ফেনীর সোনাগাজীতে ইউটিউব দেখে বিকল্প পদ্ধতিতে অকটেন তৈরির চেষ্টাকালে ভয়াবহ বিস্ফোরণে দগ্ধ ব্যবসায়ী নুর আলম মাসুদ শেষ পর্যন্ত মারা গেছেন। ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের বার্ন অ্যান্ড প্লাস্টিক সার্জারি ইউনিটে চিকিৎসাধীন অবস্থায় শনিবার সকালে মৃত্যু হয় তার।
মঙ্গলবার
বিকেলে পৌরসভার নজরুল প্রাইমারি স্কুল এলাকায় এই মর্মান্তিক দুর্ঘটনাটি
ঘটে। নিহত মাসুদ সোনাগাজী
সদর ইউনিয়নের ওমর খান পাঠান
বাড়ির মৃত খুরশিদ আলমের
ছেলে এবং 'সততা অয়েল
মিলস'-এর স্বত্বাধিকারী ছিলেন।
প্রত্যক্ষদর্শী
ও স্থানীয় সূত্র জানায়, গত মঙ্গলবার বিকেলে
মাসুদ তার কারখানায় ইউটিউব
থেকে শেখা একটি বিশেষ
প্রক্রিয়ায় অকটেন তৈরির পরীক্ষা-নিরীক্ষা চালাচ্ছিলেন। এ সময় কারিগরি
ত্রুটি ও অতিরিক্ত তাপমাত্রার
কারণে একটি পাইপ বিকট
শব্দে বিস্ফোরিত হয়। এতে মাসুদ
ও তার সহকর্মী ওমর
ফারুক গুরুতর দগ্ধ হন। স্থানীয়রা
তাদের উদ্ধার করে প্রথমে ফেনী
জেনারেল হাসপাতালে এবং পরে অবস্থার
অবনতি হলে দ্রুত ঢাকা
মেডিকেলে পাঠায়।
সেখানে
চারদিন ‘যমে-মানুষে’ লড়াই
করার পর আজ সকালে
মৃত্যুর কোলে ঢলে পড়েন
তিনি।
ঘটনার
বিষয়ে নিহতের ভাই মোর্শেদ জানান,
আমার ভাই সবসময় নতুন
কিছু করার চেষ্টা করতেন।
তিনি নতুন একটি পদ্ধতিতে
অকটেন তৈরির কাজ করছিলেন। কিন্তু
হঠাৎ তাপমাত্রা নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে যাওয়ায় পাইপ
বিস্ফোরিত হয়ে এই দুর্ঘটনা
ঘটে।
এদিকে
স্থানীয় স্বেচ্ছাসেবী সংগঠক জিয়া উদ্দিন হৃদয়
বলেন, আমরা প্রায় সময়ই
দেখতাম মাসুদ ভাই ইউটিউব দেখে
দেখে নতুন কিছু উদ্ভাবনের
চেষ্টা করতেন। সম্প্রতি অকটেন তৈরির একটি পদ্ধতি অনুসরণ
করতে গিয়ে তিনি এই
দুর্ঘটনার শিকার হন।
পুলিশের
পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে,
ঘটনার পরপরই তারা দুর্ঘটনাস্থল পরিদর্শন
করেছে। সোনাগাজী মডেল থানার পরিদর্শক
(তদন্ত) শফিকুর রহমান বলেন, বিস্ফোরণের পর পুলিশ ঘটনাস্থল
পরিদর্শন করে আলামত সংগ্রহ
করেছে। আহত ব্যবসায়ীর মৃত্যুর
বিষয়টি আমরা অবগত হয়েছি।
এই মর্মান্তিক ঘটনায় প্রয়োজনীয় আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হচ্ছে। একজন
ব্যবসায়ীর এমন অপমৃত্যুতে এলাকায়
চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে।

শনিবার, ১৮ এপ্রিল ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৮ এপ্রিল ২০২৬
