সংবাদ

দুর্গোৎসবে প্রধানমন্ত্রীর শুভেচ্ছা

‘নিরাপত্তা পাবার অধিকার সবার’


সংবাদ ডিজিটাল রিপোর্ট
সংবাদ ডিজিটাল রিপোর্ট
প্রকাশ: ১৭ অক্টোবর ২০২৬, ০১:৩৪ পিএম

‘নিরাপত্তা পাবার অধিকার সবার’

​শারদীয় দুর্গাপূজা উপলক্ষে দেশ ও বিদেশের সব হিন্দু সম্প্রদায় তথা সনাতন ধর্মাবলম্বীদের আন্তরিক শুভেচ্ছা জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। উৎসব উপলক্ষে দেওয়া এক বাণীতে তিনি সম্প্রীতির বার্তা দিয়ে স্পষ্ট করেন যে, ধর্ম যার যার—রাষ্ট্র সবার এবং নিরাপত্তা পাবার অধিকারও সবার।

​শারদীয় দুর্গোৎসবের শুভলগ্নে দেওয়া বাণীতে প্রধানমন্ত্রী বলেন, "বাংলাদেশসহ সারাবিশ্বের হিন্দু সম্প্রদায়ের অন্যতম প্রধান ধর্মীয় উৎসব শারদীয় দুর্গাপূজা।"

উৎসবের আবহমান ধারার তাৎপর্য স্মরণ করিয়ে দিয়ে তিনি মন্তব্য করেন, "হিন্দু ধর্মমতে, জগতের মঙ্গল কামনায় দেবী দুর্গা স্বর্গলোক থেকে মর্ত্যলোকে আসেন এবং ভক্তদের কল্যাণ সাধন করে শত্রুর বিনাশ ও সৃষ্টিকে লালন করেন। অশুভ শক্তির বিনাশ এবং সত্য ও সুন্দরের এই আরাধনা শারদীয় দুর্গোৎসবের তাৎপর্যকে অনন্য মাত্রা দিয়েছে।"

​বাংলাদেশের ঐতিহ্যগত সম্প্রীতি ও বৈচিত্র্যের কথা তুলে ধরে প্রধানমন্ত্রী আরও উল্লেখ করেন, "দেশের বিভিন্ন ধর্মাবলম্বী মানুষ প্রতিটি গোষ্ঠী-গোত্র-সম্প্রদায় ব্যাপক উৎসাহ-উদ্দীপনার সঙ্গে যার যার ধর্ম পালন করবে। ধর্মীয় উৎসব পালন করা বাংলাদেশের আবহমানকালের ধর্মীয়, সামাজিক মূল্যবোধ ও সংস্কৃতির সৌন্দর্য। ধর্মীয়, সাংস্কৃতিক কিংবা সামাজিক কর্মকাণ্ডের মধ্য দিয়ে একজন বাংলাদেশি হিসেবে বিভিন্ন ধর্ম-গোত্র-সম্প্রদায়ের মানুষের পারস্পরিক বন্ধুত্ব, সম্প্রীতি, সৌহার্দ্য ও ভ্রাতৃত্ব পরিস্ফুটিত হয়ে ওঠে।"

​মানবতার মৌলিক বার্তার প্রতি গুরুত্বারোপ করে তারেক রহমান বাণীতে বলেন, "সাম্য, মানবিক মর্যাদা ও সামাজিক সুবিচার সব ধর্মেরই মূল উপজীব্য। মানবতার কল্যাণ সব ধর্মের অন্যতম মূল শিক্ষা। তাই যার যার ধর্মীয় বিধান ও সংস্কৃতি অনুশীলনের পাশাপাশি মানুষে মানুষে পারস্পরিক শ্রদ্ধা, সম্মান ও সহমর্মিতা বজায় রেখে সমাজে শান্তির পরিবেশ বহাল রাখা সবার জন্য জরুরি।"

