দেশের মোট জনগোষ্ঠীর ৪০ শতাংশ সরাসরি কৃষির সঙ্গে জড়িত উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেছেন, “কৃষক সচ্ছল থাকলে এবং ভালো থাকলেই বাংলাদেশ ভালো থাকবে। আমাদের মূল লক্ষ্য হলো কৃষককে আত্মনির্ভরশীল হিসেবে গড়ে তোলা।”
আজ মঙ্গলবার (১৪ এপ্রিল) পহেলা বৈশাখ উপলক্ষে টাঙ্গাইলের
শহীদ মারুফ স্টেডিয়ামে ‘কৃষক কার্ড’ বিতরণ কর্মসূচির উদ্বোধন শেষে দেওয়া বক্তব্যে তিনি
এসব কথা বলেন।
আগামী ৫ বছরের মধ্যে ২ কোটি ৭৫ লাখ কৃষকের হাতে পৌঁছাবে
‘কৃষক কার্ড’। এই কার্ডের মাধ্যমে কৃষকরা ১০ ধরনের বিশেষ সুবিধা পাবেন। সেচ সুবিধা
নিশ্চিতে ৫ বছরে ২০ হাজার কিলোমিটার খাল খননের ঘোষণা। ফসল সংরক্ষণে দেশজুড়ে কোল্ড স্টোরেজ
বা হিমাগার নির্মাণের উদ্যোগ।
বক্তব্যের শুরুতে দেশবাসীকে বাংলা নববর্ষের শুভেচ্ছা জানিয়ে
প্রধানমন্ত্রী বলেন, জনগণের ভোটে নির্বাচিত হওয়ার পর বর্তমান সরকার তার প্রতিটি নির্বাচনী
প্রতিশ্রুতি রক্ষা করছে। এরই ধারাবাহিকতায় ফ্যামিলি কার্ড, ক্রীড়া কার্ড ও খাল খনন
কর্মসূচির পর আজ ‘কৃষক কার্ড’ চালু করা হলো। তিনি স্মরণ করিয়ে দেন যে, সরকার ইতিমধ্যেই
কৃষকদের ১০ হাজার টাকা পর্যন্ত কৃষিঋণ মওকুফ করেছে।
প্রাথমিক পর্যায়ে আজ ১১টি উপজেলার ২২ হাজার ৬৫ জন চাষির হাতে
এই কার্ড তুলে দেওয়া হয়েছে। প্রধানমন্ত্রী জানান, পর্যায়ক্রমে দেশের ২ কোটি ৭৫ লাখ
কৃষকের কাছে এই সুবিধা পৌঁছে দেওয়া হবে। এই কার্ডের মাধ্যমে কৃষকরা সার, বীজসহ বিভিন্ন
সরকারি প্রণোদনা সরাসরি ও স্বচ্ছতার সঙ্গে গ্রহণ করতে পারবেন।
কৃষকের সেচ সংকট সমাধানে ৫ বছরে ২০ হাজার কিলোমিটার খাল খননের
মহাপরিকল্পনার কথা উল্লেখ করে তারেক রহমান বলেন, “ভূ-গর্ভস্থ পানির স্তর আগের অবস্থায়
ফিরিয়ে আনাই আমাদের লক্ষ্য।” এছাড়া কৃষি পণ্যের সঠিক মূল্য নিশ্চিত করতে এবং পচন রোধে
কোল্ড স্টোরেজ প্রতিষ্ঠার ওপর গুরুত্ব দেন তিনি। প্রধানমন্ত্রী জানান, এ বিষয়ে বিভিন্ন
আন্তর্জাতিক সংস্থা ও দেশ বিনিয়োগে আগ্রহ প্রকাশ করেছে।
প্রধানমন্ত্রী আরও বলেন, কৃষি-নির্ভর এলাকাগুলোতে কৃষি পণ্যের
সাথে সম্পর্কিত নতুন নতুন কলকারখানা স্থাপনের পদক্ষেপ নেওয়া হচ্ছে, যা গ্রামীণ অর্থনীতিতে
নতুন গতির সঞ্চার করবে।

বুধবার, ১৫ এপ্রিল ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৪ এপ্রিল ২০২৬
