নওগাঁয় সিজারিয়ান অস্ত্রোপচারের পর যমজ নবজাতকের একজনকে পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হলেও অপর সন্তান উধাও হয়ে যাওয়ার অভিযোগ উঠেছে। প্রসূতির স্বজনদের দাবি, অস্ত্রোপচারের আগে পৃথক দুটি ডায়াগনস্টিক সেন্টারের আল্ট্রাসনোগ্রাম প্রতিবেদনে দুটি জীবিত ভ্রূণের উপস্থিতি নিশ্চিত করা হয়েছিল। এ ঘটনায় বলাকা ক্লিনিক কর্তৃপক্ষের বিরুদ্ধে বিষয়টি ধামাচাপা দিতে মোটা অঙ্কের অর্থের প্রস্তাব দেওয়ার অভিযোগ করেছেন নবজাতকের বাবা শান্ত ইসলাম।
বৃহস্পতিবার (৫ নভেম্বর) বিকেলে নওগাঁ শহরের বলাকা ক্লিনিকে ডা. মাহফুজা খাতুনের অধীনে প্রসূতি শান্তনা আক্তারের সিজারিয়ান অস্ত্রোপচার হয়। পরে স্বজনদের একটি কন্যাশিশু হস্তান্তর করা হলে তারা দ্বিতীয় সন্তানের বিষয়ে জানতে চান। অভিযোগ উঠেছে, এ নিয়ে প্রতিবাদ করায় প্রসূতির পেটের কাটা অংশ সেলাই না করে প্রায় ৩০-৪৫ মিনিট ফেলে রাখা হয় এবং ভয়ভীতি দেখিয়ে ভিডিও ধারণ করা হয়।
ভুক্তভোগী পরিবার ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত ও সন্তান ফিরে পেতে নওগাঁ সদর থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন। এ বিষয়ে ক্লিনিক মালিক জানান, সন্তানের বিষয়টি চিকিৎসকই ভালো বলতে পারবেন। অন্যদিকে জেলা পুলিশের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মুহাম্মদ মনিরুল ইসলাম জানান, অভিযোগের প্রেক্ষিতে পুলিশ তদন্ত শুরু করেছে।

শুক্রবার, ০৬ নভেম্বর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৬ নভেম্বর ২০২৬
নওগাঁয় সিজারিয়ান অস্ত্রোপচারের পর যমজ নবজাতকের একজনকে পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হলেও অপর সন্তান উধাও হয়ে যাওয়ার অভিযোগ উঠেছে। প্রসূতির স্বজনদের দাবি, অস্ত্রোপচারের আগে পৃথক দুটি ডায়াগনস্টিক সেন্টারের আল্ট্রাসনোগ্রাম প্রতিবেদনে দুটি জীবিত ভ্রূণের উপস্থিতি নিশ্চিত করা হয়েছিল। এ ঘটনায় বলাকা ক্লিনিক কর্তৃপক্ষের বিরুদ্ধে বিষয়টি ধামাচাপা দিতে মোটা অঙ্কের অর্থের প্রস্তাব দেওয়ার অভিযোগ করেছেন নবজাতকের বাবা শান্ত ইসলাম।
বৃহস্পতিবার (৫ নভেম্বর) বিকেলে নওগাঁ শহরের বলাকা ক্লিনিকে ডা. মাহফুজা খাতুনের অধীনে প্রসূতি শান্তনা আক্তারের সিজারিয়ান অস্ত্রোপচার হয়। পরে স্বজনদের একটি কন্যাশিশু হস্তান্তর করা হলে তারা দ্বিতীয় সন্তানের বিষয়ে জানতে চান। অভিযোগ উঠেছে, এ নিয়ে প্রতিবাদ করায় প্রসূতির পেটের কাটা অংশ সেলাই না করে প্রায় ৩০-৪৫ মিনিট ফেলে রাখা হয় এবং ভয়ভীতি দেখিয়ে ভিডিও ধারণ করা হয়।
ভুক্তভোগী পরিবার ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত ও সন্তান ফিরে পেতে নওগাঁ সদর থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন। এ বিষয়ে ক্লিনিক মালিক জানান, সন্তানের বিষয়টি চিকিৎসকই ভালো বলতে পারবেন। অন্যদিকে জেলা পুলিশের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মুহাম্মদ মনিরুল ইসলাম জানান, অভিযোগের প্রেক্ষিতে পুলিশ তদন্ত শুরু করেছে।

আপনার মতামত লিখুন