​রাষ্ট্র পুনর্গঠনের চলমান পরিস্থিতির উল্লেখ করে তিনি বলেন, "হাজারো প্রাণের বিনিময়ে ফ্যাসিস্টের বিতাড়নের পর বাংলাদেশ পুনরায় গণতন্ত্রের পথে যাত্রা শুরু করেছে। শুরু হয়েছে বাংলাদেশ পুনর্গঠনের বিশাল কর্মযজ্ঞ। দল-মত, ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে সব নাগরিকের জন্য একটি কল্যাণমূলক, নিরাপদ ও মানবিক বাংলাদেশ প্রতিষ্ঠাই আমাদের অঙ্গীকার।"

​আমাদের বহুমাত্রিক সমাজ যেন সৌহার্দ্য ও সম্প্রীতির বার্তায় সমৃদ্ধ হয়ে ওঠে, বাণীতে সেই প্রত্যাশা প্রকাশ করেন প্রধানমন্ত্রী।

সেই সঙ্গে সনাতন ধর্মাবলম্বী নাগরিকের অধিকার ও নিরাপত্তার বিষয়টি পুনর্ব্যক্ত করে তিনি উচ্চারণ করেন, "ধর্ম যার যার—রাষ্ট্র সবার। ধর্ম যার যার—নিরাপত্তা পাবার অধিকার সবার।"

বাণীর সমাপ্তিতে সারাদেশের হিন্দু সম্প্রদায়ের সকলকে উৎসবের আনন্দে শামিল হওয়ার প্রতি আহ্বান জানিয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, "হিন্দু সম্প্রদায়ের ভাই ও বোনদের উৎসাহ-উদ্দীপনার সঙ্গে, নিশ্চিন্তে ও নিরাপদে সারা দেশে উৎসব-আনন্দ উদ্‌যাপনের আহ্বান জানাচ্ছি।"

আপনার মতামত লিখুন

সংবাদ

শনিবার, ১৭ অক্টোবর ২০২৬


‘নিরাপত্তা পাবার অধিকার সবার’

প্রকাশের তারিখ : ১৭ অক্টোবর ২০২৬

featured Image

​শারদীয় দুর্গাপূজা উপলক্ষে দেশ ও বিদেশের সব হিন্দু সম্প্রদায় তথা সনাতন ধর্মাবলম্বীদের আন্তরিক শুভেচ্ছা জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। উৎসব উপলক্ষে দেওয়া এক বাণীতে তিনি সম্প্রীতির বার্তা দিয়ে স্পষ্ট করেন যে, ধর্ম যার যার—রাষ্ট্র সবার এবং নিরাপত্তা পাবার অধিকারও সবার।

​শারদীয় দুর্গোৎসবের শুভলগ্নে দেওয়া বাণীতে প্রধানমন্ত্রী বলেন, "বাংলাদেশসহ সারাবিশ্বের হিন্দু সম্প্রদায়ের অন্যতম প্রধান ধর্মীয় উৎসব শারদীয় দুর্গাপূজা।"

উৎসবের আবহমান ধারার তাৎপর্য স্মরণ করিয়ে দিয়ে তিনি মন্তব্য করেন, "হিন্দু ধর্মমতে, জগতের মঙ্গল কামনায় দেবী দুর্গা স্বর্গলোক থেকে মর্ত্যলোকে আসেন এবং ভক্তদের কল্যাণ সাধন করে শত্রুর বিনাশ ও সৃষ্টিকে লালন করেন। অশুভ শক্তির বিনাশ এবং সত্য ও সুন্দরের এই আরাধনা শারদীয় দুর্গোৎসবের তাৎপর্যকে অনন্য মাত্রা দিয়েছে।"

