টাঙ্গাইলের শহীদ মারুফ স্টেডিয়ামে এক বর্ণাঢ্য অনুষ্ঠানে কৃষকদের মাঝে কৃষক কার্ড ও ফলজ গাছের চারা বিতরণ করেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। মঙ্গলবার দুপুরে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি দেশের কৃষি ও কৃষকের উন্নয়নে তার সরকারের অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করেন।
চারা
বিতরণের সময় কৃষকদের সঙ্গে অত্যন্ত সহজ-সরল ও
আন্তরিক ভঙ্গিতে আলাপচারিতায় মেতে ওঠেন সরকার
প্রধান। উপস্থিত কৃষকদের উদ্দেশ্যে তিনি স্মিতহাস্যে বলেন,
‘উনাদের গাছের চারা দিচ্ছি। কয়েকজনকে
জামগাছ দিয়েছি, আমগাছ দিয়েছি। আমি উনাদের বলেছি,
এটি বাসার সামনে রোপণ করতে হবে।
যারা আম ও জামগাছ
পেয়েছেন, আমি তাদের বলেছি,
আম, জাম যখন ধরবে
আমি খাবো, আমাকে পাঠাবেন।’
দেশের
অর্থনীতির মূল চালিকাশক্তি হিসেবে
কৃষিকে অভিহিত করে প্রধানমন্ত্রী বলেন,
এ দেশের প্রধান পেশাই হলো কৃষি এবং
প্রায় ৪০ শতাংশ মানুষ
সরাসরি এই খাতের সঙ্গে
জড়িত।
তিনি
উল্লেখ করেন, দেশের প্রায় চার কোটি পরিবারের
কেউ না কেউ কৃষির
সঙ্গে কোনো না কোনোভাবে
সম্পর্কিত।
বর্তমান
সরকারের উন্নয়ন পরিকল্পনার কথা তুলে ধরে
তিনি জানান, প্রথম পর্যায়ে ২২ হাজার কৃষকের
কাছে তারা কৃষক কার্ডের
সুবিধা পৌঁছে দিতে কাজ করছেন।
নির্বাচনী
ইশতেহারের কথা স্মরণ করিয়ে
দিয়ে তিনি বলেন, ‘আমরা
যে প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলাম, তা আজ উদ্বোধন
করলাম। নির্বাচনের আগে দেশের মানুষের
কাছে আমরা যেসব প্রতিশ্রুতি
দিয়েছিলাম, তার মধ্যে কৃষক
কার্ডও ছিল।’
কৃষকদের
আর্থিক সুরক্ষার বিষয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, দেশের ১২ লাখ কৃষক
ইতিমধ্যে সুদসহ ১০ হাজার টাকা
পর্যন্ত কৃষি ঋণের মওকুফের
আওতায় সুবিধা পেয়েছেন। এই উদ্যোগ তৃণমূলের
প্রান্তিক কৃষকদের স্বাবলম্বী করতে বড় ভূমিকা
রাখবে বলে তিনি আশাবাদ
ব্যক্ত করেন।
অনুষ্ঠানে
প্রধানমন্ত্রী নিজ হাতে ১৫
জন নির্বাচিত কৃষককে স্মার্ট কৃষক কার্ড ও
গাছের চারা তুলে দিয়ে
কর্মসূচির শুভ সূচনা করেন।
কৃষি,
মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রী
মোহাম্মদ আমিন উর রশিদের
সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত এই সভায় বিশেষ
অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী
সুলতান সালাউদ্দিন টুকু এবং প্রধানমন্ত্রীর
উপদেষ্টা রুহুল কবির রিজভী।
অনুষ্ঠানের
শুরুতে স্বাগত বক্তব্য প্রদান করেন কৃষি সচিব
রফিকুল-ই মোহামেদ। জেলা
প্রশাসনের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা ও স্থানীয় রাজনৈতিক
নেতারা এ সময় উপস্থিত ছিলেন।

বুধবার, ১৫ এপ্রিল ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৪ এপ্রিল ২০২৬
টাঙ্গাইলের শহীদ মারুফ স্টেডিয়ামে এক বর্ণাঢ্য অনুষ্ঠানে কৃষকদের মাঝে কৃষক কার্ড ও ফলজ গাছের চারা বিতরণ করেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। মঙ্গলবার দুপুরে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি দেশের কৃষি ও কৃষকের উন্নয়নে তার সরকারের অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করেন।
চারা
বিতরণের সময় কৃষকদের সঙ্গে অত্যন্ত সহজ-সরল ও
আন্তরিক ভঙ্গিতে আলাপচারিতায় মেতে ওঠেন সরকার
প্রধান। উপস্থিত কৃষকদের উদ্দেশ্যে তিনি স্মিতহাস্যে বলেন,
‘উনাদের গাছের চারা দিচ্ছি। কয়েকজনকে
জামগাছ দিয়েছি, আমগাছ দিয়েছি। আমি উনাদের বলেছি,
এটি বাসার সামনে রোপণ করতে হবে।
যারা আম ও জামগাছ
পেয়েছেন, আমি তাদের বলেছি,
আম, জাম যখন ধরবে
আমি খাবো, আমাকে পাঠাবেন।’
দেশের
অর্থনীতির মূল চালিকাশক্তি হিসেবে
কৃষিকে অভিহিত করে প্রধানমন্ত্রী বলেন,
এ দেশের প্রধান পেশাই হলো কৃষি এবং
প্রায় ৪০ শতাংশ মানুষ
সরাসরি এই খাতের সঙ্গে
জড়িত।
তিনি
উল্লেখ করেন, দেশের প্রায় চার কোটি পরিবারের
কেউ না কেউ কৃষির
সঙ্গে কোনো না কোনোভাবে
সম্পর্কিত।
বর্তমান
সরকারের উন্নয়ন পরিকল্পনার কথা তুলে ধরে
তিনি জানান, প্রথম পর্যায়ে ২২ হাজার কৃষকের
কাছে তারা কৃষক কার্ডের
সুবিধা পৌঁছে দিতে কাজ করছেন।
নির্বাচনী
ইশতেহারের কথা স্মরণ করিয়ে
দিয়ে তিনি বলেন, ‘আমরা
যে প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলাম, তা আজ উদ্বোধন
করলাম। নির্বাচনের আগে দেশের মানুষের
কাছে আমরা যেসব প্রতিশ্রুতি
দিয়েছিলাম, তার মধ্যে কৃষক
কার্ডও ছিল।’
কৃষকদের
আর্থিক সুরক্ষার বিষয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, দেশের ১২ লাখ কৃষক
ইতিমধ্যে সুদসহ ১০ হাজার টাকা
পর্যন্ত কৃষি ঋণের মওকুফের
আওতায় সুবিধা পেয়েছেন। এই উদ্যোগ তৃণমূলের
প্রান্তিক কৃষকদের স্বাবলম্বী করতে বড় ভূমিকা
রাখবে বলে তিনি আশাবাদ
ব্যক্ত করেন।
অনুষ্ঠানে
প্রধানমন্ত্রী নিজ হাতে ১৫
জন নির্বাচিত কৃষককে স্মার্ট কৃষক কার্ড ও
গাছের চারা তুলে দিয়ে
কর্মসূচির শুভ সূচনা করেন।
কৃষি,
মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রী
মোহাম্মদ আমিন উর রশিদের
সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত এই সভায় বিশেষ
অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী
সুলতান সালাউদ্দিন টুকু এবং প্রধানমন্ত্রীর
উপদেষ্টা রুহুল কবির রিজভী।
অনুষ্ঠানের
শুরুতে স্বাগত বক্তব্য প্রদান করেন কৃষি সচিব
রফিকুল-ই মোহামেদ। জেলা
প্রশাসনের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা ও স্থানীয় রাজনৈতিক
নেতারা এ সময় উপস্থিত ছিলেন।

আপনার মতামত লিখুন