বান্দরবানে ধর্ষণের অভিযোগে জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) জেলা যুগ্ম আহ্বায়ক শৈক্যচিং মার্মাকে (৫৫) কারাগারে পাঠিয়েছেন আদালত। শনিবার (১৭ অক্টোবর) সকালে তাকে আদালতে হাজির করা হলে বিচারক কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন। এর আগে শুক্রবার (১৬ অক্টোবর) রাতে শহরের মধ্যম পাড়ার নিজ বাসা থেকে তাকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, জেলা শহরের মধ্যম পাড়ার বাসিন্দা মংশৈপ্রু মার্মার ছেলে শৈক্যচিং মার্মা টাকা ও বিয়ের প্রলোভন দেখিয়ে গত পাঁচ মাস ধরে এক নারীকে নিজের রিসোর্টে নিয়ে একাধিকবার ধর্ষণ করেন। সর্বশেষ গত বৃহস্পতিবার দুপুরে শহরের শিশুপার্ক এলাকার ‘সাইনী রিসোর্টে’ নিয়ে ওই নারীকে তিনি আবারও ধর্ষণ করেন বলে অভিযোগ ওঠে।
মামলার বিবরণ ও ভুক্তভোগীর ভাষ্যমতে, ঘটনার পর বিয়ের বিষয়ে কথা বলার সময় অভিযুক্ত শৈক্যচিং তাকে বিয়ে করতে অস্বীকৃতি জানান। এ নিয়ে তাদের মধ্যে কথা-কাটাকাটি শুরু হয়। একপর্যায়ে ওই নারীর ডাকচিকিৎকার শুনে আশপাশের লোকজন এগিয়ে এলে শৈক্যচিং পালিয়ে যান। পরবর্তীতে ভুক্তভোগী নারী বান্দরবান সদর থানায় বাদী হয়ে শৈক্যচিং মার্মার বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করেন। মামলা দায়েরের পরপরই অভিযান চালিয়ে পুলিশ তাকে গ্রেপ্তার করে।
বান্দরবান সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মাসুদ পারভেজ জানান, এক নারীর দায়ের করা ধর্ষণ মামলার প্রেক্ষিতে এনসিপি নেতা শৈক্যচিং মার্মাকে গ্রেপ্তার করে আদালতে সোপর্দ করা হয়। আদালত তাকে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দিয়েছেন।

শনিবার, ১৭ অক্টোবর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৭ অক্টোবর ২০২৬
বান্দরবানে ধর্ষণের অভিযোগে জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) জেলা যুগ্ম আহ্বায়ক শৈক্যচিং মার্মাকে (৫৫) কারাগারে পাঠিয়েছেন আদালত। শনিবার (১৭ অক্টোবর) সকালে তাকে আদালতে হাজির করা হলে বিচারক কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন। এর আগে শুক্রবার (১৬ অক্টোবর) রাতে শহরের মধ্যম পাড়ার নিজ বাসা থেকে তাকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, জেলা শহরের মধ্যম পাড়ার বাসিন্দা মংশৈপ্রু মার্মার ছেলে শৈক্যচিং মার্মা টাকা ও বিয়ের প্রলোভন দেখিয়ে গত পাঁচ মাস ধরে এক নারীকে নিজের রিসোর্টে নিয়ে একাধিকবার ধর্ষণ করেন। সর্বশেষ গত বৃহস্পতিবার দুপুরে শহরের শিশুপার্ক এলাকার ‘সাইনী রিসোর্টে’ নিয়ে ওই নারীকে তিনি আবারও ধর্ষণ করেন বলে অভিযোগ ওঠে।
মামলার বিবরণ ও ভুক্তভোগীর ভাষ্যমতে, ঘটনার পর বিয়ের বিষয়ে কথা বলার সময় অভিযুক্ত শৈক্যচিং তাকে বিয়ে করতে অস্বীকৃতি জানান। এ নিয়ে তাদের মধ্যে কথা-কাটাকাটি শুরু হয়। একপর্যায়ে ওই নারীর ডাকচিকিৎকার শুনে আশপাশের লোকজন এগিয়ে এলে শৈক্যচিং পালিয়ে যান। পরবর্তীতে ভুক্তভোগী নারী বান্দরবান সদর থানায় বাদী হয়ে শৈক্যচিং মার্মার বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করেন। মামলা দায়েরের পরপরই অভিযান চালিয়ে পুলিশ তাকে গ্রেপ্তার করে।
বান্দরবান সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মাসুদ পারভেজ জানান, এক নারীর দায়ের করা ধর্ষণ মামলার প্রেক্ষিতে এনসিপি নেতা শৈক্যচিং মার্মাকে গ্রেপ্তার করে আদালতে সোপর্দ করা হয়। আদালত তাকে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দিয়েছেন।

আপনার মতামত লিখুন