ফেনীর সোনাগাজীতে ইউটিউব দেখে বিকল্প পদ্ধতিতে অকটেন তৈরির চেষ্টাকালে ভয়াবহ বিস্ফোরণে দগ্ধ ব্যবসায়ী নুর আলম মাসুদ শেষ পর্যন্ত মারা গেছেন। ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের বার্ন অ্যান্ড প্লাস্টিক সার্জারি ইউনিটে চিকিৎসাধীন অবস্থায় শনিবার সকালে মৃত্যু হয় তার।
মঙ্গলবার
বিকেলে পৌরসভার নজরুল প্রাইমারি স্কুল এলাকায় এই মর্মান্তিক দুর্ঘটনাটি
ঘটে। নিহত মাসুদ সোনাগাজী
সদর ইউনিয়নের ওমর খান পাঠান
বাড়ির মৃত খুরশিদ আলমের
ছেলে এবং 'সততা অয়েল
মিলস'-এর স্বত্বাধিকারী ছিলেন।
প্রত্যক্ষদর্শী
ও স্থানীয় সূত্র জানায়, গত মঙ্গলবার বিকেলে
মাসুদ তার কারখানায় ইউটিউব
থেকে শেখা একটি বিশেষ
প্রক্রিয়ায় অকটেন তৈরির পরীক্ষা-নিরীক্ষা চালাচ্ছিলেন। এ সময় কারিগরি
ত্রুটি ও অতিরিক্ত তাপমাত্রার
কারণে একটি পাইপ বিকট
শব্দে বিস্ফোরিত হয়। এতে মাসুদ
ও তার সহকর্মী ওমর
ফারুক গুরুতর দগ্ধ হন। স্থানীয়রা
তাদের উদ্ধার করে প্রথমে ফেনী
জেনারেল হাসপাতালে এবং পরে অবস্থার
অবনতি হলে দ্রুত ঢাকা
মেডিকেলে পাঠায়।
সেখানে
চারদিন ‘যমে-মানুষে’ লড়াই
করার পর আজ সকালে
মৃত্যুর কোলে ঢলে পড়েন
তিনি।
ঘটনার
বিষয়ে নিহতের ভাই মোর্শেদ জানান,
আমার ভাই সবসময় নতুন
কিছু করার চেষ্টা করতেন।
তিনি নতুন একটি পদ্ধতিতে
অকটেন তৈরির কাজ করছিলেন। কিন্তু
হঠাৎ তাপমাত্রা নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে যাওয়ায় পাইপ
বিস্ফোরিত হয়ে এই দুর্ঘটনা
ঘটে।
এদিকে
স্থানীয় স্বেচ্ছাসেবী সংগঠক জিয়া উদ্দিন হৃদয়
বলেন, আমরা প্রায় সময়ই
দেখতাম মাসুদ ভাই ইউটিউব দেখে
দেখে নতুন কিছু উদ্ভাবনের
চেষ্টা করতেন। সম্প্রতি অকটেন তৈরির একটি পদ্ধতি অনুসরণ
করতে গিয়ে তিনি এই
দুর্ঘটনার শিকার হন।
পুলিশের
পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে,
ঘটনার পরপরই তারা দুর্ঘটনাস্থল পরিদর্শন
করেছে। সোনাগাজী মডেল থানার পরিদর্শক
(তদন্ত) শফিকুর রহমান বলেন, বিস্ফোরণের পর পুলিশ ঘটনাস্থল
পরিদর্শন করে আলামত সংগ্রহ
করেছে। আহত ব্যবসায়ীর মৃত্যুর
বিষয়টি আমরা অবগত হয়েছি।
এই মর্মান্তিক ঘটনায় প্রয়োজনীয় আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হচ্ছে। একজন
ব্যবসায়ীর এমন অপমৃত্যুতে এলাকায়
চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে।

আপনার মতামত লিখুন