আরব আমিরাতের শারজায় মো. হেলাল (২৭) নামে এক প্রবাসী বাংলাদেশি যুবকের ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। এটি পরিকল্পিত হত্যাকাণ্ড বলে দাবি করছে তার পরিবার। লক্ষ্মীপুরের কমলনগরে নিহতের স্বজনরা ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত ও মরদেহ দ্রুত দেশে ফিরিয়ে আনার দাবি জানিয়েছেন।
গত ১১ এপ্রিল শারজাহ শহরের ১০ নম্বর ইন্ডাস্ট্রিয়াল এলাকায় নিজ কর্মস্থলের টয়লেট থেকে ঝুলন্ত অবস্থায় হেলালের মরদেহ উদ্ধার করা হয়। তিনি লক্ষ্মীপুরের কমলনগর উপজেলার চর মার্টিন ইউনিয়নের ৭ নম্বর ওয়ার্ডের নুর আলমের ছেলে।
স্বজনরা জানান, পরিবারের বাড়তি সুখের জন্য ২০২৩ সালের নভেম্বরে আরব আমিরাতে পাড়ি জমিয়েছিলেন হেলাল। তিনি ‘নুর আল কামাল পেইন্ট কনট্রাকটিং’ নামের একটি প্রতিষ্ঠানে পেইন্টার হিসেবে কর্মরত ছিলেন। এর আগে তার ভাই ফয়সালও একই প্রতিষ্ঠানে কাজ করতেন। তবে সমস্যার কারণে তিনি দেশে চলে আসেন।
হেলালের এক সহকর্মীর মাধ্যমে মৃত্যুর খবর জানতে পারে পরিবার। কিন্তু ঘটনার পেছনে কারা জড়িত, সে সম্পর্কে এখনো সুনির্দিষ্ট কোনো তথ্য পাননি তারা।
পরিবারের অভিযোগ, হেলালকে হত্যার পর তার মরদেহ টয়লেটে ঝুলিয়ে রাখা হয়েছে। পরিবারের একমাত্র উপার্জনক্ষম ব্যক্তিকে হারিয়ে দিশেহারা হয়ে পড়েছেন হেলালের স্বজনরা।
হেলালের বাবা নুর আলম বলেন, ‘আমার ছেলে আত্মহত্যা করার মতো ছেলে নয়। তাকে হত্যা করা হয়েছে। আমি বাংলাদেশ সরকারের মাধ্যমে আমিরাত সরকারের কাছে এই ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত ও বিচার দাবি করছি। পাশাপাশি দ্রুত যেন আমার ছেলের মরদেহ দেশে ফিরিয়ে আনা হয়, সেজন্য সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়ের সহায়তা চাইছি।’
এ বিষয়ে কমলনগর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা(ওসি) ফরিদুল আলম জানান, বিষয়টি এখন পর্যন্ত আনুষ্ঠানিকভাবে কেউ পুলিশকে জানায়নি। তবে খোঁজখবর নিয়ে ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে বিষয়টি অবহিত করা হবে বলে তিনি আশ্বাস দেন।

বুধবার, ১৫ এপ্রিল ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৪ এপ্রিল ২০২৬
আরব আমিরাতের শারজায় মো. হেলাল (২৭) নামে এক প্রবাসী বাংলাদেশি যুবকের ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। এটি পরিকল্পিত হত্যাকাণ্ড বলে দাবি করছে তার পরিবার। লক্ষ্মীপুরের কমলনগরে নিহতের স্বজনরা ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত ও মরদেহ দ্রুত দেশে ফিরিয়ে আনার দাবি জানিয়েছেন।
গত ১১ এপ্রিল শারজাহ শহরের ১০ নম্বর ইন্ডাস্ট্রিয়াল এলাকায় নিজ কর্মস্থলের টয়লেট থেকে ঝুলন্ত অবস্থায় হেলালের মরদেহ উদ্ধার করা হয়। তিনি লক্ষ্মীপুরের কমলনগর উপজেলার চর মার্টিন ইউনিয়নের ৭ নম্বর ওয়ার্ডের নুর আলমের ছেলে।
স্বজনরা জানান, পরিবারের বাড়তি সুখের জন্য ২০২৩ সালের নভেম্বরে আরব আমিরাতে পাড়ি জমিয়েছিলেন হেলাল। তিনি ‘নুর আল কামাল পেইন্ট কনট্রাকটিং’ নামের একটি প্রতিষ্ঠানে পেইন্টার হিসেবে কর্মরত ছিলেন। এর আগে তার ভাই ফয়সালও একই প্রতিষ্ঠানে কাজ করতেন। তবে সমস্যার কারণে তিনি দেশে চলে আসেন।
হেলালের এক সহকর্মীর মাধ্যমে মৃত্যুর খবর জানতে পারে পরিবার। কিন্তু ঘটনার পেছনে কারা জড়িত, সে সম্পর্কে এখনো সুনির্দিষ্ট কোনো তথ্য পাননি তারা।
পরিবারের অভিযোগ, হেলালকে হত্যার পর তার মরদেহ টয়লেটে ঝুলিয়ে রাখা হয়েছে। পরিবারের একমাত্র উপার্জনক্ষম ব্যক্তিকে হারিয়ে দিশেহারা হয়ে পড়েছেন হেলালের স্বজনরা।
হেলালের বাবা নুর আলম বলেন, ‘আমার ছেলে আত্মহত্যা করার মতো ছেলে নয়। তাকে হত্যা করা হয়েছে। আমি বাংলাদেশ সরকারের মাধ্যমে আমিরাত সরকারের কাছে এই ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত ও বিচার দাবি করছি। পাশাপাশি দ্রুত যেন আমার ছেলের মরদেহ দেশে ফিরিয়ে আনা হয়, সেজন্য সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়ের সহায়তা চাইছি।’
এ বিষয়ে কমলনগর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা(ওসি) ফরিদুল আলম জানান, বিষয়টি এখন পর্যন্ত আনুষ্ঠানিকভাবে কেউ পুলিশকে জানায়নি। তবে খোঁজখবর নিয়ে ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে বিষয়টি অবহিত করা হবে বলে তিনি আশ্বাস দেন।

আপনার মতামত লিখুন