গাইবান্ধা সদর উপজেলার দুর্গম চরাঞ্চলের সিধাই গ্রামে বন্যায় ক্ষতিগ্রস্তদের জন্য তৈরি করা হয়েছে বিশেষ কাঠামোভিত্তিক ‘খুদি বাড়ি’। আন্তর্জাতিক খ্যাতিসম্পন্ন স্থপতি মেরিনা তাবাশ্যুমের নকশায় নির্মিত এই ঘরটি চরের মানুষের জন্য বন্যা মোকাবিলায় নতুন আশা জাগিয়েছে।
পাঁচ দিনের পরিশ্রমে নির্মাণকাজ শেষে গত বৃহস্পতিবার ঘরটি স্থানীয়দের কাছে হস্তান্তর করে যুব স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন ‘সৃজনশীল গাইবান্ধা ফাউন্ডেশন’।
অ্যাকশনএইড বাংলাদেশের ‘যুব নেতৃত্বে জলবায়ু অভিযোজন’ উদ্যোগের আওতায় সারা দেশ থেকে জমা পড়া ১৪৭টি আবেদনের মধ্যে সৃজনশীল গাইবান্ধা ফাউন্ডেশন জাতীয় যুব সহযোগী হিসেবে মনোনীত হয়। অ্যাকশনএইডের দেওয়া ১ লাখ ৩০ হাজার টাকা এবং নিজস্ব ফান্ডের ২০ হাজার টাকাসহ মোট ১ লাখ ৫০ হাজার টাকা ব্যয়ে ঘরটি তৈরি করা হয়। কারিগরি সহায়তা দিয়েছে স্থপতি মেরিনা তাবাশ্যুমের প্রতিষ্ঠান ‘ফাউন্ডেশন ফর আর্কিটেকচার অ্যান্ড কমিউনিটি ইকুইটি’ (ফেস)।
বাঁশ ও ইস্পাতের সহজে স্থানান্তরযোগ্য এই দোতলা বাড়িটি ১০ ফুট দীর্ঘ, ১০ ফুট চওড়া ও ১৩ ফুট উঁচু। প্রয়োজনে এটি সহজে খুলে অন্যত্র সরিয়ে নতুন করে বসানো যায়। সিধাই গ্রামের সাজেদা বেগম (৪৫) জনকল্যাণে এই ঘর তৈরির জন্য জমি দান করেছেন।
ব্রহ্মপুত্র নদবেষ্টিত সিধাই গ্রামে বর্ষায় পানি বাড়লে কলার ভেলা বা নৌকায় দিন কাটাতে হয়। বিশেষ করে নারী, শিশু ও বয়োবৃদ্ধদের নিরাপদ আশ্রয় দেওয়ার পাশাপাশি জরুরি কাগজপত্র রাখা কঠিন হয়ে পড়ে। নতুন এই ঘর তৈরি হওয়ায় বন্যা পরিস্থিতিতে স্বস্তি ফিরেছে স্থানীয়দের মাঝে।
সৃজনশীল গাইবান্ধা ফাউন্ডেশনের প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি মো. মেহেদী হাসান বলেন, ‘চরের মানুষের বাস্তবতাকে প্রাধান্য দিয়েই এই উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। এই ঘরে বন্যার সময় অন্তত ৭-৮ জন নিরাপদে আশ্রয় নিতে পারবেন। সরকারি বা বেসরকারি পৃষ্ঠপোষকতা পেলে দুর্গম চরাঞ্চলে এ ধরনের টেকসই আশ্রয় আরও গড়ে তোলা সম্ভব।’

শনিবার, ১৭ অক্টোবর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৭ অক্টোবর ২০২৬
গাইবান্ধা সদর উপজেলার দুর্গম চরাঞ্চলের সিধাই গ্রামে বন্যায় ক্ষতিগ্রস্তদের জন্য তৈরি করা হয়েছে বিশেষ কাঠামোভিত্তিক ‘খুদি বাড়ি’। আন্তর্জাতিক খ্যাতিসম্পন্ন স্থপতি মেরিনা তাবাশ্যুমের নকশায় নির্মিত এই ঘরটি চরের মানুষের জন্য বন্যা মোকাবিলায় নতুন আশা জাগিয়েছে।
পাঁচ দিনের পরিশ্রমে নির্মাণকাজ শেষে গত বৃহস্পতিবার ঘরটি স্থানীয়দের কাছে হস্তান্তর করে যুব স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন ‘সৃজনশীল গাইবান্ধা ফাউন্ডেশন’।
অ্যাকশনএইড বাংলাদেশের ‘যুব নেতৃত্বে জলবায়ু অভিযোজন’ উদ্যোগের আওতায় সারা দেশ থেকে জমা পড়া ১৪৭টি আবেদনের মধ্যে সৃজনশীল গাইবান্ধা ফাউন্ডেশন জাতীয় যুব সহযোগী হিসেবে মনোনীত হয়। অ্যাকশনএইডের দেওয়া ১ লাখ ৩০ হাজার টাকা এবং নিজস্ব ফান্ডের ২০ হাজার টাকাসহ মোট ১ লাখ ৫০ হাজার টাকা ব্যয়ে ঘরটি তৈরি করা হয়। কারিগরি সহায়তা দিয়েছে স্থপতি মেরিনা তাবাশ্যুমের প্রতিষ্ঠান ‘ফাউন্ডেশন ফর আর্কিটেকচার অ্যান্ড কমিউনিটি ইকুইটি’ (ফেস)।
বাঁশ ও ইস্পাতের সহজে স্থানান্তরযোগ্য এই দোতলা বাড়িটি ১০ ফুট দীর্ঘ, ১০ ফুট চওড়া ও ১৩ ফুট উঁচু। প্রয়োজনে এটি সহজে খুলে অন্যত্র সরিয়ে নতুন করে বসানো যায়। সিধাই গ্রামের সাজেদা বেগম (৪৫) জনকল্যাণে এই ঘর তৈরির জন্য জমি দান করেছেন।
ব্রহ্মপুত্র নদবেষ্টিত সিধাই গ্রামে বর্ষায় পানি বাড়লে কলার ভেলা বা নৌকায় দিন কাটাতে হয়। বিশেষ করে নারী, শিশু ও বয়োবৃদ্ধদের নিরাপদ আশ্রয় দেওয়ার পাশাপাশি জরুরি কাগজপত্র রাখা কঠিন হয়ে পড়ে। নতুন এই ঘর তৈরি হওয়ায় বন্যা পরিস্থিতিতে স্বস্তি ফিরেছে স্থানীয়দের মাঝে।
সৃজনশীল গাইবান্ধা ফাউন্ডেশনের প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি মো. মেহেদী হাসান বলেন, ‘চরের মানুষের বাস্তবতাকে প্রাধান্য দিয়েই এই উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। এই ঘরে বন্যার সময় অন্তত ৭-৮ জন নিরাপদে আশ্রয় নিতে পারবেন। সরকারি বা বেসরকারি পৃষ্ঠপোষকতা পেলে দুর্গম চরাঞ্চলে এ ধরনের টেকসই আশ্রয় আরও গড়ে তোলা সম্ভব।’

আপনার মতামত লিখুন