বাংলাদেশে বিদ্যমান সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতির যে অনন্য দৃষ্টান্ত রয়েছে, তা বিশ্বের অন্য কোথাও খুঁজে পাওয়া যাবে না বলে মন্তব্য করেছেন রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। তিনি বলেছেন, বিশ্বজুড়ে যখন হানাহানি ও হিংসার আগুন জ্বলছে, তখন বাংলাদেশে অত্যন্ত শান্তিপূর্ণ পরিবেশে হিন্দু সম্প্রদায়ের মানুষ দুর্গাপূজা উদযাপন করছেন। দেশের এই সম্প্রীতি যেকোনো মূল্যে অটুট ও ভবিষ্যতেও সমুন্নত রাখার ওপর বিশেষ গুরুত্বারোপ করেন তিনি।
রোববার (১৮ অক্টোবর) রাজধানীর রমনা কালী মন্দিরের পূজামণ্ডপ পরিদর্শন শেষে প্রধান অতিথির বক্তব্যে রাষ্ট্রপতি এসব কথা বলেন। এ সময় তিনি বাংলাদেশের সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি নিয়ে কিছু মহলের অপব্যাখ্যা ও অপপ্রচারের তীব্র সমালোচনা করেন এবং দেশের সব সম্প্রদায়ের মানুষের মধ্যে পারস্পরিক ভালোবাসা ও শান্তি বজায় রাখার আহ্বান জানান।
পূজার মূল দর্শনের কথা উল্লেখ করে রাষ্ট্রপতি বলেন, পূজার অন্তর্নিহিত অর্থের সঙ্গে বাংলাদেশের মানুষের অসুরের বিরুদ্ধে বিজয়ের বিষয়টি ওতপ্রোতভাবে জড়িত। অতীতেও দেশে অসুরের আবির্ভাব হয়েছে এবং এ দেশের মানুষ ঐক্যবদ্ধভাবে তাদের পরাজিত করেছে। তিনি স্মরণ করেন, অতীতে দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়ার নেতৃত্বে সমগ্র জাতিকে ঐক্যবদ্ধ করে অসুরের হাত থেকে মুক্তি পাওয়া সম্ভব হয়েছিল।
পূজামণ্ডপের নিরাপত্তার বিষয়ে রাষ্ট্রপতি বলেন, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান সরকার এবং বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের (বিএনপি) পক্ষ থেকে দেশের প্রতিটি পূজামণ্ডপে সর্বোচ্চ নিরাপত্তা নিশ্চিত করার সুনির্দিষ্ট নির্দেশনা দিয়েছেন। আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর পাশাপাশি দলের নেতাকর্মীদেরও এ ক্ষেত্রে সবচেয়ে বেশি উদ্যোগী হওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। বিশ্বের বিভিন্ন অঞ্চলে পরিকল্পিতভাবে সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি বিনষ্টের অপচেষ্টা চলছে উল্লেখ করে তিনি বলেন, বাংলাদেশের সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি রক্ষায় সবাই সর্বদা সচেষ্ট থাকবে।
রাষ্ট্রীয় প্রটোকল ও আনুষ্ঠানিকতার কারণে সাধারণ ভক্তদের অনেকেই অনুষ্ঠানে উপস্থিত হতে না পারায় কিছুটা আক্ষেপ প্রকাশ করেন রাষ্ট্রপতি। তিনি আশা প্রকাশ করেন, ভবিষ্যতে নিরাপত্তা ব্যবস্থা আরও স্বাভাবিক ও শিথিল করে যাতে সাধারণ মানুষ আরও স্বাচ্ছন্দ্যে পূজা উদযাপন করতে পারেন, সেই পরিবেশ তৈরি হবে এবং অতিরিক্ত কঠোর নিরাপত্তার প্রয়োজন ফুরিয়ে আসবে।
/

রোববার, ১৮ অক্টোবর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৮ অক্টোবর ২০২৬
বাংলাদেশে বিদ্যমান সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতির যে অনন্য দৃষ্টান্ত রয়েছে, তা বিশ্বের অন্য কোথাও খুঁজে পাওয়া যাবে না বলে মন্তব্য করেছেন রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। তিনি বলেছেন, বিশ্বজুড়ে যখন হানাহানি ও হিংসার আগুন জ্বলছে, তখন বাংলাদেশে অত্যন্ত শান্তিপূর্ণ পরিবেশে হিন্দু সম্প্রদায়ের মানুষ দুর্গাপূজা উদযাপন করছেন। দেশের এই সম্প্রীতি যেকোনো মূল্যে অটুট ও ভবিষ্যতেও সমুন্নত রাখার ওপর বিশেষ গুরুত্বারোপ করেন তিনি।
রোববার (১৮ অক্টোবর) রাজধানীর রমনা কালী মন্দিরের পূজামণ্ডপ পরিদর্শন শেষে প্রধান অতিথির বক্তব্যে রাষ্ট্রপতি এসব কথা বলেন। এ সময় তিনি বাংলাদেশের সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি নিয়ে কিছু মহলের অপব্যাখ্যা ও অপপ্রচারের তীব্র সমালোচনা করেন এবং দেশের সব সম্প্রদায়ের মানুষের মধ্যে পারস্পরিক ভালোবাসা ও শান্তি বজায় রাখার আহ্বান জানান।
পূজার মূল দর্শনের কথা উল্লেখ করে রাষ্ট্রপতি বলেন, পূজার অন্তর্নিহিত অর্থের সঙ্গে বাংলাদেশের মানুষের অসুরের বিরুদ্ধে বিজয়ের বিষয়টি ওতপ্রোতভাবে জড়িত। অতীতেও দেশে অসুরের আবির্ভাব হয়েছে এবং এ দেশের মানুষ ঐক্যবদ্ধভাবে তাদের পরাজিত করেছে। তিনি স্মরণ করেন, অতীতে দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়ার নেতৃত্বে সমগ্র জাতিকে ঐক্যবদ্ধ করে অসুরের হাত থেকে মুক্তি পাওয়া সম্ভব হয়েছিল।
পূজামণ্ডপের নিরাপত্তার বিষয়ে রাষ্ট্রপতি বলেন, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান সরকার এবং বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের (বিএনপি) পক্ষ থেকে দেশের প্রতিটি পূজামণ্ডপে সর্বোচ্চ নিরাপত্তা নিশ্চিত করার সুনির্দিষ্ট নির্দেশনা দিয়েছেন। আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর পাশাপাশি দলের নেতাকর্মীদেরও এ ক্ষেত্রে সবচেয়ে বেশি উদ্যোগী হওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। বিশ্বের বিভিন্ন অঞ্চলে পরিকল্পিতভাবে সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি বিনষ্টের অপচেষ্টা চলছে উল্লেখ করে তিনি বলেন, বাংলাদেশের সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি রক্ষায় সবাই সর্বদা সচেষ্ট থাকবে।
রাষ্ট্রীয় প্রটোকল ও আনুষ্ঠানিকতার কারণে সাধারণ ভক্তদের অনেকেই অনুষ্ঠানে উপস্থিত হতে না পারায় কিছুটা আক্ষেপ প্রকাশ করেন রাষ্ট্রপতি। তিনি আশা প্রকাশ করেন, ভবিষ্যতে নিরাপত্তা ব্যবস্থা আরও স্বাভাবিক ও শিথিল করে যাতে সাধারণ মানুষ আরও স্বাচ্ছন্দ্যে পূজা উদযাপন করতে পারেন, সেই পরিবেশ তৈরি হবে এবং অতিরিক্ত কঠোর নিরাপত্তার প্রয়োজন ফুরিয়ে আসবে।
/

আপনার মতামত লিখুন