ইসলামাবাদে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে বহুল প্রতীক্ষিত শান্তি আলোচনার ঠিক আগমুহূর্তে ইরানের প্রেসিডেন্ট মাসুদ পেজেশকিয়ানের সঙ্গে টেলিফোনে কথা বলেছেন পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী শেহবাজ শরীফ। রবিবার রাতে অনুষ্ঠিত এই দীর্ঘ ফোনালাপে মধ্যপ্রাচ্যের বর্তমান উত্তেজনা নিরসনে পাকিস্তান ‘নিরপেক্ষ মধ্যস্থতাকারী’ হিসেবে কাজ করার অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করেছে।
বার্তা সংস্থা এএফপি জানিয়েছে, ফোনালাপটি প্রায় ৪৫ মিনিট
স্থায়ী হয়। প্রধানমন্ত্রী শেহবাজ শরীফ সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম এক্সে (সাবেক টুইটার)
দেওয়া এক পোস্টে এই আলোচনাকে ‘আন্তরিক ও গঠনমূলক’ হিসেবে বর্ণনা করেছেন।
ফোনালাপে প্রধানমন্ত্রী শেহবাজ শরীফ সম্প্রতি তার সৌদি আরব,
কাতার ও তুরস্ক সফরের বিষয়ে প্রেসিডেন্ট পেজেশকিয়ানকে অবহিত করেন। তিনি বলেন, “টেকসই
শান্তি ও আঞ্চলিক স্থিতিশীলতা বজায় রাখতে পাকিস্তান একটি আন্তরিক ও নিরপেক্ষ মধ্যস্থতাকারীর
ভূমিকায় সম্পূর্ণভাবে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।”
উল্লেখ্য, গত ১১-১২ এপ্রিল ইসলামাবাদে অনুষ্ঠিত প্রথম দফার
আলোচনায় ইরানের প্রতিনিধি দল পাঠানোর জন্য তেহরানকে ধন্যবাদ জানান তিনি।
মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প সোমবার (২০ এপ্রিল)
আলোচনার জন্য একটি উচ্চপর্যায়ের প্রতিনিধি দল ইসলামাবাদে পাঠাচ্ছেন। আগামী বুধবার
(২২ এপ্রিল) বর্তমান দুই সপ্তাহের যুদ্ধবিরতির মেয়াদ শেষ হওয়ার মাত্র একদিন আগে এই
আলোচনা হওয়ার কথা রয়েছে।
তবে ওমান উপসাগরে ইরানি পণ্যবাহী জাহাজে মার্কিন বাহিনীর
সাম্প্রতিক হামলা এবং জাহাজটি আটকের ঘটনায় তেহরানের মধ্যে তীব্র অসন্তোষ বিরাজ করছে।
এ কারণে আজ ইসলামাবাদে অনুষ্ঠিত হতে যাওয়া দ্বিতীয় দফার এই বৈঠকে ইরান শেষ পর্যন্ত
অংশ নেবে কি না, তা নিয়ে এখনও অনিশ্চয়তা কাটেনি।
বিশ্লেষকরা বলছেন, পাকিস্তানের সেনাপ্রধান ফিল্ড মার্শাল
আসিম মুনিরের সাম্প্রতিক তেহরান সফর এবং প্রধানমন্ত্রী শেহবাজ শরীফের এই ফোনালাপ মূলত
ইরানকে আলোচনার টেবিলে ফিরিয়ে আনার একটি বড় প্রচেষ্টা।
মধ্যপ্রাচ্যে বড় ধরনের সংঘাত এড়াতে এবং যুদ্ধবিরতির মেয়াদ
বাড়াতে ইসলামাবাদের এই মধ্যস্থতা এখন বিশ্ব রাজনীতির কেন্দ্রবিন্দুতে পরিণত হয়েছে।

সোমবার, ২০ এপ্রিল ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২০ এপ্রিল ২০২৬
ইসলামাবাদে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে বহুল প্রতীক্ষিত শান্তি আলোচনার ঠিক আগমুহূর্তে ইরানের প্রেসিডেন্ট মাসুদ পেজেশকিয়ানের সঙ্গে টেলিফোনে কথা বলেছেন পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী শেহবাজ শরীফ। রবিবার রাতে অনুষ্ঠিত এই দীর্ঘ ফোনালাপে মধ্যপ্রাচ্যের বর্তমান উত্তেজনা নিরসনে পাকিস্তান ‘নিরপেক্ষ মধ্যস্থতাকারী’ হিসেবে কাজ করার অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করেছে।
বার্তা সংস্থা এএফপি জানিয়েছে, ফোনালাপটি প্রায় ৪৫ মিনিট
স্থায়ী হয়। প্রধানমন্ত্রী শেহবাজ শরীফ সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম এক্সে (সাবেক টুইটার)
দেওয়া এক পোস্টে এই আলোচনাকে ‘আন্তরিক ও গঠনমূলক’ হিসেবে বর্ণনা করেছেন।
ফোনালাপে প্রধানমন্ত্রী শেহবাজ শরীফ সম্প্রতি তার সৌদি আরব,
কাতার ও তুরস্ক সফরের বিষয়ে প্রেসিডেন্ট পেজেশকিয়ানকে অবহিত করেন। তিনি বলেন, “টেকসই
শান্তি ও আঞ্চলিক স্থিতিশীলতা বজায় রাখতে পাকিস্তান একটি আন্তরিক ও নিরপেক্ষ মধ্যস্থতাকারীর
ভূমিকায় সম্পূর্ণভাবে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।”
উল্লেখ্য, গত ১১-১২ এপ্রিল ইসলামাবাদে অনুষ্ঠিত প্রথম দফার
আলোচনায় ইরানের প্রতিনিধি দল পাঠানোর জন্য তেহরানকে ধন্যবাদ জানান তিনি।
মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প সোমবার (২০ এপ্রিল)
আলোচনার জন্য একটি উচ্চপর্যায়ের প্রতিনিধি দল ইসলামাবাদে পাঠাচ্ছেন। আগামী বুধবার
(২২ এপ্রিল) বর্তমান দুই সপ্তাহের যুদ্ধবিরতির মেয়াদ শেষ হওয়ার মাত্র একদিন আগে এই
আলোচনা হওয়ার কথা রয়েছে।
তবে ওমান উপসাগরে ইরানি পণ্যবাহী জাহাজে মার্কিন বাহিনীর
সাম্প্রতিক হামলা এবং জাহাজটি আটকের ঘটনায় তেহরানের মধ্যে তীব্র অসন্তোষ বিরাজ করছে।
এ কারণে আজ ইসলামাবাদে অনুষ্ঠিত হতে যাওয়া দ্বিতীয় দফার এই বৈঠকে ইরান শেষ পর্যন্ত
অংশ নেবে কি না, তা নিয়ে এখনও অনিশ্চয়তা কাটেনি।
বিশ্লেষকরা বলছেন, পাকিস্তানের সেনাপ্রধান ফিল্ড মার্শাল
আসিম মুনিরের সাম্প্রতিক তেহরান সফর এবং প্রধানমন্ত্রী শেহবাজ শরীফের এই ফোনালাপ মূলত
ইরানকে আলোচনার টেবিলে ফিরিয়ে আনার একটি বড় প্রচেষ্টা।
মধ্যপ্রাচ্যে বড় ধরনের সংঘাত এড়াতে এবং যুদ্ধবিরতির মেয়াদ
বাড়াতে ইসলামাবাদের এই মধ্যস্থতা এখন বিশ্ব রাজনীতির কেন্দ্রবিন্দুতে পরিণত হয়েছে।

আপনার মতামত লিখুন