বাংলাদেশের চলমান রাষ্ট্রীয় সংস্কার প্রক্রিয়ায় পূর্ণ সমর্থন ও সম্ভাব্য সব ধরনের সহযোগিতা অব্যাহত রাখার জোরালো আশ্বাস দিয়েছে ইউরোপীয় ইউনিয়ন (ইইউ)। বর্তমান সরকারের বিভিন্ন সংস্কার উদ্যোগকে ইতিবাচক হিসেবে দেখছে এই শক্তিশালী জোট।
বুধবার
(১৫ এপ্রিল) পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. খলিলুর রহমানের
সঙ্গে তার দপ্তরে সৌজন্য
সাক্ষাৎ করেন ঢাকায় নিযুক্ত
ইইউ রাষ্ট্রদূত মাইকেল মিলার। এই বৈঠকে বাংলাদেশ
ও ইউরোপীয় ইউনিয়নের মধ্যকার দীর্ঘদিনের দ্বিপাক্ষিক ও পারস্পরিক লাভজনক
সম্পর্ককে আরও এগিয়ে নেওয়ার
অঙ্গীকার ব্যক্ত করা হয়।
এই বৈঠকে বর্তমান সরকারের বিভিন্ন সংস্কার কার্যক্রম ছাড়াও গুরুত্ব পায় অভিবাসন ব্যবস্থাপনা,
তরুণ প্রজন্মের দক্ষতা উন্নয়ন, দেশে আইনের শাসন
প্রতিষ্ঠা এবং সুশাসনের মতো
গুরুত্বপূর্ণ বিষয়গুলো।
রাষ্ট্রদূত
মাইকেল মিলার বাংলাদেশের উন্নয়ন যাত্রায় পাশে থাকার কথা
জানিয়ে বলেন, "বাংলাদেশের সংস্কার প্রক্রিয়ায় ইইউয়ের পক্ষ থেকে পূর্ণ
সহযোগিতা অব্যাহত থাকবে।"
পররাষ্ট্রমন্ত্রী
ড. খলিলুর রহমান ইউরোপীয় ইউনিয়নকে বাংলাদেশের অন্যতম প্রধান ও বিশ্বস্ত উন্নয়ন
ও বাণিজ্য অংশীদার হিসেবে উল্লেখ করেন। তিনি ইইউ-এর
এই নিরবচ্ছিন্ন সমর্থনকে স্বাগত জানান এবং দুই পক্ষের
সম্পর্ককে নতুন উচ্চতায় নিয়ে
যাওয়ার আশাবাদ ব্যক্ত করেন।
বৈঠকের
অন্যতম প্রধান আলোচনার বিষয় ছিল পররাষ্ট্রমন্ত্রীর
আসন্ন ব্রাসেলস সফর। এই সফরকে
দুই পক্ষের সম্পর্কের ক্ষেত্রে একটি মাইলফলক হিসেবে
দেখা হচ্ছে। সফরের মূল লক্ষ্য হলো
বাংলাদেশ ও ইইউ-এর
মধ্যে ‘পার্টনারশিপ অ্যান্ড কো-অপারেশন অ্যাগ্রিমেন্ট’
বা পিসিএ স্বাক্ষরের প্রাথমিক প্রক্রিয়া সম্পন্ন করা।
সংশ্লিষ্টরা
মনে করছেন, এই চুক্তির মাধ্যমে
দুই পক্ষের দ্বিপাক্ষিক ও বহুপাক্ষিক সহযোগিতার
ক্ষেত্রগুলো আরও সুসংহত, প্রাতিষ্ঠানিক
এবং শক্তিশালী রূপ পাবে। এর
ফলে বাণিজ্য ও বিনিয়োগের পাশাপাশি
রাজনৈতিক ও কৌশলগত ক্ষেত্রেও
বাংলাদেশ লাভবান হবে। দুই পক্ষের
শীর্ষ কর্মকর্তাদের এই আন্তরিক বৈঠক
আগামীতে ইউরোপের দেশগুলোর সঙ্গে বাংলাদেশের কূটনৈতিক ও অর্থনৈতিক সম্পর্ককে
আরও সুদৃঢ় করবে বলে মনে
করছেন সংশ্লিষ্ট কূটনৈতিক মহল।

বৃহস্পতিবার, ১৬ এপ্রিল ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৫ এপ্রিল ২০২৬
বাংলাদেশের চলমান রাষ্ট্রীয় সংস্কার প্রক্রিয়ায় পূর্ণ সমর্থন ও সম্ভাব্য সব ধরনের সহযোগিতা অব্যাহত রাখার জোরালো আশ্বাস দিয়েছে ইউরোপীয় ইউনিয়ন (ইইউ)। বর্তমান সরকারের বিভিন্ন সংস্কার উদ্যোগকে ইতিবাচক হিসেবে দেখছে এই শক্তিশালী জোট।
বুধবার
(১৫ এপ্রিল) পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. খলিলুর রহমানের
সঙ্গে তার দপ্তরে সৌজন্য
সাক্ষাৎ করেন ঢাকায় নিযুক্ত
ইইউ রাষ্ট্রদূত মাইকেল মিলার। এই বৈঠকে বাংলাদেশ
ও ইউরোপীয় ইউনিয়নের মধ্যকার দীর্ঘদিনের দ্বিপাক্ষিক ও পারস্পরিক লাভজনক
সম্পর্ককে আরও এগিয়ে নেওয়ার
অঙ্গীকার ব্যক্ত করা হয়।
এই বৈঠকে বর্তমান সরকারের বিভিন্ন সংস্কার কার্যক্রম ছাড়াও গুরুত্ব পায় অভিবাসন ব্যবস্থাপনা,
তরুণ প্রজন্মের দক্ষতা উন্নয়ন, দেশে আইনের শাসন
প্রতিষ্ঠা এবং সুশাসনের মতো
গুরুত্বপূর্ণ বিষয়গুলো।
রাষ্ট্রদূত
মাইকেল মিলার বাংলাদেশের উন্নয়ন যাত্রায় পাশে থাকার কথা
জানিয়ে বলেন, "বাংলাদেশের সংস্কার প্রক্রিয়ায় ইইউয়ের পক্ষ থেকে পূর্ণ
সহযোগিতা অব্যাহত থাকবে।"
পররাষ্ট্রমন্ত্রী
ড. খলিলুর রহমান ইউরোপীয় ইউনিয়নকে বাংলাদেশের অন্যতম প্রধান ও বিশ্বস্ত উন্নয়ন
ও বাণিজ্য অংশীদার হিসেবে উল্লেখ করেন। তিনি ইইউ-এর
এই নিরবচ্ছিন্ন সমর্থনকে স্বাগত জানান এবং দুই পক্ষের
সম্পর্ককে নতুন উচ্চতায় নিয়ে
যাওয়ার আশাবাদ ব্যক্ত করেন।
বৈঠকের
অন্যতম প্রধান আলোচনার বিষয় ছিল পররাষ্ট্রমন্ত্রীর
আসন্ন ব্রাসেলস সফর। এই সফরকে
দুই পক্ষের সম্পর্কের ক্ষেত্রে একটি মাইলফলক হিসেবে
দেখা হচ্ছে। সফরের মূল লক্ষ্য হলো
বাংলাদেশ ও ইইউ-এর
মধ্যে ‘পার্টনারশিপ অ্যান্ড কো-অপারেশন অ্যাগ্রিমেন্ট’
বা পিসিএ স্বাক্ষরের প্রাথমিক প্রক্রিয়া সম্পন্ন করা।
সংশ্লিষ্টরা
মনে করছেন, এই চুক্তির মাধ্যমে
দুই পক্ষের দ্বিপাক্ষিক ও বহুপাক্ষিক সহযোগিতার
ক্ষেত্রগুলো আরও সুসংহত, প্রাতিষ্ঠানিক
এবং শক্তিশালী রূপ পাবে। এর
ফলে বাণিজ্য ও বিনিয়োগের পাশাপাশি
রাজনৈতিক ও কৌশলগত ক্ষেত্রেও
বাংলাদেশ লাভবান হবে। দুই পক্ষের
শীর্ষ কর্মকর্তাদের এই আন্তরিক বৈঠক
আগামীতে ইউরোপের দেশগুলোর সঙ্গে বাংলাদেশের কূটনৈতিক ও অর্থনৈতিক সম্পর্ককে
আরও সুদৃঢ় করবে বলে মনে
করছেন সংশ্লিষ্ট কূটনৈতিক মহল।

আপনার মতামত লিখুন