুল হান্নান বলেন, ‘আমাদের দলের প্রধান ও প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নির্বাচনী অঙ্গীকার ছিল দেশের অসহায় ও দরিদ্র পরিবারের সদস্যদের বিনামূল্যে একটি করে ফ্যামিলি কার্ড দেওয়া। কিন্তু আল আমিন কার্ড দেওয়ার নামে অনেকের কাছ থেকে টাকা নিচ্ছেন। বর্তমান সরকারের ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন করতে এবং দলের সুনাম নষ্ট করতেই সে এমনটা করছে। তার বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থার দাবি জানাচ্ছি।’
এ বিষয়ে জানতে অভিযুক্ত তথ্য সংগ্রহকারী আল আমিনের মুঠোফোনে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলে তা বন্ধ পাওয়া যায়। পরে তার হোয়াটসঅ্যাপ নম্বরে কল দেওয়া হলে তিনি রিসিভ করেননি এবং বার্তারও কোনো উত্তর দেননি।
বিশ্বম্ভরপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) সকিনা আক্তার বলেন, ‘ফ্যামিলি কার্ড দেওয়ার কথা বলে টাকা নেওয়া এবং বিতর্কিত কথাবার্তা বলার একটি ভিডিও ফুটেজ দেখেছি। এ বিষয়ে একটি লিখিত অভিযোগও পাওয়া গেছে। অভিযুক্ত তথ্য সংগ্রহকারী এখনো প্রশিক্ষণ নেননি। তদন্ত সাপেক্ষে তার বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে, কোনো ছাড় দেওয়া হবে না।’

আপনার মতামত লিখুন