সংবাদ

সংরক্ষিত আসন এবং উত্তরবঙ্গের আদিবাসী নারী


মিথুশিলাক মুরমু
মিথুশিলাক মুরমু
প্রকাশ: ১৮ এপ্রিল ২০২৬, ০৫:২৪ পিএম

সংরক্ষিত আসন এবং উত্তরবঙ্গের আদিবাসী নারী
সংরক্ষিত নারী আসনে বারবার বৃহত্তর উত্তরবঙ্গের আদিবাসীরা উপেক্ষিত হয়েছে

স্বাধীনোত্তর যতগুলো জাতীয় নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়েছে, আদিবাসী পুরুষরা সরাসরি প্রতিদ্বন্দ্বিতা করলেও কখনোই নির্বাচিত হতে পারেননি| আর নারীরা সংরক্ষিত আসন ব্যতীত সাহস দেখাতে পারেননি| বিগত সময়ে দু-একজন নারী মনোনয়নপত্র সংগ্রহ ও জমা দিলেও দলীয়ভাবে মনোনয়ন আদায় করতে পারেননি| সংরক্ষিত নারী আসনে বারবার বৃহত্তর উত্তরবঙ্গের আদিবাসীরা উপেক্ষিত, অবহেলিত ও বঞ্চিত হয়ে আসছে| আমরা লক্ষ্য করেছি, অতীতে আদিবাসীদের পক্ষে জাতীয় সংসদে চাকমা, রাখাইন, মারমা ও তঞ্চঙ্গ্যা নারীরা একাধিকবার প্রতিনিধিত্ব করেছেন—এর বাইরে তেমন নজির নেই| স্বাধীনতার সুবর্ণজয়ন্তী উদযাপনের পরও উত্তরবঙ্গের আদিবাসী নারীরা সংরক্ষিত নারী আসনে প্রতিনিধিত্বের সুযোগ পাননি| পার্বত্য চট্টগ্রামের নির্বাচনী আসনগুলো থেকে আদিবাসীরা প্রতিদ্বন্দ্বিতা করে নির্বাচিত হয়ে আসছেন, যা এখনও বিদ্যমান; পাশাপাশি সংরক্ষিত আসনেও নারীদের অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে| কিন্তু জাতীয় সংসদে নির্বাচিত আদিবাসী নারী-পুরুষেরা নিজেদের নির্বাচনী এলাকা নিয়েই ব্যস্ত থেকেছেন; অন্য অঞ্চলের আদিবাসীদের আশা-আকাঙ্ক্ষা, চাওয়া-পাওয়া, সুখ-দুঃখের বিষয়ে তাদের তেমন সরব হতে দেখা যায়নি| ফলে রাজনৈতিক, অর্থনৈতিক ও ক্ষমতায়নের দিক থেকে উত্তরবঙ্গের আদিবাসীরা এখনও প্রান্তিক পর্যায়েই অবস্থান করছেন| আমরা বিশ্বাস করি, একমাত্র সুযোগের অভাবেই তাদের মেধা, মনন ও দক্ষতার বিকাশ ঘটেনি| 

নির্বাচন কমিশন ৮ এপ্রিল তফসিল ঘোষণার পর সংরক্ষিত নারী আসনে ইতোমধ্যে ৩৬১ জন বিএনপি, ১৩ জন জামায়াতে ইসলামী এবং একজন বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের পক্ষে মনোনয়নপত্র সংগ্রহ করেছেন| ২১ এপ্রিল মনোনয়নপত্র জমা, ২৯ এপ্রিল প্রার্থিতা প্রত্যাহার এবং ৩০ এপ্রিল প্রতীক বরাদ্দ দেয়া হবে| তফসিল অনুযায়ী আগামী ১২ মে ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হবে| কমিশনের তথ্য অনুযায়ী বিএনপি ও তার জোট ৩৬টি আসন, জামায়াতে ইসলামী ও তার শরিকরা ১৩টি আসন এবং ছয়জন স্বতন্ত্র সংসদ সদস্যের জোট একটি আসন পাবে| ৬ এপ্রিল সংরক্ষিত নারী আসনের ভোটার তালিকা প্রকাশ করা হয়েছে; তালিকা অনুযায়ী ২৯৮ জন সংসদ সদস্য ভোট দেবেন| দলের পক্ষ থেকে চূড়ান্ত মনোনীত ব্যক্তিরাই সংরক্ষিত আসনে আগামী পাঁচ বছরের জন্য নির্বাচিত হবেন| 

আমরা জেনেছি, বৃহত্তর উত্তরবঙ্গ থেকে একাধিক আদিবাসী নারী সংরক্ষিত নারী আসনের জন্য মনোনয়নপত্র সংগ্রহ করেছেন| অতীতের সরকারগুলো উত্তরবঙ্গকে যথাযথ মূল্যায়ন করেনি; লাখ লাখ আদিবাসীর দাবি-দাওয়া ও মনের কথা অপ্রকাশিতই থেকে গেছে| বর্তমান বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলই এ বিষয়ে কিছুটা সক্রিয়তা দেখিয়েছে| 

ত্রয়োদশ জাতীয় নির্বাচনের প্রচারণায় বর্তমান প্রধানমন্ত্রী ৭ ফেব্রুয়ারি দিনাজপুরের বিরামপুর সরকারি কলেজ মাঠে এক জনসভায় বলেন, ‘এই এলাকার মুসলমান, হিন্দু, আদিবাসী, খ্রিস্টান, বৌদ্ধ—সবাই মিলে আমরা আমাদের রাজনৈতিক অধিকার প্রয়োগ করব| আমাদের পরিচয় হবে মেধা ও যোগ্যতার ভিত্তিতে; ধর্ম নয়|’ 

প্রধানমন্ত্রীর পারিবারিক শিকড় দিনাজপুরের বিরামপুরে| এ অঞ্চলে সাঁওতাল, উরাঁও, মাহালী, মুণ্ডা, রাজোয়াড় ও পাহান সম্প্রদায় বহু শতাব্দী ধরে বসবাস করে আসছে| তাদের পূর্বপুরুষরা পারস্পরিক সম্প্রীতির মধ্য দিয়ে জীবনযাপন করেছেন| আমরা বিশ্বাস করি, প্রধানমন্ত্রী উত্তরবঙ্গের আদিবাসী নারীদের সংরক্ষিত আসনে অন্তর্ভুক্তির বিষয়ে যুগোপযোগী সিদ্ধান্ত নেবেন| 

সরকার গঠনের পর থেকেই বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর একাধিকবার আদিবাসী প্রতিনিধিদের সঙ্গে মতবিনিময় করেছেন| গত ৩১ মার্চ ঢাকায় এক আলোচনা সভায় তিনি আদিবাসীদের ‘ভূমিপুত্র’ হিসেবে উল্লেখ করে বলেন, তারা এ দেশের অবিচ্ছেদ্য অংশ এবং তাদের অধিকার অন্য সব নাগরিকের মতোই সমান| তিনি একটি বহুসাংস্কৃতিক রাষ্ট্র গঠনের প্রত্যাশা ব্যক্ত করেন এবং আদিবাসী সংস্কৃতির স্বাতন্ত্র্য তুলে ধরার কথাও বলেন| একই সঙ্গে তিনি আশা প্রকাশ করেন, এবার সংরক্ষিত নারী আসনে ক্ষুদ্র জাতিগোষ্ঠীর একজন প্রতিনিধি নির্বাচিত হতে পারেন| 

আমরা উত্তরবঙ্গের আদিবাসীরা আশাবাদী| দেশের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ নেতার জন্ম ও শিকড় উত্তরবঙ্গেই| সংরক্ষিত নারী আসনের মাধ্যমে এই অঞ্চলের আদিবাসীদের কথা জাতীয় সংসদে প্রতিফলিত হলে তা নীতি নির্ধারণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে| অতীতে বাসন্তী চাকমা, গ্যোরভতি তঞ্চঙ্গ্যা, মানজু মারমা, এথিন রাখাইন, ম্যাম্যাচিন মারমাদের উপস্থিতি আমাদের গর্বিত করেছে| এবার উত্তরবঙ্গের আদিবাসী নারীদের সুযোগ দেয়া হলে সাঁওতাল, মাহালী, উরাঁও, মুণ্ডা, রাজোয়াড়, সিং, রায়, বর্মন, পাহান, কোলসহ বিভিন্ন জনগোষ্ঠীর প্রান্তিক বাস্তবতা সামনে আসবে| কোডা, কোড়া, ভীল, তুরী ও পাহাড়িয়াদের সংগ্রামের কথাও জাতীয় পর্যায়ে গুরুত্ব পাবে| 

সরকারের সঠিক সিদ্ধান্তই আদিবাসীদের ভাষা, ঐতিহ্য ও সংস্কৃতির ম্ববৈচিত্র্য সংরক্ষণে সহায়ক হবে| তাই আর উপেক্ষা নয়—সময়ের দাবি বিবেচনায় সংরক্ষিত নারী আসনের একটি উত্তরবঙ্গের আদিবাসী নারীদের জন্য বরাদ্দ করা হলে তা হবে ন্যায়সংগত ও দূরদর্শী পদক্ষেপ| 

[লেখক: কলামিস্ট]

