যশোর সদর উপজেলার খড়কি কাসারদিঘি এলাকায় স্থানীয় এক বিএনপি সমর্থকের বাড়িতে বোমা বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটেছে। তবে এ ঘটনায় কেউ হতাহত হননি।
সোমবার দিবাগত রাত ১টা ২০ মিনিটের দিকে বাড়ির নিচতলার জানালার কাছে এ বিস্ফোরণ ঘটে। বিকট শব্দের এই বিস্ফোরণে একটি ঘরের জানালা ভেঙে যায় এবং চারপাশ ধোঁয়ায় আচ্ছন্ন হয়ে পড়ে। এতে পরিবার ও আশপাশের লোকজনের মধ্যে তীব্র আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে বিভিন্ন আলামত সংগ্রহ করে।
বাড়িটির মালিক আব্দুল বাছিত মোল্লা খাদিমুল ইসলামের ছেলে। তিনি জানান, গভীর রাতে বিকট শব্দে ঘুম ভেঙে নিচে নেমে তিনি ঘরের ভেতর ও বাইরে ধোঁয়া দেখতে পান। বিস্ফোরণে জানালার কাচ ও ফ্রেম ক্ষতিগ্রস্ত হয়। পরে স্থানীয় লোকজন এগিয়ে আসেন।
ভুক্তভোগীর দাবি, এলাকায় মাদক ব্যবসা, মাদকসেবন, সন্ত্রাস ও কিশোর গ্যাংয়ের তৎপরতা প্রতিরোধে স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিদের নিয়ে একটি কমিটি গঠনের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। এ লক্ষ্যে ইতিমধ্যে ৫ নম্বর ওয়ার্ডের বিভিন্ন পয়েন্টে একাধিক সভা করা হয়েছে এবং আরও কয়েকটি সভা করার পরিকল্পনা রয়েছে। মাদক ও অপরাধের বিরুদ্ধে এই সামাজিক উদ্যোগ নেওয়ার কারণে কোনো কুচক্রী মহল তাঁকে ভয়ভীতি দেখাতে এই ঘটনা ঘটিয়ে থাকতে পারে বলে তাঁর ধারণা।
এলাকার কয়েকজন গণ্যমান্য ব্যক্তি জানান, যশোর শহরকে অপরাধমুক্ত করতে তারা সম্মিলিতভাবে কাজ করছেন। এই ধরনের নাশকতামূলক কর্মকাণ্ড চালিয়ে তাঁদের সামাজিক আন্দোলন থামানো যাবে না। মাদক ও সন্ত্রাসবিরোধী কমিটি গঠনের কার্যক্রম যথারীতি অব্যাহত থাকবে।
এ বিষয়ে যশোর কোতোয়ালি মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) কবীর হোসেন বলেন, ‘রাত দেড়টার দিকে খবর পেয়ে পুলিশের একাধিক দল ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে এবং প্রয়োজনীয় আলামত সংগ্রহ করে। এ ঘটনায় থানায় লিখিত অভিযোগ দেওয়া হয়েছে।’
তিনি আরও জানান, বিস্ফোরণের প্রকৃত কারণ কী, এর সঙ্গে কারা জড়িত এবং সামাজিক আন্দোলন বা অন্য কোনো বিষয়ের সঙ্গে এর কোনো যোগসূত্র রয়েছে কি না—তা পুলিশি তদন্তের পর নিশ্চিত হওয়া যাবে।

মঙ্গলবার, ২৭ অক্টোবর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৭ অক্টোবর ২০২৬
যশোর সদর উপজেলার খড়কি কাসারদিঘি এলাকায় স্থানীয় এক বিএনপি সমর্থকের বাড়িতে বোমা বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটেছে। তবে এ ঘটনায় কেউ হতাহত হননি।
সোমবার দিবাগত রাত ১টা ২০ মিনিটের দিকে বাড়ির নিচতলার জানালার কাছে এ বিস্ফোরণ ঘটে। বিকট শব্দের এই বিস্ফোরণে একটি ঘরের জানালা ভেঙে যায় এবং চারপাশ ধোঁয়ায় আচ্ছন্ন হয়ে পড়ে। এতে পরিবার ও আশপাশের লোকজনের মধ্যে তীব্র আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে বিভিন্ন আলামত সংগ্রহ করে।
বাড়িটির মালিক আব্দুল বাছিত মোল্লা খাদিমুল ইসলামের ছেলে। তিনি জানান, গভীর রাতে বিকট শব্দে ঘুম ভেঙে নিচে নেমে তিনি ঘরের ভেতর ও বাইরে ধোঁয়া দেখতে পান। বিস্ফোরণে জানালার কাচ ও ফ্রেম ক্ষতিগ্রস্ত হয়। পরে স্থানীয় লোকজন এগিয়ে আসেন।
ভুক্তভোগীর দাবি, এলাকায় মাদক ব্যবসা, মাদকসেবন, সন্ত্রাস ও কিশোর গ্যাংয়ের তৎপরতা প্রতিরোধে স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিদের নিয়ে একটি কমিটি গঠনের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। এ লক্ষ্যে ইতিমধ্যে ৫ নম্বর ওয়ার্ডের বিভিন্ন পয়েন্টে একাধিক সভা করা হয়েছে এবং আরও কয়েকটি সভা করার পরিকল্পনা রয়েছে। মাদক ও অপরাধের বিরুদ্ধে এই সামাজিক উদ্যোগ নেওয়ার কারণে কোনো কুচক্রী মহল তাঁকে ভয়ভীতি দেখাতে এই ঘটনা ঘটিয়ে থাকতে পারে বলে তাঁর ধারণা।
এলাকার কয়েকজন গণ্যমান্য ব্যক্তি জানান, যশোর শহরকে অপরাধমুক্ত করতে তারা সম্মিলিতভাবে কাজ করছেন। এই ধরনের নাশকতামূলক কর্মকাণ্ড চালিয়ে তাঁদের সামাজিক আন্দোলন থামানো যাবে না। মাদক ও সন্ত্রাসবিরোধী কমিটি গঠনের কার্যক্রম যথারীতি অব্যাহত থাকবে।
এ বিষয়ে যশোর কোতোয়ালি মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) কবীর হোসেন বলেন, ‘রাত দেড়টার দিকে খবর পেয়ে পুলিশের একাধিক দল ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে এবং প্রয়োজনীয় আলামত সংগ্রহ করে। এ ঘটনায় থানায় লিখিত অভিযোগ দেওয়া হয়েছে।’
তিনি আরও জানান, বিস্ফোরণের প্রকৃত কারণ কী, এর সঙ্গে কারা জড়িত এবং সামাজিক আন্দোলন বা অন্য কোনো বিষয়ের সঙ্গে এর কোনো যোগসূত্র রয়েছে কি না—তা পুলিশি তদন্তের পর নিশ্চিত হওয়া যাবে।

আপনার মতামত লিখুন