গাজীপুর মহানগরের টঙ্গীর ‘ক্বারীউল কুরআন ইন্টারন্যাশনাল মাদরাসা’য় প্রথম শ্রেণির এক ছাত্রীকে উত্ত্যক্ত করার অভিযোগকে কেন্দ্র করে হামলা, শিক্ষককে রক্তাক্ত মারধর, ১৭ লাখ টাকা লুট ও ভাঙচুরের ঘটনায় পাল্টাপাল্টি দুটি মামলা দায়ের করা হয়েছে।
মামলার এজাহার ও থানা সূত্রে জানা যায়, অভিযুক্ত অভিভাবক শাহজালাল রুমি ১০ থেকে ১৫ জন বহিরাগত লোক সঙ্গে নিয়ে মাদরাসায় প্রবেশ করে তাণ্ডব চালান। তারা শিক্ষক মো. মোসলেম উদ্দিনকে মাথায় ভারী স্টেপলার দিয়ে আঘাত করে রক্তাক্ত করেন এবং পোশাক ছিঁড়ে মারধর করেন। বাধা দিতে গেলে উপাধ্যক্ষ, নিরাপত্তাপ্রহরী ও অন্যান্য শিক্ষক-শিক্ষিকাদের ওপরও হামলা চালানো হয়। একই সঙ্গে অফিস কক্ষের ড্রয়ারে জমি কেনার জন্য রাখা নগদ ১৭ লাখ টাকা লুট করা হয়েছে বলে অভিযোগে উল্লেখ করা হয়। পুরো ঘটনার সিসিটিভি ফুটেজ সংরক্ষিত রয়েছে বলে দাবি করেছে মাদ্রাসা কর্তৃপক্ষ।
টঙ্গী পশ্চিম থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আরিফুর রহমান জানান, মাদরাসায় কোনো ধর্ষণ বা বলাৎকারের ঘটনা ঘটেনি। শিশুটির বাবার দায়ের করা নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনের (উত্ত্যক্তকরণ) মামলায় শিক্ষক মো. মোসলেম উদ্দিনকে গ্রেফতার করে আদালতে পাঠানো হয়েছে। অন্যদিকে অনধিকার প্রবেশ, হামলা, নারী শিক্ষকদের মারধর ও ১৭ লাখ টাকা লুটের অভিযোগে মাদরাসার প্রিন্সিপাল বাদী হয়ে পৃথক মামলা করেছেন।
এদিকে, এই হামলার প্রতিবাদে শুক্রবার (২৩ অক্টোবর) বিকেলে মাদরাসার নিজস্ব ভবনের সামনে এক সংবাদ সম্মেলন ও প্রতিবাদ সমাবেশের আয়োজন করা হয়। প্রিন্সিপাল হেদায়েত উল্লাহ আজাদী, মাওলানা আলমাছ হোসেনসহ ধর্মীয় নেতারা উপস্থিত থেকে বলেন, ‘যেকোনো অভিযোগের সুষ্ঠু তদন্ত হতে হবে, তবে আইন নিজের হাতে তুলে নিয়ে শিক্ষককে মারধর ও প্রতিষ্ঠানে তাণ্ডব চালানো কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য নয়।’ তারা মাদরাসা শিক্ষাকে বিতর্কিত করতে পরিকল্পিতভাবে ‘মব’ সৃষ্টি ও ধর্ষণের গুজব ছড়ানোর অভিযোগ এনে দোষীদের দ্রুত গ্রেফতারের দাবি জানান।

শনিবার, ২৪ অক্টোবর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৪ অক্টোবর ২০২৬
গাজীপুর মহানগরের টঙ্গীর ‘ক্বারীউল কুরআন ইন্টারন্যাশনাল মাদরাসা’য় প্রথম শ্রেণির এক ছাত্রীকে উত্ত্যক্ত করার অভিযোগকে কেন্দ্র করে হামলা, শিক্ষককে রক্তাক্ত মারধর, ১৭ লাখ টাকা লুট ও ভাঙচুরের ঘটনায় পাল্টাপাল্টি দুটি মামলা দায়ের করা হয়েছে।
মামলার এজাহার ও থানা সূত্রে জানা যায়, অভিযুক্ত অভিভাবক শাহজালাল রুমি ১০ থেকে ১৫ জন বহিরাগত লোক সঙ্গে নিয়ে মাদরাসায় প্রবেশ করে তাণ্ডব চালান। তারা শিক্ষক মো. মোসলেম উদ্দিনকে মাথায় ভারী স্টেপলার দিয়ে আঘাত করে রক্তাক্ত করেন এবং পোশাক ছিঁড়ে মারধর করেন। বাধা দিতে গেলে উপাধ্যক্ষ, নিরাপত্তাপ্রহরী ও অন্যান্য শিক্ষক-শিক্ষিকাদের ওপরও হামলা চালানো হয়। একই সঙ্গে অফিস কক্ষের ড্রয়ারে জমি কেনার জন্য রাখা নগদ ১৭ লাখ টাকা লুট করা হয়েছে বলে অভিযোগে উল্লেখ করা হয়। পুরো ঘটনার সিসিটিভি ফুটেজ সংরক্ষিত রয়েছে বলে দাবি করেছে মাদ্রাসা কর্তৃপক্ষ।
টঙ্গী পশ্চিম থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আরিফুর রহমান জানান, মাদরাসায় কোনো ধর্ষণ বা বলাৎকারের ঘটনা ঘটেনি। শিশুটির বাবার দায়ের করা নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনের (উত্ত্যক্তকরণ) মামলায় শিক্ষক মো. মোসলেম উদ্দিনকে গ্রেফতার করে আদালতে পাঠানো হয়েছে। অন্যদিকে অনধিকার প্রবেশ, হামলা, নারী শিক্ষকদের মারধর ও ১৭ লাখ টাকা লুটের অভিযোগে মাদরাসার প্রিন্সিপাল বাদী হয়ে পৃথক মামলা করেছেন।
এদিকে, এই হামলার প্রতিবাদে শুক্রবার (২৩ অক্টোবর) বিকেলে মাদরাসার নিজস্ব ভবনের সামনে এক সংবাদ সম্মেলন ও প্রতিবাদ সমাবেশের আয়োজন করা হয়। প্রিন্সিপাল হেদায়েত উল্লাহ আজাদী, মাওলানা আলমাছ হোসেনসহ ধর্মীয় নেতারা উপস্থিত থেকে বলেন, ‘যেকোনো অভিযোগের সুষ্ঠু তদন্ত হতে হবে, তবে আইন নিজের হাতে তুলে নিয়ে শিক্ষককে মারধর ও প্রতিষ্ঠানে তাণ্ডব চালানো কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য নয়।’ তারা মাদরাসা শিক্ষাকে বিতর্কিত করতে পরিকল্পিতভাবে ‘মব’ সৃষ্টি ও ধর্ষণের গুজব ছড়ানোর অভিযোগ এনে দোষীদের দ্রুত গ্রেফতারের দাবি জানান।

আপনার মতামত লিখুন