বাগেরহাটের চিতলমারী উপজেলার হাড়িয়ারঘোপ ও পরাণপুর গ্রামের পাশ দিয়ে বয়ে যাওয়া একমাত্র খালটি পুনরায় খননের দাবিতে মানববন্ধন করেছেন কয়েকশ গ্রামবাসী। গত কয়েক দশক ধরে সংস্কার না করায় খালটি বর্তমানে ভরাট হয়ে অস্তিত্ব সংকটে পড়েছে। এতে চরম পানি সংকটে পড়েছেন অন্তত ৫ হাজার পরিবারের ২০ থেকে ২৫ হাজার মানুষঁর
শনিবার (২ মে) বিকেলে উপজেলার ওই খালের পাড়ে সমবেত হয়ে এলাকাবাসী এই মানববন্ধন কর্মসূচি পালন করেন
মানববন্ধনে অংশ নেওয়া কৃষক রত্তন শেখ বলেন, ‘এই খালের পানি দিয়ে আগে প্রায় ৩০০ একর জমিতে চাষাবাদ করা যেত। কিন্তু এখন খাল ভরাট হয়ে যাওয়ায় সেচ দেওয়ার মতো পানি মিলছে না। ফলে কৃষিকাজ ব্যাহত হচ্ছে।’
স্থানীয় বাসিন্দা সেলিম কাজী বলেন, পানির সমস্যা এখন তাদের জীবনকে অতিষ্ঠ করে তুলেছে। খালের পানি না থাকায় তারা বাধ্য হয়ে আর্সেনিকযুক্ত টিউবওয়েলের পানি ব্যবহার করছেন। এর ফলে এলাকায় চর্মরোগের প্রকোপ বাড়ছে। দ্রুত খালটি খনন করা না হলে এলাকাটি বসবাসের অযোগ্য হয়ে পড়বে বলে তিনি আশঙ্কা প্রকাশ করেন।
এ বিষয়ে বাগেরহাট জেলা পানি উন্নয়ন বোর্ডের (পাউবো) নির্বাহী প্রকৌশলী শাহ আলম বলেন, খালটি খননের উদ্যোগ আগে নেওয়া হলেও জায়গার মালিকানা নিয়ে কিছু জটিলতা থাকায় কাজ থমকে গেছে। তবে এলাকাবাসী যদি ভূমি সংক্রান্ত বিষয়ে সহযোগিতা করেন, তবে দ্রুত খননকাজ শুরু করা সম্ভব হবে। বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনা করা হচ্ছে বলে তিনি জানান।

রোববার, ০৩ মে ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৩ মে ২০২৬
বাগেরহাটের চিতলমারী উপজেলার হাড়িয়ারঘোপ ও পরাণপুর গ্রামের পাশ দিয়ে বয়ে যাওয়া একমাত্র খালটি পুনরায় খননের দাবিতে মানববন্ধন করেছেন কয়েকশ গ্রামবাসী। গত কয়েক দশক ধরে সংস্কার না করায় খালটি বর্তমানে ভরাট হয়ে অস্তিত্ব সংকটে পড়েছে। এতে চরম পানি সংকটে পড়েছেন অন্তত ৫ হাজার পরিবারের ২০ থেকে ২৫ হাজার মানুষঁর
শনিবার (২ মে) বিকেলে উপজেলার ওই খালের পাড়ে সমবেত হয়ে এলাকাবাসী এই মানববন্ধন কর্মসূচি পালন করেন
মানববন্ধনে অংশ নেওয়া কৃষক রত্তন শেখ বলেন, ‘এই খালের পানি দিয়ে আগে প্রায় ৩০০ একর জমিতে চাষাবাদ করা যেত। কিন্তু এখন খাল ভরাট হয়ে যাওয়ায় সেচ দেওয়ার মতো পানি মিলছে না। ফলে কৃষিকাজ ব্যাহত হচ্ছে।’
স্থানীয় বাসিন্দা সেলিম কাজী বলেন, পানির সমস্যা এখন তাদের জীবনকে অতিষ্ঠ করে তুলেছে। খালের পানি না থাকায় তারা বাধ্য হয়ে আর্সেনিকযুক্ত টিউবওয়েলের পানি ব্যবহার করছেন। এর ফলে এলাকায় চর্মরোগের প্রকোপ বাড়ছে। দ্রুত খালটি খনন করা না হলে এলাকাটি বসবাসের অযোগ্য হয়ে পড়বে বলে তিনি আশঙ্কা প্রকাশ করেন।
এ বিষয়ে বাগেরহাট জেলা পানি উন্নয়ন বোর্ডের (পাউবো) নির্বাহী প্রকৌশলী শাহ আলম বলেন, খালটি খননের উদ্যোগ আগে নেওয়া হলেও জায়গার মালিকানা নিয়ে কিছু জটিলতা থাকায় কাজ থমকে গেছে। তবে এলাকাবাসী যদি ভূমি সংক্রান্ত বিষয়ে সহযোগিতা করেন, তবে দ্রুত খননকাজ শুরু করা সম্ভব হবে। বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনা করা হচ্ছে বলে তিনি জানান।

আপনার মতামত লিখুন