কক্সবাজারের টেকনাফের দুর্গম পাহাড়ে তিনটি মরদেহের খবর ছড়িয়ে পড়ার পর শনিবার সকালে বড় পরিসরে অভিযান চালিয়েছে যৌথ বাহিনী। লেদা ও রঙ্গিখালীর গহিন পাহাড়ে কয়েক কিলোমিটার এলাকাজুড়ে তল্লাশি চালিয়েও মরদেহগুলোর সন্ধান পাওয়া যায়নি। তবে মানবপাচারকারীদের ব্যবহৃত আস্তানা থেকে রান্নাবান্নার বিভিন্ন সরঞ্জাম উদ্ধার করা হয়েছে। অভিযানে দেড় শতাধিক সদস্য অংশ নেন। এদিকে মানবপাচারকারীদের আস্তানা থেকে উদ্ধার হওয়া ৫৬ জনকে পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।
শনিবার (৭ নভেম্বর) সকাল সাড়ে সাতটা থেকে টেকনাফ উপজেলার হ্নীলা ইউনিয়নের লেদা ও রঙ্গিখালীর দুর্গম পাহাড়ে এ অভিযান শুরু হয়। বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর ১০ পদাতিক ডিভিশনের নেতৃত্বে অভিযানে সেনাবাহিনী, বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি), এপিবিএন ও পুলিশের দেড় শতাধিক সদস্য অংশ নেন।
অভিযানে সঙ্গে থাকা হ্নীলা ইউনিয়ন পরিষদের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান মোহাম্মদ আলী গণমাধ্যমকে বলেন, ‘রঙ্গিখালী ও লেদা রোহিঙ্গা আশ্রয়শিবিরের পেছনের গহিন পাহাড়ে সকাল থেকে তল্লাশি চালানো হয়। কয়েক কিলোমিটার এলাকাজুড়ে অনুসন্ধান করেও কোনো মরদেহের সন্ধান পাওয়া যায়নি। তবে মানবপাচারকারীদের ব্যবহৃত আস্তানা থেকে রান্নার কাজে ব্যবহৃত বিভিন্ন সরঞ্জাম উদ্ধার করা হয়েছে।’
এর আগে গত বৃহস্পতিবার (৫ নভেম্বর) একই এলাকায় মানবপাচারকারীদের গোপন বন্দিশালায় অভিযান চালিয়ে ৫৬ জনকে উদ্ধার করে যৌথ বাহিনী। এ সময় মানবপাচারকারী সন্দেহে ছয়জনকে আটক করা হয়। অভিযান চলার সময় সশস্ত্র পাচারকারীদের সঙ্গে যৌথ বাহিনীর গোলাগুলি হয়। এতে সেনাবাহিনীর সৈনিক মোহাম্মদ তিতাস শেখ (২৯) গুলিবিদ্ধ হয়ে নিহত হন। শুক্রবার সন্ধ্যায় সামরিক আনুষ্ঠানিকতা শেষে রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় ফরিদপুরের নগরকান্দা উপজেলার লস্করদিয়া গ্রামের পারিবারিক কবরস্থানে তাঁকে দাফন করা হয়।
উদ্ধার হওয়া ৫৬ জনকে শুক্রবার রাতে টেকনাফ মডেল থানা থেকে তাঁদের পরিবারের সদস্যদের কাছে হস্তান্তর করা হয়। তাঁদের মধ্যে ছয়জন রোহিঙ্গা ও ৫০ জন বাংলাদেশি নাগরিক।
বৃহস্পতিবারের অভিযানের পর শুক্রবার সন্ধ্যায় রঙ্গিখালী ও লেদা রোহিঙ্গা আশ্রয়শিবিরসংলগ্ন গহিন পাহাড়ে আরও তিনটি মরদেহ পড়ে থাকার খবর ছড়িয়ে পড়ে। বিভিন্ন গণমাধ্যমেও এ নিয়ে সংবাদ প্রকাশিত হয়।
উদ্ধার হওয়া ভুক্তভোগী শহীদুল ইসলাম দাবি করেন, দুই পক্ষের গোলাগুলিতে একাধিক ব্যক্তি নিহত হয়েছেন বলে তিনি শুনেছেন। বন্দিশালার কাছাকাছি তিনটি মরদেহ পড়ে থাকতে দেখেছেন বলেও জানান তিনি। তবে মরদেহগুলো মানবপাচারকারী চক্রের সদস্যদের, নাকি বন্দিশশা থেকে পালিয়ে যাওয়া কোনো ভুক্তভোগীর, তা নিশ্চিত করতে পারেননি।
