কুষ্টিয়ার ছেঁউড়িয়ায় বাউলসম্রাট ফকির লালন সাঁইয়ের আখড়াবাড়ির ভেতর থেকে শক্তিশালী দুটি বোমা সদৃশ বস্তু উদ্ধার করেছে পুলিশ। পরে গভীর রাতে ঢাকা থেকে যাওয়া ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের (ডিএমপি) বোম ডিসপোজাল টিম সেগুলো নিষ্ক্রিয় করে।
রোববার (১৮ অক্টোবর) রাত আনুমানিক ১২টার দিকে আখড়াবাড়ির প্রধান ফটকের পাশ থেকে একটি পরিত্যক্ত ব্যাগে রাখা অবস্থায় এই বিস্ফোরক উদ্ধার করা হয়। উল্লেখ্য, লালন সাঁইয়ের ১৩৬তম তিরোধান দিবস উপলক্ষে সেখানে তিন দিনব্যাপী মেলা ও উৎসব চলছিল। সোমবার (১৯ অক্টোবর) রাতে আনুষ্ঠানিক আলোচনার মধ্য দিয়ে এই উৎসব শেষ হওয়ার কথা রয়েছে।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, রোববার দিবাগত রাত ১২টার দিকে আখড়াবাড়ির ভেতরের এক চা-দোকানি একটি পরিত্যক্ত সাদা রঙের ব্যাগ পড়ে থাকতে দেখেন। কৌতুহলবশত ব্যাগটি খুলতেই তিনি লাল টেপে পেঁচানো বোমা সদৃশ বস্তু, সঙ্গে দুটি সার্কিট ও দুই লিটার পেট্রোল দেখতে পান। বিষয়টি তাৎক্ষণিকভাবে কুমারখালী থানা-পুলিশ এবং মেলা আয়োজক কমিটিকে জানানো হয়। খবর পেয়ে পুলিশ, র্যাবসহ আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যরা দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে পুরো এলাকা ঘিরে ফেলেন এবং সুরক্ষার স্বার্থে মাজারের মূল ফটক বন্ধ করে দেন।
পরে রাত আড়াইটার দিকে ডিএমপির স্পেশাল রেসপন্স ইউনিটের (এসআরইউ) বোম ডিসপোজাল দলের সদস্যরা ঘটনাস্থলে পৌঁছে বোমা দুটি নিরাপদে নিষ্ক্রিয় করেন।
কুমারখালী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) জামাল উদ্দিন ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে জানান, বোমা উদ্ধারের পর আখড়াবাড়ির সার্বিক নিরাপত্তা বলয় আরও জোরদার করা হয়েছে। সিসিটিভি ফুটেজ বিশ্লেষণ করে এবং প্রত্যক্ষদর্শীদের জিজ্ঞাসাবাদ করে কে বা কারা উৎসবের পরিবেশ বিনষ্ট করতে বোমাটি রেখেছিল, তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে।

সোমবার, ১৯ অক্টোবর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৯ অক্টোবর ২০২৬
কুষ্টিয়ার ছেঁউড়িয়ায় বাউলসম্রাট ফকির লালন সাঁইয়ের আখড়াবাড়ির ভেতর থেকে শক্তিশালী দুটি বোমা সদৃশ বস্তু উদ্ধার করেছে পুলিশ। পরে গভীর রাতে ঢাকা থেকে যাওয়া ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের (ডিএমপি) বোম ডিসপোজাল টিম সেগুলো নিষ্ক্রিয় করে।
রোববার (১৮ অক্টোবর) রাত আনুমানিক ১২টার দিকে আখড়াবাড়ির প্রধান ফটকের পাশ থেকে একটি পরিত্যক্ত ব্যাগে রাখা অবস্থায় এই বিস্ফোরক উদ্ধার করা হয়। উল্লেখ্য, লালন সাঁইয়ের ১৩৬তম তিরোধান দিবস উপলক্ষে সেখানে তিন দিনব্যাপী মেলা ও উৎসব চলছিল। সোমবার (১৯ অক্টোবর) রাতে আনুষ্ঠানিক আলোচনার মধ্য দিয়ে এই উৎসব শেষ হওয়ার কথা রয়েছে।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, রোববার দিবাগত রাত ১২টার দিকে আখড়াবাড়ির ভেতরের এক চা-দোকানি একটি পরিত্যক্ত সাদা রঙের ব্যাগ পড়ে থাকতে দেখেন। কৌতুহলবশত ব্যাগটি খুলতেই তিনি লাল টেপে পেঁচানো বোমা সদৃশ বস্তু, সঙ্গে দুটি সার্কিট ও দুই লিটার পেট্রোল দেখতে পান। বিষয়টি তাৎক্ষণিকভাবে কুমারখালী থানা-পুলিশ এবং মেলা আয়োজক কমিটিকে জানানো হয়। খবর পেয়ে পুলিশ, র্যাবসহ আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যরা দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে পুরো এলাকা ঘিরে ফেলেন এবং সুরক্ষার স্বার্থে মাজারের মূল ফটক বন্ধ করে দেন।
পরে রাত আড়াইটার দিকে ডিএমপির স্পেশাল রেসপন্স ইউনিটের (এসআরইউ) বোম ডিসপোজাল দলের সদস্যরা ঘটনাস্থলে পৌঁছে বোমা দুটি নিরাপদে নিষ্ক্রিয় করেন।
কুমারখালী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) জামাল উদ্দিন ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে জানান, বোমা উদ্ধারের পর আখড়াবাড়ির সার্বিক নিরাপত্তা বলয় আরও জোরদার করা হয়েছে। সিসিটিভি ফুটেজ বিশ্লেষণ করে এবং প্রত্যক্ষদর্শীদের জিজ্ঞাসাবাদ করে কে বা কারা উৎসবের পরিবেশ বিনষ্ট করতে বোমাটি রেখেছিল, তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে।

আপনার মতামত লিখুন