সংবাদ

হাম উপসর্গে ঝরল আরও ৭ প্রাণ, মৃত্যু বেড়ে ১১৯৬


সংবাদ ডিজিটাল রিপোর্ট
সংবাদ ডিজিটাল রিপোর্ট
প্রকাশ: ১৮ অক্টোবর ২০২৬, ০৬:১১ পিএম

হাম উপসর্গে ঝরল আরও ৭ প্রাণ, মৃত্যু বেড়ে ১১৯৬
ছবি : সংগৃহীত

দেশে গত ২৪ ঘণ্টায় হামের উপসর্গ নিয়ে সাতজনের মৃত্যু হয়েছে। একই সময়ে হামে আক্রান্ত বা উপসর্গ নিয়ে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন এক হাজার ৩১৯ জন। রোববার (১৮ অক্টোবর) স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের নিয়মিত হাম সংক্রান্ত বুলেটিনে এ তথ্য জানানো হয়।

স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, চলতি বছরের ১৫ মার্চ থেকে ১৮ অক্টোবর পর্যন্ত দেশে হামের উপসর্গ নিয়ে মারা গেছেন এক হাজার ৯২ জন। একই সময়ে পরীক্ষায় নিশ্চিত হওয়া হামে আক্রান্ত হয়ে মারা গেছেন আরও ১০৪ জন। সব মিলিয়ে এ সময়ে হাম ও হামের উপসর্গে মোট এক হাজার ১৯৬ জনের মৃত্যু হয়েছে।

দেশে মোট সন্দেহজনক হাম রোগীর সংখ্যা দাঁড়িয়েছে দুই লাখ ১৩ হাজার ২৪৪ জন। এর মধ্যে পরীক্ষায় নিশ্চিত হাম রোগী ২৩ হাজার ১২২ জন। মোট হাসপাতালে ভর্তি হয়েছে এক লাখ ৮৯ হাজার ৪৮৪ জন। তাদের মধ্যে চিকিৎসা শেষে সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরেছেন এক লাখ ৮১ হাজার ৭৫৬ জন।

চলতি বছরের শুরু থেকে দেশে হামের সংক্রমণ উদ্বেগজনক হারে বাড়তে থাকে। বিশেষ করে মার্চ মাসের পর থেকে হাসপাতালগুলোতে হাম আক্রান্ত শিশু ও বয়স্কদের ভিড় বাড়তে থাকে।

বিশেষজ্ঞরা বলছেন, করোনা মহামারির সময় টিকাদান কর্মসূচি বাধাগ্রস্ত হওয়া এবং পরবর্তীতে কিছু এলাকায় টিকা না নেওয়া শিশুদের মধ্যে সংক্রমণ দ্রুত ছড়িয়েছে। এ ছাড়া সাম্প্রতিক সময়ে সচেতনতার অভাব এবং হাসপাতালে রোগীর চাপ বেড়ে যাওয়ায় জটিল রোগীদের মৃত্যুঝুঁকি বেড়েছে।

স্বাস্থ্য অধিদপ্তর জানিয়েছে, পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনার জন্য আক্রান্ত এলাকাগুলোতে দ্রুতগতিতে টিকাদান কার্যক্রম জোরদার করা হচ্ছে। একই সঙ্গে হাসপাতালগুলোতে পর্যাপ্ত চিকিৎসা সুবিধা নিশ্চিত করার ওপরও জোর দেওয়া হচ্ছে।

চিকিৎসকরা বলছেন, হাম একটি অত্যন্ত সংক্রামক রোগ। এ সময়ে শিশুদের জ্বর, কাশি, চোখ লাল হওয়া বা শরীরে লালচে দাগ দেখা দিলে দ্রুত চিকিৎসকের শরণাপন্ন হতে হবে। আক্রান্তদের আলাদা রাখা এবং টিকা নেওয়া নিশ্চিত করলেই এই রোগের সংক্রমণ কমানো সম্ভব হবে।

আপনার মতামত লিখুন

সংবাদ

রোববার, ১৮ অক্টোবর ২০২৬


হাম উপসর্গে ঝরল আরও ৭ প্রাণ, মৃত্যু বেড়ে ১১৯৬

প্রকাশের তারিখ : ১৮ অক্টোবর ২০২৬

featured Image

দেশে গত ২৪ ঘণ্টায় হামের উপসর্গ নিয়ে সাতজনের মৃত্যু হয়েছে। একই সময়ে হামে আক্রান্ত বা উপসর্গ নিয়ে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন এক হাজার ৩১৯ জন। রোববার (১৮ অক্টোবর) স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের নিয়মিত হাম সংক্রান্ত বুলেটিনে এ তথ্য জানানো হয়।

স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, চলতি বছরের ১৫ মার্চ থেকে ১৮ অক্টোবর পর্যন্ত দেশে হামের উপসর্গ নিয়ে মারা গেছেন এক হাজার ৯২ জন। একই সময়ে পরীক্ষায় নিশ্চিত হওয়া হামে আক্রান্ত হয়ে মারা গেছেন আরও ১০৪ জন। সব মিলিয়ে এ সময়ে হাম ও হামের উপসর্গে মোট এক হাজার ১৯৬ জনের মৃত্যু হয়েছে।

দেশে মোট সন্দেহজনক হাম রোগীর সংখ্যা দাঁড়িয়েছে দুই লাখ ১৩ হাজার ২৪৪ জন। এর মধ্যে পরীক্ষায় নিশ্চিত হাম রোগী ২৩ হাজার ১২২ জন। মোট হাসপাতালে ভর্তি হয়েছে এক লাখ ৮৯ হাজার ৪৮৪ জন। তাদের মধ্যে চিকিৎসা শেষে সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরেছেন এক লাখ ৮১ হাজার ৭৫৬ জন।

চলতি বছরের শুরু থেকে দেশে হামের সংক্রমণ উদ্বেগজনক হারে বাড়তে থাকে। বিশেষ করে মার্চ মাসের পর থেকে হাসপাতালগুলোতে হাম আক্রান্ত শিশু ও বয়স্কদের ভিড় বাড়তে থাকে।

বিশেষজ্ঞরা বলছেন, করোনা মহামারির সময় টিকাদান কর্মসূচি বাধাগ্রস্ত হওয়া এবং পরবর্তীতে কিছু এলাকায় টিকা না নেওয়া শিশুদের মধ্যে সংক্রমণ দ্রুত ছড়িয়েছে। এ ছাড়া সাম্প্রতিক সময়ে সচেতনতার অভাব এবং হাসপাতালে রোগীর চাপ বেড়ে যাওয়ায় জটিল রোগীদের মৃত্যুঝুঁকি বেড়েছে।

স্বাস্থ্য অধিদপ্তর জানিয়েছে, পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনার জন্য আক্রান্ত এলাকাগুলোতে দ্রুতগতিতে টিকাদান কার্যক্রম জোরদার করা হচ্ছে। একই সঙ্গে হাসপাতালগুলোতে পর্যাপ্ত চিকিৎসা সুবিধা নিশ্চিত করার ওপরও জোর দেওয়া হচ্ছে।

চিকিৎসকরা বলছেন, হাম একটি অত্যন্ত সংক্রামক রোগ। এ সময়ে শিশুদের জ্বর, কাশি, চোখ লাল হওয়া বা শরীরে লালচে দাগ দেখা দিলে দ্রুত চিকিৎসকের শরণাপন্ন হতে হবে। আক্রান্তদের আলাদা রাখা এবং টিকা নেওয়া নিশ্চিত করলেই এই রোগের সংক্রমণ কমানো সম্ভব হবে।


সংবাদ

সম্পাদক ও প্রকাশক
আলতামাশ কবির

নির্বাহী সম্পাদক
শাহরিয়ার করিম

প্রধান, সংবাদ ডিজিটাল
রাশেদ আহমেদ


কপিরাইট © ২০২৬ | সংবাদ | সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত