সিরিজ জয়ের সমীকরণ মাথায় নিয়েও ব্যাটিং ব্যর্থতার এক চরম নজির দেখাল বাংলাদেশ। নিয়মিত উইকেট পতনে ১৪.২ ওভারে মাত্র ১০২ রানে গুটিয়ে যায় টাইগাররা। নেই কোনো লড়াই, নেই প্রতিরোধ।
বৃষ্টিতে শেষ ম্যাচ পণ্ড থাকায় প্রথম ম্যাচে জিতে সিরিজে ১-০ ব্যবধানে এগিয়ে থাকা বাংলাদেশের সামনে সিরিজ জয়ের স্বপ্ন ধুলিসাৎ হওয়ার পথে।
শনিবার (২ মে) মিরপুর শেরেবাংলা জাতীয় ক্রিকেট স্টেডিয়ামে তৃতীয় ও শেষ টি-টোয়েন্টিতে নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে টস হেরে ব্যাট করতে নেমে শুরু থেকেই উইকেট হারাতে থাকে বাংলাদেশ।
ওপেনার সাইফ হাসান ১০ বলে ১৬ রান করে আউট হলে ইনিংসের চতুর্থ ওভারে শুরু হয় বিপর্যয়। তার বিদায়ের পর দলীয় ৩৫ রানে ফেরেন তানজিদ হাসান তামিম ও পারভেজ হোসেন ইমন। দুই ডিজিটের স্কোর করতে পারেননি তারা।
অধিনায়ক লিটন দাস ১৭ বলে ২৩ রান করে ফেরেন যখন দলীয় স্কোর ৬৮। তার পর আসা-যাওয়ার মিছিলে যোগ দেন বাকি ব্যাটসম্যানরা।
তাওহীদ হৃদয় ২৪ বলে তিন চার ও দুটি ছক্কায় ৩৩ রান করলেও তার ব্যাটিং বাদে অন্য কেউ প্রতিরোধ গড়তে পারেননি। দলের ৮ ব্যাটসম্যানই দুই অঙ্কের রান করতে ব্যর্থ হয়েছেন। অল্প বৃষ্টির কারণে ৫ ওভার কমলেও পুরো ওভার খেলতে পারেনি বাংলাদেশ।
প্রথম ম্যাচে জিতে ১-০ ব্যবধানে এগিয়ে ছিল টাইগাররা। দ্বিতীয় ম্যাচ বৃষ্টিতে পরিত্যক্ত হয়। আজকের ম্যাচ জিতলে সিরিজ জয়ের সুযোগ ছিল বাংলাদেশের। অন্যদিকে নিউজিল্যান্ড এই ম্যাচ জিতলে সিরিজ ড্র করতে চায়।
১০২ রানের পুঁজি তেমন বড় না হলেও বাংলাদেশের বোলারদের জন্য চ্যালেঞ্জ এখন-কীভাবে এই ছোট লক্ষ্য প্রতিপক্ষের কাছে আটকে দেওয়া যায়। ম্যাচ শেষের দিকে আকাশ অন্ধকার হয়ে আসায় সেটাও অনিশ্চিত হয়ে পড়েছে।

শনিবার, ০২ মে ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০২ মে ২০২৬
সিরিজ জয়ের সমীকরণ মাথায় নিয়েও ব্যাটিং ব্যর্থতার এক চরম নজির দেখাল বাংলাদেশ। নিয়মিত উইকেট পতনে ১৪.২ ওভারে মাত্র ১০২ রানে গুটিয়ে যায় টাইগাররা। নেই কোনো লড়াই, নেই প্রতিরোধ।
বৃষ্টিতে শেষ ম্যাচ পণ্ড থাকায় প্রথম ম্যাচে জিতে সিরিজে ১-০ ব্যবধানে এগিয়ে থাকা বাংলাদেশের সামনে সিরিজ জয়ের স্বপ্ন ধুলিসাৎ হওয়ার পথে।
শনিবার (২ মে) মিরপুর শেরেবাংলা জাতীয় ক্রিকেট স্টেডিয়ামে তৃতীয় ও শেষ টি-টোয়েন্টিতে নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে টস হেরে ব্যাট করতে নেমে শুরু থেকেই উইকেট হারাতে থাকে বাংলাদেশ।
ওপেনার সাইফ হাসান ১০ বলে ১৬ রান করে আউট হলে ইনিংসের চতুর্থ ওভারে শুরু হয় বিপর্যয়। তার বিদায়ের পর দলীয় ৩৫ রানে ফেরেন তানজিদ হাসান তামিম ও পারভেজ হোসেন ইমন। দুই ডিজিটের স্কোর করতে পারেননি তারা।
অধিনায়ক লিটন দাস ১৭ বলে ২৩ রান করে ফেরেন যখন দলীয় স্কোর ৬৮। তার পর আসা-যাওয়ার মিছিলে যোগ দেন বাকি ব্যাটসম্যানরা।
তাওহীদ হৃদয় ২৪ বলে তিন চার ও দুটি ছক্কায় ৩৩ রান করলেও তার ব্যাটিং বাদে অন্য কেউ প্রতিরোধ গড়তে পারেননি। দলের ৮ ব্যাটসম্যানই দুই অঙ্কের রান করতে ব্যর্থ হয়েছেন। অল্প বৃষ্টির কারণে ৫ ওভার কমলেও পুরো ওভার খেলতে পারেনি বাংলাদেশ।
প্রথম ম্যাচে জিতে ১-০ ব্যবধানে এগিয়ে ছিল টাইগাররা। দ্বিতীয় ম্যাচ বৃষ্টিতে পরিত্যক্ত হয়। আজকের ম্যাচ জিতলে সিরিজ জয়ের সুযোগ ছিল বাংলাদেশের। অন্যদিকে নিউজিল্যান্ড এই ম্যাচ জিতলে সিরিজ ড্র করতে চায়।
১০২ রানের পুঁজি তেমন বড় না হলেও বাংলাদেশের বোলারদের জন্য চ্যালেঞ্জ এখন-কীভাবে এই ছোট লক্ষ্য প্রতিপক্ষের কাছে আটকে দেওয়া যায়। ম্যাচ শেষের দিকে আকাশ অন্ধকার হয়ে আসায় সেটাও অনিশ্চিত হয়ে পড়েছে।

আপনার মতামত লিখুন