যশোরের মণিরামপুর উপজেলার মশিয়াহাটীর হেলারঘাট এলাকায় নদীর পানি থেকে রঞ্জন মণ্ডল (৬০) নামে এক ঘের ব্যবসায়ীর বস্তাবন্দি মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। শনিবার (৭ নভেম্বর) স্থানীয়দের দেওয়া খবরের ভিত্তিতে পুলিশ মরদেহটি উদ্ধার করে। নিহত রঞ্জন মণ্ডল কেশবপুর উপজেলার সুফলাকাটি ইউনিয়নের কালিচরণপুর গ্রামের মৃত হরিপদ মণ্ডলের ছেলে।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, শনিবার সকালে মাছ ধরতে যাওয়ার সময় কয়েকজন ব্যক্তি হেলারঘাট এলাকায় রমেশের পাটার কাছে নদীর পানিতে একটি বস্তা ভাসতে দেখেন। বস্তার ভেতর মানুষ বা কোনো মরদেহের মতো কিছু দেখতে পেয়ে তারা তাৎক্ষণিকভাবে পুলিশকে খবর দেন। এই রোমহর্ষক ঘটনায় পুরো এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়।
খবর পেয়ে মণিরামপুর সার্কেলের সহকারী পুলিশ সুপার ইমদাদুল হক, মণিরামপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আবু সাঈদ এবং নেহালপুর পুলিশ ক্যাম্পের ইনচার্জসহ পুলিশের উর্ধ্বতন কর্মকর্তারা ঘটনাস্থলে পৌঁছান।
পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, উদ্ধার করার সময় নিহতের পরনে ছিল কালো প্যান্ট, হলুদ শার্ট ও সাদা স্যান্ডো গেঞ্জি। এ ছাড়া তার চোখে পাওয়ার চশমা, ডান হাতে তামার আংটি এবং পায়ে চকলেট রঙের স্যান্ডেল ছিল। জামার পকেট থেকে একটি কলম ও ডায়েরি উদ্ধার করা হয়েছে।
রঞ্জন মণ্ডলের মৃত্যু কীভাবে হয়েছে এবং এর নেপথ্যে কোনো অপরাধমূলক বা হত্যাকাণ্ড রয়েছে কি না, তা তাৎক্ষণিকভাবে নিশ্চিত করতে পারেনি পুলিশ। ঘটনার প্রকৃত রহস্য উদ্ঘাটন ও ময়নাতদন্তের জন্য মরদেহটি যশোর ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট জেনারেল হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে। পুলিশ জানিয়েছে, এ ঘটনায় আইনগত প্রক্রিয়া ও নিবিড় তদন্ত চলছে।

শনিবার, ০৭ নভেম্বর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৭ নভেম্বর ২০২৬
যশোরের মণিরামপুর উপজেলার মশিয়াহাটীর হেলারঘাট এলাকায় নদীর পানি থেকে রঞ্জন মণ্ডল (৬০) নামে এক ঘের ব্যবসায়ীর বস্তাবন্দি মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। শনিবার (৭ নভেম্বর) স্থানীয়দের দেওয়া খবরের ভিত্তিতে পুলিশ মরদেহটি উদ্ধার করে। নিহত রঞ্জন মণ্ডল কেশবপুর উপজেলার সুফলাকাটি ইউনিয়নের কালিচরণপুর গ্রামের মৃত হরিপদ মণ্ডলের ছেলে।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, শনিবার সকালে মাছ ধরতে যাওয়ার সময় কয়েকজন ব্যক্তি হেলারঘাট এলাকায় রমেশের পাটার কাছে নদীর পানিতে একটি বস্তা ভাসতে দেখেন। বস্তার ভেতর মানুষ বা কোনো মরদেহের মতো কিছু দেখতে পেয়ে তারা তাৎক্ষণিকভাবে পুলিশকে খবর দেন। এই রোমহর্ষক ঘটনায় পুরো এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়।
খবর পেয়ে মণিরামপুর সার্কেলের সহকারী পুলিশ সুপার ইমদাদুল হক, মণিরামপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আবু সাঈদ এবং নেহালপুর পুলিশ ক্যাম্পের ইনচার্জসহ পুলিশের উর্ধ্বতন কর্মকর্তারা ঘটনাস্থলে পৌঁছান।
পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, উদ্ধার করার সময় নিহতের পরনে ছিল কালো প্যান্ট, হলুদ শার্ট ও সাদা স্যান্ডো গেঞ্জি। এ ছাড়া তার চোখে পাওয়ার চশমা, ডান হাতে তামার আংটি এবং পায়ে চকলেট রঙের স্যান্ডেল ছিল। জামার পকেট থেকে একটি কলম ও ডায়েরি উদ্ধার করা হয়েছে।
রঞ্জন মণ্ডলের মৃত্যু কীভাবে হয়েছে এবং এর নেপথ্যে কোনো অপরাধমূলক বা হত্যাকাণ্ড রয়েছে কি না, তা তাৎক্ষণিকভাবে নিশ্চিত করতে পারেনি পুলিশ। ঘটনার প্রকৃত রহস্য উদ্ঘাটন ও ময়নাতদন্তের জন্য মরদেহটি যশোর ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট জেনারেল হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে। পুলিশ জানিয়েছে, এ ঘটনায় আইনগত প্রক্রিয়া ও নিবিড় তদন্ত চলছে।

আপনার মতামত লিখুন