কক্সবাজারের পুলিশ সুপার এ এন এম সাজেদুর রহমান বলেন, ‘টেকনাফে মানবপাচারকারী চক্রের বিরুদ্ধে যৌথ বাহিনীর অভিযান চলছে। লেদা ও রঙ্গিখালীর গহিন পাহাড়ে তল্লাশি চালিয়েও এখন পর্যন্ত কোনো মরদেহের সন্ধান পাওয়া যায়নি। তবে গোয়েন্দা নজরদারি বাড়ানো হয়েছে।’
তিনি আরও বলেন, মানবপাচারকারী চক্রের তৎপরতা সম্পূর্ণরূপে নির্মূল না হওয়া পর্যন্ত যৌথ বাহিনীর অভিযান অব্যাহত থাকবে।
উদ্ধার হওয়া ব্যক্তিদের বর্ণনায় পাহাড়ের গোপন বন্দিশালায় মানবপাচারকারীদের প্রতারণা, নির্যাতন ও জিম্মি করে রাখার ভয়ংকর চিত্র উঠে এসেছে। ভুক্তভোগী আসাদুজ্জামান জানান, চাকরির প্রলোভন দেখিয়ে তাঁকে কক্সবাজারে ডেকে আনা হয়। পরে পাহাড়ের একটি গোপন আস্তানায় আটকে রাখা হয়। সেখানে টানা আট দিন বন্দী ছিলেন তিনি। এ সময় দুবার পালানোর চেষ্টা করেও ব্যর্থ হন।
আসাদুজ্জামান বলেন, ‘বন্দিশালাটিতে ৫০ জনের বেশি মানুষকে আটকে রাখা হয়েছিল। তাদের সমুদ্রপথে পাচারের প্রস্তুতি চলছিল। সশস্ত্র ব্যক্তিরা পাহাড়ি আস্তানাটি পাহারা দিতেন। বন্দিদের মুঠোফোনসহ ব্যক্তিগত জিনিসপত্র কেড়ে নেওয়ায় বাইরে কারও সঙ্গে যোগাযোগের সুযোগ ছিল না।’
এদিকে সেনাসদস্য তিতাস শেখ নিহত হওয়ার ঘটনায় এখনো টেকনাফ মডেল থানায় মামলা নথিভুক্ত হয়নি। তবে মামলা দায়েরের প্রক্রিয়া চলছে বলে জানিয়েছেন থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. সাইফুল ইসলাম।
ওসি বলেন, ‘মানবপাচারকারী চক্রের বিরুদ্ধে সেনাবাহিনীর নেতৃত্বে যৌথ বাহিনীর অভিযান চলছে। এ পর্যন্ত ছয়জনকে আটক করা হয়েছে। তাঁদের জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে। তদন্তের স্বার্থে এবং অভিযান শেষ না হওয়ায় আপাতত তাঁদের পরিচয় প্রকাশ করা হচ্ছে না।’ তিনি আরও জানান, গত অক্টোবর মাসে টেকনাফ মডেল থানায় মানবপাচারের অভিযোগে তিনটি মামলা হয়েছে। এসব মামলায় ১৭ জনকে আসামি করা হয়েছে। তাঁদের মধ্যে ১৬ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।
স্থানীয় সূত্র ও ভুক্তভোগীদের বক্তব্য অনুযায়ী, টেকনাফের পাহাড়ি অঞ্চল দীর্ঘদিন ধরে মানবপাচারকারী চক্রের গোপন আস্তানা ও বন্দিশালা হিসেবে ব্যবহৃত হয়ে আসছে। চাকরি কিংবা বিদেশে পাঠানোর প্রলোভন দেখিয়ে লোকজনকে এসব আস্তানায় এনে জিম্মি করা হয়। পরে পরিবারের কাছ থেকে মুক্তিপণ আদায় অথবা সমুদ্রপথে পাচারের চেষ্টা করা হয়।
বৃহস্পতিবারের অভিযানে এক সেনাসদস্য নিহত হওয়ার পর নতুন করে তিনটি মরদেহ পড়ে থাকার খবর ছড়িয়ে পড়ায় পাহাড়জুড়ে তল্লাশি জোরদার করা হয়। তবে শনিবারের অভিযানে মরদেহগুলোর সন্ধান না মেলায় সেগুলো সরিয়ে নেওয়া হয়েছে কি না, তা নিয়ে স্থানীয়দের মধ্যে আলোচনা চলছে। স্থানীয় কয়েকজনের ধারণা, যৌথ বাহিনীর অভিযান শুরুর আগেই গভীর রাতে মরদেহগুলো সরিয়ে নিতে পারে মানবপাচার চক্রের সদস্যরা।

শনিবার, ০৭ নভেম্বর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৭ নভেম্বর ২০২৬
