সংবাদ

রমনার বটমূলে ছায়ানটের বর্ষবরণ: সুরের মূর্ছনায় ১৪৩৩-কে আবাহন


প্রকাশ: ১৪ এপ্রিল ২০২৬, ০৯:৫০ এএম

রমনার বটমূলে ছায়ানটের বর্ষবরণ: সুরের মূর্ছনায় ১৪৩৩-কে আবাহন

ভোরের সূর্যের আলো ফোটার সঙ্গেই সুর, বাণী আর ছন্দের দোলায় নতুন বছরকে বরণ করে নিয়েছে বাঙালি। আজ মঙ্গলবার (১৪ এপ্রিল) সকাল ৬টা ১৫ মিনিটে রাজধানীর রমনা বটমূলে ছায়ানটের ঐতিহ্যবাহী বর্ষবরণ অনুষ্ঠানের মধ্য দিয়ে শুরু হয়েছে ১৪৩৩ বঙ্গাব্দের আনুষ্ঠানিক পথচলা।

‘জাগো আলোক-লগনে’ শিল্পীদের এই সম্মিলিত আহ্বানের মধ্য দিয়ে শুরু হয় প্রভাতী আয়োজন। জীর্ণ পুরাতনকে পেছনে ফেলে এক কল্যাণময় ও শান্তিময় আগামীর প্রত্যাশায় মুখরিত হয়ে ওঠে রমনার আকাশ-বাতাস।

ছায়ানট জানায়, এবারের পুরো অনুষ্ঠানটি ২২টি পরিবেশনার মধ্য দিয়ে সাজানো হয়। যার মধ্যে রয়েছে:

  • সম্মেলক গান: ৮টি
  • একক গান: ১৪টি
  • কবিতা পাঠ: ২টি

প্রায় দুইশত শিল্পীর অংশগ্রহণে এই আয়োজন যেন এক সংস্কৃতির মহাসমুদ্রে রূপ নেয়। ছায়ানটের প্রত্যাশা পৃথিবী থেকে সমস্ত শঙ্কা, ভয় আর অনিশ্চয়তা দূর হোক এবং মানবজাতি ফিরে পাক স্বস্তি ও কল্যাণের পথ।

নতুন বছরকে স্বাগত জানাতে ভোর হওয়ার আগেই রাজধানীর বিভিন্ন প্রান্ত থেকে ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে হাজারো মানুষ রমনা এলাকায় জড়ো হতে শুরু করেন। নিরাপত্তার স্বার্থে পুরো এলাকায় কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হলেও উৎসবের আমেজে তার কোনো প্রভাব পড়েনি। রমনার বটমূলে ছায়ানটের এই সঙ্গীতাসর শেষে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের চারুকলা থেকে শুরু হয় ঐতিহ্যবাহী মঙ্গল শোভাযাত্রা।

জাতীয় সংগীত পরিবেশনের মাধ্যমে ছায়ানটের এই বর্ণাঢ্য আয়োজনের সমাপ্তি ঘটে।

 

 

আপনার মতামত লিখুন

সংবাদ

শনিবার, ৩০ মে ২০২৬


রমনার বটমূলে ছায়ানটের বর্ষবরণ: সুরের মূর্ছনায় ১৪৩৩-কে আবাহন

প্রকাশের তারিখ : ১৪ এপ্রিল ২০২৬

featured Image

ভোরের সূর্যের আলো ফোটার সঙ্গেই সুর, বাণী আর ছন্দের দোলায় নতুন বছরকে বরণ করে নিয়েছে বাঙালি। আজ মঙ্গলবার (১৪ এপ্রিল) সকাল ৬টা ১৫ মিনিটে রাজধানীর রমনা বটমূলে ছায়ানটের ঐতিহ্যবাহী বর্ষবরণ অনুষ্ঠানের মধ্য দিয়ে শুরু হয়েছে ১৪৩৩ বঙ্গাব্দের আনুষ্ঠানিক পথচলা।

‘জাগো আলোক-লগনে’ শিল্পীদের এই সম্মিলিত আহ্বানের মধ্য দিয়ে শুরু হয় প্রভাতী আয়োজন। জীর্ণ পুরাতনকে পেছনে ফেলে এক কল্যাণময় ও শান্তিময় আগামীর প্রত্যাশায় মুখরিত হয়ে ওঠে রমনার আকাশ-বাতাস।

ছায়ানট জানায়, এবারের পুরো অনুষ্ঠানটি ২২টি পরিবেশনার মধ্য দিয়ে সাজানো হয়। যার মধ্যে রয়েছে:

  • সম্মেলক গান: ৮টি
  • একক গান: ১৪টি
  • কবিতা পাঠ: ২টি

প্রায় দুইশত শিল্পীর অংশগ্রহণে এই আয়োজন যেন এক সংস্কৃতির মহাসমুদ্রে রূপ নেয়। ছায়ানটের প্রত্যাশা পৃথিবী থেকে সমস্ত শঙ্কা, ভয় আর অনিশ্চয়তা দূর হোক এবং মানবজাতি ফিরে পাক স্বস্তি ও কল্যাণের পথ।

নতুন বছরকে স্বাগত জানাতে ভোর হওয়ার আগেই রাজধানীর বিভিন্ন প্রান্ত থেকে ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে হাজারো মানুষ রমনা এলাকায় জড়ো হতে শুরু করেন। নিরাপত্তার স্বার্থে পুরো এলাকায় কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হলেও উৎসবের আমেজে তার কোনো প্রভাব পড়েনি। রমনার বটমূলে ছায়ানটের এই সঙ্গীতাসর শেষে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের চারুকলা থেকে শুরু হয় ঐতিহ্যবাহী মঙ্গল শোভাযাত্রা।

জাতীয় সংগীত পরিবেশনের মাধ্যমে ছায়ানটের এই বর্ণাঢ্য আয়োজনের সমাপ্তি ঘটে।

 

 


সংবাদ

সম্পাদক ও প্রকাশক
আলতামাশ কবির

নির্বাহী সম্পাদক
শাহরিয়ার করিম

প্রধান, ডিজিটাল সংস্করণ
রাশেদ আহমেদ


কপিরাইট © ২০২৬ | সংবাদ | সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত