জামায়াতে ইসলামীর ঢাকা থেকে খুলনাগামী লংমার্চে গোপালগঞ্জে পথসভা না করার ঘোষণা দেওয়ার পর এই সিদ্ধান্তের তীব্র সমালোচনা করে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে এক পোস্টে প্রশ্ন তুলেছেন প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক সহকারী (সচিব পদমর্যাদা) রাশেদ খাঁন।
শনিবার নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক অ্যাকাউন্টে দেওয়া এক পোস্টে রাশেদ খাঁন লিখেছেন, জামায়াতে ইসলামী ঢাকা থেকে লংমার্চ করে খুলনা যাচ্ছে এবং পথিমধ্যে সব জেলায় পথসভা করলেও শুধুমাত্র গোপালগঞ্জে কোনো সভা করবে না। এই বিষয়টি নিয়ে তারা আবার আনুষ্ঠানিকভাবে প্রেস ব্রিফিং করে ঘোষণাও দিয়েছে।
একটি রাজনৈতিক দল কতটা অপরিপক্ক হলে এ ধরনের বিষয়ে প্রেস ব্রিফিং করে জাতিকে জানাতে পারে, সেই প্রশ্ন তুলেছেন তিনি।
পোস্টে জামায়াতের নেতাদের বক্তব্যের কঠোর সমালোচনা করে রাশেদ খাঁন আরও লেখেন, অথচ এই দলটি প্রায়ই তাদের বিভিন্ন জনসভায় বা বক্তব্যে বলে থাকে, তারা মহান আল্লাহ ছাড়া অন্য কাউকেই ভয় করে না। কিন্তু অদ্ভুত বিষয় হলো, কেবল গোপালগঞ্জবাসীর ভয়েই জামায়াতে ইসলামী সেখানে কোনো পথসভা করবে না বলে সিদ্ধান্ত নিয়েছে।
ব্যঙ্গাত্মক সুরে তিনি মন্তব্য করেন, এই যদি তাদের ঈমান এবং এই যদি তাদের সাহসের নমুনা হয়, তবে তা অত্যন্ত হাস্যকর।
সাদিক কায়েমদের সাম্প্রতিক কর্মকাণ্ডের কথা টেনে এনে তিনি লেখেন, ঠিক এই ধরনের অপরিপক্ক ঈমান ও সাহস নিয়েই নাকি সাদিক কায়েমরা একসময় গণভবন দখলের বিশাল নকশা রেডি করে ফেলেছিল! তাহলে আজ তারা একটু সাহস করে গোপালগঞ্জ দখলের একটা নকশা রেডি করে ‘লংমার্চ টু গোপালগঞ্জ’ কর্মসূচি পালন করতে পারল না কেন?
তিনি আরও উল্লেখ করেন, মূলত জামায়াত জোট কোনো ধরনের রাজনৈতিক ঝামেলায় জড়াতে চায় না এবং তারা কোনো ধরনের ঝুঁকিও নিতে রাজি নয়। বিরোধী দল হিসেবে নিজেদের অবস্থান ধরে রাখতে গিয়ে তারা মনে করছে যে গোপালগঞ্জেও পথসভা করলে সেটি সরকারের বিরুদ্ধে বড় ধরনের উস্কানি হয়ে দাঁড়াতে পারে। আর সে কারণেই লংমার্চকে সফল করার জন্য জামায়াতের সেক্রেটারি জেনারেল মিয়া গোলাম পরওয়ার দলীয়ভাবে গোপালগঞ্জবাসীর বিশেষ দোয়া কামনা করেছেন।
পোস্টের শেষ পর্যায়ে সাধারণ মানুষের প্রত্যাশার কথা তুলে ধরে রাশেদ খাঁন লেখেন, এ দেশের সাধারণ জনগণ জামায়াতের কাছ থেকে অন্তত একটি শক্তিশালী রাজনৈতিক ফাইট বা লড়াই দেখতে চেয়েছিল। জামায়াত যদি সত্যিই সাহস করে গোপালগঞ্জ অভিমুখে লংমার্চ নিয়ে গিয়ে গোপালগঞ্জকে নিজেদের মতো করে স্বাধীন ঘোষণা করে দেখাতে পারত, তবেই না হয় দেশের মানুষ বিশ্বাস করত যে সাদিক কায়েমরা সত্যিই অতীতে গণভবন দখলের কোনো বাস্তবসম্মত নকশা তৈরি করতে পেরেছিল!