আপনার মতামত লিখুন

সংবাদ

শনিবার, ১৮ এপ্রিল ২০২৬


সংরক্ষিত আসন এবং উত্তরবঙ্গের আদিবাসী নারী

প্রকাশের তারিখ : ১৮ এপ্রিল ২০২৬

featured Image

স্বাধীনোত্তর যতগুলো জাতীয় নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়েছে, আদিবাসী পুরুষরা সরাসরি প্রতিদ্বন্দ্বিতা করলেও কখনোই নির্বাচিত হতে পারেননি| আর নারীরা সংরক্ষিত আসন ব্যতীত সাহস দেখাতে পারেননি| বিগত সময়ে দু-একজন নারী মনোনয়নপত্র সংগ্রহ ও জমা দিলেও দলীয়ভাবে মনোনয়ন আদায় করতে পারেননি| সংরক্ষিত নারী আসনে বারবার বৃহত্তর উত্তরবঙ্গের আদিবাসীরা উপেক্ষিত, অবহেলিত ও বঞ্চিত হয়ে আসছে| আমরা লক্ষ্য করেছি, অতীতে আদিবাসীদের পক্ষে জাতীয় সংসদে চাকমা, রাখাইন, মারমা ও তঞ্চঙ্গ্যা নারীরা একাধিকবার প্রতিনিধিত্ব করেছেন—এর বাইরে তেমন নজির নেই| স্বাধীনতার সুবর্ণজয়ন্তী উদযাপনের পরও উত্তরবঙ্গের আদিবাসী নারীরা সংরক্ষিত নারী আসনে প্রতিনিধিত্বের সুযোগ পাননি| পার্বত্য চট্টগ্রামের নির্বাচনী আসনগুলো থেকে আদিবাসীরা প্রতিদ্বন্দ্বিতা করে নির্বাচিত হয়ে আসছেন, যা এখনও বিদ্যমান; পাশাপাশি সংরক্ষিত আসনেও নারীদের অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে| কিন্তু জাতীয় সংসদে নির্বাচিত আদিবাসী নারী-পুরুষেরা নিজেদের নির্বাচনী এলাকা নিয়েই ব্যস্ত থেকেছেন; অন্য অঞ্চলের আদিবাসীদের আশা-আকাঙ্ক্ষা, চাওয়া-পাওয়া, সুখ-দুঃখের বিষয়ে তাদের তেমন সরব হতে দেখা যায়নি| ফলে রাজনৈতিক, অর্থনৈতিক ও ক্ষমতায়নের দিক থেকে উত্তরবঙ্গের আদিবাসীরা এখনও প্রান্তিক পর্যায়েই অবস্থান করছেন| আমরা বিশ্বাস করি, একমাত্র সুযোগের অভাবেই তাদের মেধা, মনন ও দক্ষতার বিকাশ ঘটেনি| 

নির্বাচন কমিশন ৮ এপ্রিল তফসিল ঘোষণার পর সংরক্ষিত নারী আসনে ইতোমধ্যে ৩৬১ জন বিএনপি, ১৩ জন জামায়াতে ইসলামী এবং একজন বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের পক্ষে মনোনয়নপত্র সংগ্রহ করেছেন| ২১ এপ্রিল মনোনয়নপত্র জমা, ২৯ এপ্রিল প্রার্থিতা প্রত্যাহার এবং ৩০ এপ্রিল প্রতীক বরাদ্দ দেয়া হবে| তফসিল অনুযায়ী আগামী ১২ মে ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হবে| কমিশনের তথ্য অনুযায়ী বিএনপি ও তার জোট ৩৬টি আসন, জামায়াতে ইসলামী ও তার শরিকরা ১৩টি আসন এবং ছয়জন স্বতন্ত্র সংসদ সদস্যের জোট একটি আসন পাবে| ৬ এপ্রিল সংরক্ষিত নারী আসনের ভোটার তালিকা প্রকাশ করা হয়েছে; তালিকা অনুযায়ী ২৯৮ জন সংসদ সদস্য ভোট দেবেন| দলের পক্ষ থেকে চূড়ান্ত মনোনীত ব্যক্তিরাই সংরক্ষিত আসনে আগামী পাঁচ বছরের জন্য নির্বাচিত হবেন| 

আমরা জেনেছি, বৃহত্তর উত্তরবঙ্গ থেকে একাধিক আদিবাসী নারী সংরক্ষিত নারী আসনের জন্য মনোনয়নপত্র সংগ্রহ করেছেন| অতীতের সরকারগুলো উত্তরবঙ্গকে যথাযথ মূল্যায়ন করেনি; লাখ লাখ আদিবাসীর দাবি-দাওয়া ও মনের কথা অপ্রকাশিতই থেকে গেছে| বর্তমান বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলই এ বিষয়ে কিছুটা সক্রিয়তা দেখিয়েছে| 