দেশের মোট জনগোষ্ঠীর ৪০ শতাংশ সরাসরি কৃষির সঙ্গে জড়িত উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেছেন, “কৃষক সচ্ছল থাকলে এবং ভালো থাকলেই বাংলাদেশ ভালো থাকবে। আমাদের মূল লক্ষ্য হলো কৃষককে আত্মনির্ভরশীল হিসেবে গড়ে তোলা।”
আজ মঙ্গলবার (১৪ এপ্রিল) পহেলা বৈশাখ উপলক্ষে টাঙ্গাইলের
শহীদ মারুফ স্টেডিয়ামে ‘কৃষক কার্ড’ বিতরণ কর্মসূচির উদ্বোধন শেষে দেওয়া বক্তব্যে তিনি
এসব কথা বলেন।
আগামী ৫ বছরের মধ্যে ২ কোটি ৭৫ লাখ কৃষকের হাতে পৌঁছাবে
‘কৃষক কার্ড’। এই কার্ডের মাধ্যমে কৃষকরা ১০ ধরনের বিশেষ সুবিধা পাবেন। সেচ সুবিধা
নিশ্চিতে ৫ বছরে ২০ হাজার কিলোমিটার খাল খননের ঘোষণা। ফসল সংরক্ষণে দেশজুড়ে কোল্ড স্টোরেজ
বা হিমাগার নির্মাণের উদ্যোগ।
বক্তব্যের শুরুতে দেশবাসীকে বাংলা নববর্ষের শুভেচ্ছা জানিয়ে
প্রধানমন্ত্রী বলেন, জনগণের ভোটে নির্বাচিত হওয়ার পর বর্তমান সরকার তার প্রতিটি নির্বাচনী
প্রতিশ্রুতি রক্ষা করছে। এরই ধারাবাহিকতায় ফ্যামিলি কার্ড, ক্রীড়া কার্ড ও খাল খনন
কর্মসূচির পর আজ ‘কৃষক কার্ড’ চালু করা হলো। তিনি স্মরণ করিয়ে দেন যে, সরকার ইতিমধ্যেই
কৃষকদের ১০ হাজার টাকা পর্যন্ত কৃষিঋণ মওকুফ করেছে।
প্রাথমিক পর্যায়ে আজ ১১টি উপজেলার ২২ হাজার ৬৫ জন চাষির হাতে
এই কার্ড তুলে দেওয়া হয়েছে। প্রধানমন্ত্রী জানান, পর্যায়ক্রমে দেশের ২ কোটি ৭৫ লাখ
কৃষকের কাছে এই সুবিধা পৌঁছে দেওয়া হবে। এই কার্ডের মাধ্যমে কৃষকরা সার, বীজসহ বিভিন্ন
সরকারি প্রণোদনা সরাসরি ও স্বচ্ছতার সঙ্গে গ্রহণ করতে পারবেন।
কৃষকের সেচ সংকট সমাধানে ৫ বছরে ২০ হাজার কিলোমিটার খাল খননের
মহাপরিকল্পনার কথা উল্লেখ করে তারেক রহমান বলেন, “ভূ-গর্ভস্থ পানির স্তর আগের অবস্থায়
ফিরিয়ে আনাই আমাদের লক্ষ্য।” এছাড়া কৃষি পণ্যের সঠিক মূল্য নিশ্চিত করতে এবং পচন রোধে
কোল্ড স্টোরেজ প্রতিষ্ঠার ওপর গুরুত্ব দেন তিনি। প্রধানমন্ত্রী জানান, এ বিষয়ে বিভিন্ন
আন্তর্জাতিক সংস্থা ও দেশ বিনিয়োগে আগ্রহ প্রকাশ করেছে।
প্রধানমন্ত্রী আরও বলেন, কৃষি-নির্ভর এলাকাগুলোতে কৃষি পণ্যের
সাথে সম্পর্কিত নতুন নতুন কলকারখানা স্থাপনের পদক্ষেপ নেওয়া হচ্ছে, যা গ্রামীণ অর্থনীতিতে
নতুন গতির সঞ্চার করবে।

আপনার মতামত লিখুন