শনিবার, ৩১ অক্টোবর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ৩১ অক্টোবর ২০২৬
জামায়াতে ইসলামীর ঢাকা থেকে খুলনাগামী লংমার্চে গোপালগঞ্জে পথসভা না করার ঘোষণা দেওয়ার পর এই সিদ্ধান্তের তীব্র সমালোচনা করে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে এক পোস্টে প্রশ্ন তুলেছেন প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক সহকারী (সচিব পদমর্যাদা) রাশেদ খাঁন।
শনিবার নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক অ্যাকাউন্টে দেওয়া এক পোস্টে রাশেদ খাঁন লিখেছেন, জামায়াতে ইসলামী ঢাকা থেকে লংমার্চ করে খুলনা যাচ্ছে এবং পথিমধ্যে সব জেলায় পথসভা করলেও শুধুমাত্র গোপালগঞ্জে কোনো সভা করবে না। এই বিষয়টি নিয়ে তারা আবার আনুষ্ঠানিকভাবে প্রেস ব্রিফিং করে ঘোষণাও দিয়েছে।
একটি রাজনৈতিক দল কতটা অপরিপক্ক হলে এ ধরনের বিষয়ে প্রেস ব্রিফিং করে জাতিকে জানাতে পারে, সেই প্রশ্ন তুলেছেন তিনি।
পোস্টে জামায়াতের নেতাদের বক্তব্যের কঠোর সমালোচনা করে রাশেদ খাঁন আরও লেখেন, অথচ এই দলটি প্রায়ই তাদের বিভিন্ন জনসভায় বা বক্তব্যে বলে থাকে, তারা মহান আল্লাহ ছাড়া অন্য কাউকেই ভয় করে না। কিন্তু অদ্ভুত বিষয় হলো, কেবল গোপালগঞ্জবাসীর ভয়েই জামায়াতে ইসলামী সেখানে কোনো পথসভা করবে না বলে সিদ্ধান্ত নিয়েছে।
ব্যঙ্গাত্মক সুরে তিনি মন্তব্য করেন, এই যদি তাদের ঈমান এবং এই যদি তাদের সাহসের নমুনা হয়, তবে তা অত্যন্ত হাস্যকর।
সাদিক কায়েমদের সাম্প্রতিক কর্মকাণ্ডের কথা টেনে এনে তিনি লেখেন, ঠিক এই ধরনের অপরিপক্ক ঈমান ও সাহস নিয়েই নাকি সাদিক কায়েমরা একসময় গণভবন দখলের বিশাল নকশা রেডি করে ফেলেছিল! তাহলে আজ তারা একটু সাহস করে গোপালগঞ্জ দখলের একটা নকশা রেডি করে ‘লংমার্চ টু গোপালগঞ্জ’ কর্মসূচি পালন করতে পারল না কেন?
তিনি আরও উল্লেখ করেন, মূলত জামায়াত জোট কোনো ধরনের রাজনৈতিক ঝামেলায় জড়াতে চায় না এবং তারা কোনো ধরনের ঝুঁকিও নিতে রাজি নয়। বিরোধী দল হিসেবে নিজেদের অবস্থান ধরে রাখতে গিয়ে তারা মনে করছে যে গোপালগঞ্জেও পথসভা করলে সেটি সরকারের বিরুদ্ধে বড় ধরনের উস্কানি হয়ে দাঁড়াতে পারে। আর সে কারণেই লংমার্চকে সফল করার জন্য জামায়াতের সেক্রেটারি জেনারেল মিয়া গোলাম পরওয়ার দলীয়ভাবে গোপালগঞ্জবাসীর বিশেষ দোয়া কামনা করেছেন।
পোস্টের শেষ পর্যায়ে সাধারণ মানুষের প্রত্যাশার কথা তুলে ধরে রাশেদ খাঁন লেখেন, এ দেশের সাধারণ জনগণ জামায়াতের কাছ থেকে অন্তত একটি শক্তিশালী রাজনৈতিক ফাইট বা লড়াই দেখতে চেয়েছিল। জামায়াত যদি সত্যিই সাহস করে গোপালগঞ্জ অভিমুখে লংমার্চ নিয়ে গিয়ে গোপালগঞ্জকে নিজেদের মতো করে স্বাধীন ঘোষণা করে দেখাতে পারত, তবেই না হয় দেশের মানুষ বিশ্বাস করত যে সাদিক কায়েমরা সত্যিই অতীতে গণভবন দখলের কোনো বাস্তবসম্মত নকশা তৈরি করতে পেরেছিল!

আপনার মতামত লিখুন