​বাংলাদেশের ঐতিহ্যগত সম্প্রীতি ও বৈচিত্র্যের কথা তুলে ধরে প্রধানমন্ত্রী আরও উল্লেখ করেন, "দেশের বিভিন্ন ধর্মাবলম্বী মানুষ প্রতিটি গোষ্ঠী-গোত্র-সম্প্রদায় ব্যাপক উৎসাহ-উদ্দীপনার সঙ্গে যার যার ধর্ম পালন করবে। ধর্মীয় উৎসব পালন করা বাংলাদেশের আবহমানকালের ধর্মীয়, সামাজিক মূল্যবোধ ও সংস্কৃতির সৌন্দর্য। ধর্মীয়, সাংস্কৃতিক কিংবা সামাজিক কর্মকাণ্ডের মধ্য দিয়ে একজন বাংলাদেশি হিসেবে বিভিন্ন ধর্ম-গোত্র-সম্প্রদায়ের মানুষের পারস্পরিক বন্ধুত্ব, সম্প্রীতি, সৌহার্দ্য ও ভ্রাতৃত্ব পরিস্ফুটিত হয়ে ওঠে।"

​মানবতার মৌলিক বার্তার প্রতি গুরুত্বারোপ করে তারেক রহমান বাণীতে বলেন, "সাম্য, মানবিক মর্যাদা ও সামাজিক সুবিচার সব ধর্মেরই মূল উপজীব্য। মানবতার কল্যাণ সব ধর্মের অন্যতম মূল শিক্ষা। তাই যার যার ধর্মীয় বিধান ও সংস্কৃতি অনুশীলনের পাশাপাশি মানুষে মানুষে পারস্পরিক শ্রদ্ধা, সম্মান ও সহমর্মিতা বজায় রেখে সমাজে শান্তির পরিবেশ বহাল রাখা সবার জন্য জরুরি।"

​রাষ্ট্র পুনর্গঠনের চলমান পরিস্থিতির উল্লেখ করে তিনি বলেন, "হাজারো প্রাণের বিনিময়ে ফ্যাসিস্টের বিতাড়নের পর বাংলাদেশ পুনরায় গণতন্ত্রের পথে যাত্রা শুরু করেছে। শুরু হয়েছে বাংলাদেশ পুনর্গঠনের বিশাল কর্মযজ্ঞ। দল-মত, ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে সব নাগরিকের জন্য একটি কল্যাণমূলক, নিরাপদ ও মানবিক বাংলাদেশ প্রতিষ্ঠাই আমাদের অঙ্গীকার।"

​আমাদের বহুমাত্রিক সমাজ যেন সৌহার্দ্য ও সম্প্রীতির বার্তায় সমৃদ্ধ হয়ে ওঠে, বাণীতে সেই প্রত্যাশা প্রকাশ করেন প্রধানমন্ত্রী।

সেই সঙ্গে সনাতন ধর্মাবলম্বী নাগরিকের অধিকার ও নিরাপত্তার বিষয়টি পুনর্ব্যক্ত করে তিনি উচ্চারণ করেন, "ধর্ম যার যার—রাষ্ট্র সবার। ধর্ম যার যার—নিরাপত্তা পাবার অধিকার সবার।"

বাণীর সমাপ্তিতে সারাদেশের হিন্দু সম্প্রদায়ের সকলকে উৎসবের আনন্দে শামিল হওয়ার প্রতি আহ্বান জানিয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, "হিন্দু সম্প্রদায়ের ভাই ও বোনদের উৎসাহ-উদ্দীপনার সঙ্গে, নিশ্চিন্তে ও নিরাপদে সারা দেশে উৎসব-আনন্দ উদ্‌যাপনের আহ্বান জানাচ্ছি।"


সংবাদ

সম্পাদক ও প্রকাশক
আলতামাশ কবির

নির্বাহী সম্পাদক
শাহরিয়ার করিম

প্রধান, সংবাদ ডিজিটাল
রাশেদ আহমেদ


কপিরাইট © ২০২৬ | সংবাদ | সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত