বাগদাদে অনুষ্ঠিত ইসলামী সহযোগিতা সংস্থার (ওআইসি) পররাষ্ট্রমন্ত্রী পরিষদের বৈঠকের পার্শ্বসূচিতে কূটনৈতিক ও সরকারি পাসপোর্টধারীদের ভিসা অব্যাহতি এবং নিয়মিত রাজনৈতিক পরামর্শ চালুর বিষয়ে বাংলাদেশ ও ইরাকের মধ্যে দুটি গুরুত্বপূর্ণ সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষরিত হয়েছে।
শনিবার ইরাকের রাজধানী বাগদাদে বাংলাদেশের পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী হুমায়ুন কবির ও ইরাকের পররাষ্ট্রমন্ত্রী মোহাম্মদ হুসেইন নিজ নিজ দেশের পক্ষে এসব দ্বিপক্ষীয় চুক্তিতে স্বাক্ষর করেন।
পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের জনসংযোগ কর্মকর্তা মাহমুদুল হাসান এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে নিশ্চিত করেছেন, স্বাক্ষরিত প্রথম চুক্তি অনুযায়ী দুই দেশের কূটনৈতিক ও সরকারি পাসপোর্টধারীরা ভিসা ছাড়া ভ্রমণের সুবিধা পাবেন। দ্বিতীয় সমঝোতা স্মারকের মাধ্যমে বাংলাদেশ ও ইরাকের মধ্যকার বিদ্যমান দ্বিপক্ষীয় সম্পর্কের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ দিক নিয়ে নিয়মিত রাজনৈতিক আলোচনার জন্য একটি প্রাতিষ্ঠানিক কাঠামো ও কার্যকর প্ল্যাটফর্ম গড়ে তোলা হবে।
অনুষ্ঠানকালে দুই দেশের দায়িত্বপ্রাপ্ত মন্ত্রীরা দীর্ঘদিনের বন্ধুত্বপূর্ণ দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ক এবং বহুমুখী সমসাময়িক সহযোগিতা আরও গভীর করার সুদৃঢ় অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করেন।
তারা আশা প্রকাশ করেন, এই দুটি সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষরের ফলে উভয় রাষ্ট্রের মধ্যে যোগাযোগ বৃদ্ধিসহ অর্থনীতির বিভিন্ন ক্ষেত্রে দ্বিপক্ষীয় সহযোগিতার নতুন দিগন্ত উন্মোচিত হবে।
উল্লেখ্য, এই চুক্তি স্বাক্ষর অনুষ্ঠানে ইরাকে নিযুক্ত বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত মেজর জেনারেল মো. মাকসুদুল হকও উপস্থিত ছিলেন।

রোববার, ১৮ অক্টোবর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৭ অক্টোবর ২০২৬
বাগদাদে অনুষ্ঠিত ইসলামী সহযোগিতা সংস্থার (ওআইসি) পররাষ্ট্রমন্ত্রী পরিষদের বৈঠকের পার্শ্বসূচিতে কূটনৈতিক ও সরকারি পাসপোর্টধারীদের ভিসা অব্যাহতি এবং নিয়মিত রাজনৈতিক পরামর্শ চালুর বিষয়ে বাংলাদেশ ও ইরাকের মধ্যে দুটি গুরুত্বপূর্ণ সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষরিত হয়েছে।
শনিবার ইরাকের রাজধানী বাগদাদে বাংলাদেশের পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী হুমায়ুন কবির ও ইরাকের পররাষ্ট্রমন্ত্রী মোহাম্মদ হুসেইন নিজ নিজ দেশের পক্ষে এসব দ্বিপক্ষীয় চুক্তিতে স্বাক্ষর করেন।
পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের জনসংযোগ কর্মকর্তা মাহমুদুল হাসান এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে নিশ্চিত করেছেন, স্বাক্ষরিত প্রথম চুক্তি অনুযায়ী দুই দেশের কূটনৈতিক ও সরকারি পাসপোর্টধারীরা ভিসা ছাড়া ভ্রমণের সুবিধা পাবেন। দ্বিতীয় সমঝোতা স্মারকের মাধ্যমে বাংলাদেশ ও ইরাকের মধ্যকার বিদ্যমান দ্বিপক্ষীয় সম্পর্কের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ দিক নিয়ে নিয়মিত রাজনৈতিক আলোচনার জন্য একটি প্রাতিষ্ঠানিক কাঠামো ও কার্যকর প্ল্যাটফর্ম গড়ে তোলা হবে।
অনুষ্ঠানকালে দুই দেশের দায়িত্বপ্রাপ্ত মন্ত্রীরা দীর্ঘদিনের বন্ধুত্বপূর্ণ দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ক এবং বহুমুখী সমসাময়িক সহযোগিতা আরও গভীর করার সুদৃঢ় অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করেন।
তারা আশা প্রকাশ করেন, এই দুটি সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষরের ফলে উভয় রাষ্ট্রের মধ্যে যোগাযোগ বৃদ্ধিসহ অর্থনীতির বিভিন্ন ক্ষেত্রে দ্বিপক্ষীয় সহযোগিতার নতুন দিগন্ত উন্মোচিত হবে।
উল্লেখ্য, এই চুক্তি স্বাক্ষর অনুষ্ঠানে ইরাকে নিযুক্ত বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত মেজর জেনারেল মো. মাকসুদুল হকও উপস্থিত ছিলেন।

আপনার মতামত লিখুন