কক্সবাজারের টেকনাফের দুর্গম পাহাড়ে তিনটি মরদেহের খবর ছড়িয়ে পড়ার পর শনিবার সকালে বড় পরিসরে অভিযান চালিয়েছে যৌথ বাহিনী। লেদা ও রঙ্গিখালীর গহিন পাহাড়ে কয়েক কিলোমিটার এলাকাজুড়ে তল্লাশি চালিয়েও মরদেহগুলোর সন্ধান পাওয়া যায়নি। তবে মানবপাচারকারীদের ব্যবহৃত আস্তানা থেকে রান্নাবান্নার বিভিন্ন সরঞ্জাম উদ্ধার করা হয়েছে। অভিযানে দেড় শতাধিক সদস্য অংশ নেন। এদিকে মানবপাচারকারীদের আস্তানা থেকে উদ্ধার হওয়া ৫৬ জনকে পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।
শনিবার (৭ নভেম্বর) সকাল সাড়ে সাতটা থেকে টেকনাফ উপজেলার হ্নীলা ইউনিয়নের লেদা ও রঙ্গিখালীর দুর্গম পাহাড়ে এ অভিযান শুরু হয়। বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর ১০ পদাতিক ডিভিশনের নেতৃত্বে অভিযানে সেনাবাহিনী, বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি), এপিবিএন ও পুলিশের দেড় শতাধিক সদস্য অংশ নেন।
অভিযানে সঙ্গে থাকা হ্নীলা ইউনিয়ন পরিষদের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান মোহাম্মদ আলী গণমাধ্যমকে বলেন, ‘রঙ্গিখালী ও লেদা রোহিঙ্গা আশ্রয়শিবিরের পেছনের গহিন পাহাড়ে সকাল থেকে তল্লাশি চালানো হয়। কয়েক কিলোমিটার এলাকাজুড়ে অনুসন্ধান করেও কোনো মরদেহের সন্ধান পাওয়া যায়নি। তবে মানবপাচারকারীদের ব্যবহৃত আস্তানা থেকে রান্নার কাজে ব্যবহৃত বিভিন্ন সরঞ্জাম উদ্ধার করা হয়েছে।’
এর আগে গত বৃহস্পতিবার (৫ নভেম্বর) একই এলাকায় মানবপাচারকারীদের গোপন বন্দিশালায় অভিযান চালিয়ে ৫৬ জনকে উদ্ধার করে যৌথ বাহিনী। এ সময় মানবপাচারকারী সন্দেহে ছয়জনকে আটক করা হয়। অভিযান চলার সময় সশস্ত্র পাচারকারীদের সঙ্গে যৌথ বাহিনীর গোলাগুলি হয়। এতে সেনাবাহিনীর সৈনিক মোহাম্মদ তিতাস শেখ (২৯) গুলিবিদ্ধ হয়ে নিহত হন। শুক্রবার সন্ধ্যায় সামরিক আনুষ্ঠানিকতা শেষে রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় ফরিদপুরের নগরকান্দা উপজেলার লস্করদিয়া গ্রামের পারিবারিক কবরস্থানে তাঁকে দাফন করা হয়।
উদ্ধার হওয়া ৫৬ জনকে শুক্রবার রাতে টেকনাফ মডেল থানা থেকে তাঁদের পরিবারের সদস্যদের কাছে হস্তান্তর করা হয়। তাঁদের মধ্যে ছয়জন রোহিঙ্গা ও ৫০ জন বাংলাদেশি নাগরিক।
বৃহস্পতিবারের অভিযানের পর শুক্রবার সন্ধ্যায় রঙ্গিখালী ও লেদা রোহিঙ্গা আশ্রয়শিবিরসংলগ্ন গহিন পাহাড়ে আরও তিনটি মরদেহ পড়ে থাকার খবর ছড়িয়ে পড়ে। বিভিন্ন গণমাধ্যমেও এ নিয়ে সংবাদ প্রকাশিত হয়।
উদ্ধার হওয়া ভুক্তভোগী শহীদুল ইসলাম দাবি করেন, দুই পক্ষের গোলাগুলিতে একাধিক ব্যক্তি নিহত হয়েছেন বলে তিনি শুনেছেন। বন্দিশালার কাছাকাছি তিনটি মরদেহ পড়ে থাকতে দেখেছেন বলেও জানান তিনি। তবে মরদেহগুলো মানবপাচারকারী চক্রের সদস্যদের, নাকি বন্দিশশা থেকে পালিয়ে যাওয়া কোনো ভুক্তভোগীর, তা নিশ্চিত করতে পারেননি।
কক্সবাজারের পুলিশ সুপার এ এন এম সাজেদুর রহমান বলেন, ‘টেকনাফে মানবপাচারকারী চক্রের বিরুদ্ধে যৌথ বাহিনীর অভিযান চলছে। লেদা ও রঙ্গিখালীর গহিন পাহাড়ে তল্লাশি চালিয়েও এখন পর্যন্ত কোনো মরদেহের সন্ধান পাওয়া যায়নি। তবে গোয়েন্দা নজরদারি বাড়ানো হয়েছে।’
তিনি আরও বলেন, মানবপাচারকারী চক্রের তৎপরতা সম্পূর্ণরূপে নির্মূল না হওয়া পর্যন্ত যৌথ বাহিনীর অভিযান অব্যাহত থাকবে।
উদ্ধার হওয়া ব্যক্তিদের বর্ণনায় পাহাড়ের গোপন বন্দিশালায় মানবপাচারকারীদের প্রতারণা, নির্যাতন ও জিম্মি করে রাখার ভয়ংকর চিত্র উঠে এসেছে। ভুক্তভোগী আসাদুজ্জামান জানান, চাকরির প্রলোভন দেখিয়ে তাঁকে কক্সবাজারে ডেকে আনা হয়। পরে পাহাড়ের একটি গোপন আস্তানায় আটকে রাখা হয়। সেখানে টানা আট দিন বন্দী ছিলেন তিনি। এ সময় দুবার পালানোর চেষ্টা করেও ব্যর্থ হন।
আসাদুজ্জামান বলেন, ‘বন্দিশালাটিতে ৫০ জনের বেশি মানুষকে আটকে রাখা হয়েছিল। তাদের সমুদ্রপথে পাচারের প্রস্তুতি চলছিল। সশস্ত্র ব্যক্তিরা পাহাড়ি আস্তানাটি পাহারা দিতেন। বন্দিদের মুঠোফোনসহ ব্যক্তিগত জিনিসপত্র কেড়ে নেওয়ায় বাইরে কারও সঙ্গে যোগাযোগের সুযোগ ছিল না।’
এদিকে সেনাসদস্য তিতাস শেখ নিহত হওয়ার ঘটনায় এখনো টেকনাফ মডেল থানায় মামলা নথিভুক্ত হয়নি। তবে মামলা দায়েরের প্রক্রিয়া চলছে বলে জানিয়েছেন থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. সাইফুল ইসলাম।
ওসি বলেন, ‘মানবপাচারকারী চক্রের বিরুদ্ধে সেনাবাহিনীর নেতৃত্বে যৌথ বাহিনীর অভিযান চলছে। এ পর্যন্ত ছয়জনকে আটক করা হয়েছে। তাঁদের জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে। তদন্তের স্বার্থে এবং অভিযান শেষ না হওয়ায় আপাতত তাঁদের পরিচয় প্রকাশ করা হচ্ছে না।’ তিনি আরও জানান, গত অক্টোবর মাসে টেকনাফ মডেল থানায় মানবপাচারের অভিযোগে তিনটি মামলা হয়েছে। এসব মামলায় ১৭ জনকে আসামি করা হয়েছে। তাঁদের মধ্যে ১৬ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।
স্থানীয় সূত্র ও ভুক্তভোগীদের বক্তব্য অনুযায়ী, টেকনাফের পাহাড়ি অঞ্চল দীর্ঘদিন ধরে মানবপাচারকারী চক্রের গোপন আস্তানা ও বন্দিশালা হিসেবে ব্যবহৃত হয়ে আসছে। চাকরি কিংবা বিদেশে পাঠানোর প্রলোভন দেখিয়ে লোকজনকে এসব আস্তানায় এনে জিম্মি করা হয়। পরে পরিবারের কাছ থেকে মুক্তিপণ আদায় অথবা সমুদ্রপথে পাচারের চেষ্টা করা হয়।
বৃহস্পতিবারের অভিযানে এক সেনাসদস্য নিহত হওয়ার পর নতুন করে তিনটি মরদেহ পড়ে থাকার খবর ছড়িয়ে পড়ায় পাহাড়জুড়ে তল্লাশি জোরদার করা হয়। তবে শনিবারের অভিযানে মরদেহগুলোর সন্ধান না মেলায় সেগুলো সরিয়ে নেওয়া হয়েছে কি না, তা নিয়ে স্থানীয়দের মধ্যে আলোচনা চলছে। স্থানীয় কয়েকজনের ধারণা, যৌথ বাহিনীর অভিযান শুরুর আগেই গভীর রাতে মরদেহগুলো সরিয়ে নিতে পারে মানবপাচার চক্রের সদস্যরা।

আপনার মতামত লিখুন