ত্রয়োদশ জাতীয় নির্বাচনের প্রচারণায় বর্তমান প্রধানমন্ত্রী ৭ ফেব্রুয়ারি দিনাজপুরের বিরামপুর সরকারি কলেজ মাঠে এক জনসভায় বলেন, ‘এই এলাকার মুসলমান, হিন্দু, আদিবাসী, খ্রিস্টান, বৌদ্ধ—সবাই মিলে আমরা আমাদের রাজনৈতিক অধিকার প্রয়োগ করব| আমাদের পরিচয় হবে মেধা ও যোগ্যতার ভিত্তিতে; ধর্ম নয়|’ 

প্রধানমন্ত্রীর পারিবারিক শিকড় দিনাজপুরের বিরামপুরে| এ অঞ্চলে সাঁওতাল, উরাঁও, মাহালী, মুণ্ডা, রাজোয়াড় ও পাহান সম্প্রদায় বহু শতাব্দী ধরে বসবাস করে আসছে| তাদের পূর্বপুরুষরা পারস্পরিক সম্প্রীতির মধ্য দিয়ে জীবনযাপন করেছেন| আমরা বিশ্বাস করি, প্রধানমন্ত্রী উত্তরবঙ্গের আদিবাসী নারীদের সংরক্ষিত আসনে অন্তর্ভুক্তির বিষয়ে যুগোপযোগী সিদ্ধান্ত নেবেন| 

সরকার গঠনের পর থেকেই বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর একাধিকবার আদিবাসী প্রতিনিধিদের সঙ্গে মতবিনিময় করেছেন| গত ৩১ মার্চ ঢাকায় এক আলোচনা সভায় তিনি আদিবাসীদের ‘ভূমিপুত্র’ হিসেবে উল্লেখ করে বলেন, তারা এ দেশের অবিচ্ছেদ্য অংশ এবং তাদের অধিকার অন্য সব নাগরিকের মতোই সমান| তিনি একটি বহুসাংস্কৃতিক রাষ্ট্র গঠনের প্রত্যাশা ব্যক্ত করেন এবং আদিবাসী সংস্কৃতির স্বাতন্ত্র্য তুলে ধরার কথাও বলেন| একই সঙ্গে তিনি আশা প্রকাশ করেন, এবার সংরক্ষিত নারী আসনে ক্ষুদ্র জাতিগোষ্ঠীর একজন প্রতিনিধি নির্বাচিত হতে পারেন| 

আমরা উত্তরবঙ্গের আদিবাসীরা আশাবাদী| দেশের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ নেতার জন্ম ও শিকড় উত্তরবঙ্গেই| সংরক্ষিত নারী আসনের মাধ্যমে এই অঞ্চলের আদিবাসীদের কথা জাতীয় সংসদে প্রতিফলিত হলে তা নীতি নির্ধারণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে| অতীতে বাসন্তী চাকমা, গ্যোরভতি তঞ্চঙ্গ্যা, মানজু মারমা, এথিন রাখাইন, ম্যাম্যাচিন মারমাদের উপস্থিতি আমাদের গর্বিত করেছে| এবার উত্তরবঙ্গের আদিবাসী নারীদের সুযোগ দেয়া হলে সাঁওতাল, মাহালী, উরাঁও, মুণ্ডা, রাজোয়াড়, সিং, রায়, বর্মন, পাহান, কোলসহ বিভিন্ন জনগোষ্ঠীর প্রান্তিক বাস্তবতা সামনে আসবে| কোডা, কোড়া, ভীল, তুরী ও পাহাড়িয়াদের সংগ্রামের কথাও জাতীয় পর্যায়ে গুরুত্ব পাবে| 

সরকারের সঠিক সিদ্ধান্তই আদিবাসীদের ভাষা, ঐতিহ্য ও সংস্কৃতির ম্ববৈচিত্র্য সংরক্ষণে সহায়ক হবে| তাই আর উপেক্ষা নয়—সময়ের দাবি বিবেচনায় সংরক্ষিত নারী আসনের একটি উত্তরবঙ্গের আদিবাসী নারীদের জন্য বরাদ্দ করা হলে তা হবে ন্যায়সংগত ও দূরদর্শী পদক্ষেপ| 

[লেখক: কলামিস্ট]


সংবাদ

সম্পাদক ও প্রকাশক
আলতামাশ কবির

নির্বাহী সম্পাদক
শাহরিয়ার করিম

প্রধান, ডিজিটাল সংস্করণ
রাশেদ আহমেদ


কপিরাইট © ২০২৬ | সংবাদ | সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত