রাজনৈতিক কারণে বাগেরহাটের মোড়েলগঞ্জে সাবেক এক সেনাসদস্যকে গ্রেপ্তারের পর তার মালিকানাধীন পাঁচটি দোকান পুড়িয়ে দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে। শুক্রবার (২৩ অক্টোবর) ভোরে উপজেলার পঞ্চকরণ ইউনিয়নের পাঁচগাঁও বাজারের সেতু সংলগ্ন এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। আগুনে ২৫ লাখ টাকারও বেশি ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে বলে দাবি করেছেন ক্ষতিগ্রস্ত ব্যবসায়ীরা।
গ্রেপ্তার হওয়া দোকানমালিকের নাম খান মজিবুর রহমান। স্থানীয় সূত্র জানায়, অগ্নিকাণ্ডের আগের দিন তাকে মোড়েলগঞ্জ থানা-পুলিশ গ্রেফতার করে।
শুক্রবার (২৩ অক্টোবর) ফজরের নামাজে যাওয়ার পথে স্থানীয় মুসল্লিরা আগুনে শিখা দেখতে পেয়ে নেভানোর চেষ্টা করেন। খবর পেয়ে ফায়ার সার্ভিসের একটি দল ঘটনাস্থলে পৌঁছে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে। আগুনে খান মজিবুর রহমানের নিজস্ব একটি মুদিদোকান, তিনটি ভাড়া দেওয়া দোকান ও একটি খালি দোকান সম্পূর্ণ ভস্মীভূত হয়।
ক্ষতিগ্রস্ত ভাড়াটিয়াদের মধ্যে নূরে আলম শিকদার জানান, তার রিকশা গ্যারেজ ও পুরোনো মালামালের দোকানে থাকা প্রায় এক লাখ টাকার ক্ষতি হয়েছে। ঔষুধ ব্যবসায়ী মো. মজুমদার জানান, তার ‘রোহান ফার্মেসি’র প্রায় পাঁচ লাখ টাকার ওষুধ পুড়ে গেছে। এ ছাড়া চা-দোকানি মো. শাহীনের প্রায় দুই লাখ টাকার মালামাল নষ্ট হয়েছে।
শুক্রবার (২৩ অক্টোবর) সকালে ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে পঞ্চকরণ ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি মো. জসিম উদ্দিন তালুকদার বলেন, ‘রাতের আঁধারে আগুন দিয়ে পাঁচটি পরিবারকে নিঃস্ব করে দেওয়া হয়েছে। ঘটনার নিরপেক্ষ তদন্ত করে দোষীদের আইনের আওতায় আনতে হবে।’
কারাগারে থাকা মজিবুর রহমানের মেয়ে মেহবুবা অভিযোগ করে বলেন, ‘আমার বাবার বিরুদ্ধে রাজনৈতিক উদ্দেশ্যে মিথ্যা মামলা দিয়ে তাকে কারাগারে পাঠানো হয়েছে। এরপরই আমাদের দোকানগুলো পুড়িয়ে দেওয়া হয়। বিভিন্ন ব্যাংকে আমাদের ২৫ লাখ টাকার ঋণ রয়েছে, যা নিয়ে আমরা দুশ্চিন্তায় আছি। এমন পরিস্থিতিতে মামলা বা আইনি পদক্ষেপ নেওয়ার সুযোগও পাচ্ছি না।’
ফায়ার সার্ভিসের লিডার মো. জাফর মোল্লা জানান, খবর পাওয়া মাত্রই ফায়ার সার্ভিস ঘটনাস্থলে পৌঁছে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে। তবে তদন্ত ছাড়া আগুন লাগার সঠিক কারণ ও ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ নির্ধারণ করা সম্ভব নয়।

শনিবার, ২৪ অক্টোবর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৪ অক্টোবর ২০২৬
রাজনৈতিক কারণে বাগেরহাটের মোড়েলগঞ্জে সাবেক এক সেনাসদস্যকে গ্রেপ্তারের পর তার মালিকানাধীন পাঁচটি দোকান পুড়িয়ে দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে। শুক্রবার (২৩ অক্টোবর) ভোরে উপজেলার পঞ্চকরণ ইউনিয়নের পাঁচগাঁও বাজারের সেতু সংলগ্ন এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। আগুনে ২৫ লাখ টাকারও বেশি ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে বলে দাবি করেছেন ক্ষতিগ্রস্ত ব্যবসায়ীরা।
গ্রেপ্তার হওয়া দোকানমালিকের নাম খান মজিবুর রহমান। স্থানীয় সূত্র জানায়, অগ্নিকাণ্ডের আগের দিন তাকে মোড়েলগঞ্জ থানা-পুলিশ গ্রেফতার করে।
শুক্রবার (২৩ অক্টোবর) ফজরের নামাজে যাওয়ার পথে স্থানীয় মুসল্লিরা আগুনে শিখা দেখতে পেয়ে নেভানোর চেষ্টা করেন। খবর পেয়ে ফায়ার সার্ভিসের একটি দল ঘটনাস্থলে পৌঁছে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে। আগুনে খান মজিবুর রহমানের নিজস্ব একটি মুদিদোকান, তিনটি ভাড়া দেওয়া দোকান ও একটি খালি দোকান সম্পূর্ণ ভস্মীভূত হয়।
ক্ষতিগ্রস্ত ভাড়াটিয়াদের মধ্যে নূরে আলম শিকদার জানান, তার রিকশা গ্যারেজ ও পুরোনো মালামালের দোকানে থাকা প্রায় এক লাখ টাকার ক্ষতি হয়েছে। ঔষুধ ব্যবসায়ী মো. মজুমদার জানান, তার ‘রোহান ফার্মেসি’র প্রায় পাঁচ লাখ টাকার ওষুধ পুড়ে গেছে। এ ছাড়া চা-দোকানি মো. শাহীনের প্রায় দুই লাখ টাকার মালামাল নষ্ট হয়েছে।
শুক্রবার (২৩ অক্টোবর) সকালে ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে পঞ্চকরণ ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি মো. জসিম উদ্দিন তালুকদার বলেন, ‘রাতের আঁধারে আগুন দিয়ে পাঁচটি পরিবারকে নিঃস্ব করে দেওয়া হয়েছে। ঘটনার নিরপেক্ষ তদন্ত করে দোষীদের আইনের আওতায় আনতে হবে।’
কারাগারে থাকা মজিবুর রহমানের মেয়ে মেহবুবা অভিযোগ করে বলেন, ‘আমার বাবার বিরুদ্ধে রাজনৈতিক উদ্দেশ্যে মিথ্যা মামলা দিয়ে তাকে কারাগারে পাঠানো হয়েছে। এরপরই আমাদের দোকানগুলো পুড়িয়ে দেওয়া হয়। বিভিন্ন ব্যাংকে আমাদের ২৫ লাখ টাকার ঋণ রয়েছে, যা নিয়ে আমরা দুশ্চিন্তায় আছি। এমন পরিস্থিতিতে মামলা বা আইনি পদক্ষেপ নেওয়ার সুযোগও পাচ্ছি না।’
ফায়ার সার্ভিসের লিডার মো. জাফর মোল্লা জানান, খবর পাওয়া মাত্রই ফায়ার সার্ভিস ঘটনাস্থলে পৌঁছে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে। তবে তদন্ত ছাড়া আগুন লাগার সঠিক কারণ ও ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ নির্ধারণ করা সম্ভব নয়।

আপনার মতামত লিখুন