সংবাদ

ইউনূস সরকারের সার্বিক কাজের অনুসন্ধানে কমিশন গঠন চেয়ে রিট


সংবাদ ডিজিটাল রিপোর্ট
সংবাদ ডিজিটাল রিপোর্ট
প্রকাশ: ৪ মে ২০২৬, ১০:৫২ এএম

ইউনূস সরকারের সার্বিক কাজের অনুসন্ধানে কমিশন গঠন চেয়ে রিট

সাবেক প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূসের নেতৃত্বাধীন অন্তর্র্বতীকালীন সরকারের আমলে করা সার্বিক কাজের (কর্মকাণ্ডের) বৈধতা চ্যালেঞ্জ করে রিট আবেদন দায়ের করা হয়েছে। রিটের বিষয়টি নিশ্চিত করেন রিটকারী সিনিয়র আইনজীবী মুহাম্মদ মুহসিন রশিদ নিজে।

জানা যায়, ওই সরকারের সময় গৃহীত সিদ্ধান্তের মধ্যে বিভিন্ন বিষয়ে আইন প্রণয়ন, সংস্কার কমিশন ও দেশি-বিদেশি চুক্তির বেধতাও চ্যালেঞ্জ করা হয়েছে রিটে।

রিটে এসব বিষয়ে কমিশন গঠন করে অনুসন্ধান করার আর্জি জানানো হয়েছে। একইসঙ্গে সাবেক প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূসের বিরুদ্ধে কোনো দুর্নীতির অভিযোগ রয়েছে কি না সেটিও খতিয়ে দেখার আর্জি জানানো হয়েছে।

এর আগে শপথ ও ওই সরকারের গঠন প্রক্রিয়ার বৈধতা চ্যালেঞ্জ করে রিট আবেদন দায়ের করেছিলেন সুপ্রিম কোর্টের এই আইনজীবী। ওই রিট আবেদন হাইকোর্টের একটি বেঞ্চ খারিজ করে দিয়েছিলেন। এরপর তিনি ওই খারিজ আবেদনের বিরুদ্ধে আপিল আবেদন করেন। সেটিতে অন্তবর্তী সরকারকে বৈধ বলে আদেশ দেন সুপ্রিম কোর্ট। 

২০২৪ সালে ড. মুহাম্মদ ইউনূসের নেতৃত্বাধীন গঠিত অন্তর্র্বতীকালীন সরকারের শপথ ও এই সরকারের গঠন প্রক্রিয়াকে বৈধ ঘোষণা করে হাইকোর্টের দেওয়া রায় বহাল রেখেছেন সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগ।

একই সঙ্গে হাইকোর্টের এ সংক্রান্ত রায়ের বিরুদ্ধে রিটকারীর লিভ টু আপিলটি পর্যবেক্ষণসহ খারিজ করা হয়েছে বলে জানিয়েছেন আইনজীবীরা। তৎকালীন প্রধান বিচারপতি ড. সৈয়দ রেফাত আহমেদের নেতৃত্বাধীন সাত সদস্যের পূর্ণাঙ্গ ও নিয়মিত আপিল বেঞ্চ এই আদেশ দেন। এরপর আবার অন্তর্র্বতী সরকারের প্রধান উপদেষ্টার কার্যক্রম চ্যালেঞ্জ করে রিট আবেদন দায়ের করা হয়।

২০২৪ সালের ৫ আগস্ট আওয়ামী লীগ নেতৃত্বাধীন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা সরকারের পতনের পর ওই বছরের ৬ আগস্ট রাষ্ট্রপতি সংসদ ভেঙে দেন। এরপর ড. ইউনূসের নেতৃত্বে অন্তর্র্বতী সরকার গঠিত হয়। এ সরকার গঠন ও উপদেষ্টাদের শপথের আগে রাষ্ট্রপতি সংবিধানের ১০৬ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী সুপ্রিম কোর্টের কাছে মতামত চেয়ে রেফারেন্স পাঠান।

রাষ্ট্রপতির বিশেষ রেফারেন্স (১/২৪) অনুযায়ী তৎকালীন প্রধান বিচারপতি ওবায়দুল হাসানের নেতৃত্বাধীন সাত সদস্যের আপিল বিভাগ ওই বছরের ৮ আগস্ট মতামত দেন।

সর্বোচ্চ আদালতের মতামতে বলা হয়, রাষ্ট্রের সাংবিধানিক শূন্যতা পূরণে জরুরি প্রয়োজনে রাষ্ট্রপতি রাষ্ট্রের নির্বাহী কার্য পরিচালনার জন্য অন্তর্র্বতী ব্যবস্থা হিসেবে প্রধান উপদেষ্টা ও অন্য উপদেষ্টাদের নিয়োগ দিতে পারবেন এবং তাদের শপথ পাঠ করাতে পারবেন।

আপনার মতামত লিখুন

সংবাদ

সোমবার, ০৪ মে ২০২৬


ইউনূস সরকারের সার্বিক কাজের অনুসন্ধানে কমিশন গঠন চেয়ে রিট

প্রকাশের তারিখ : ০৪ মে ২০২৬

featured Image

সাবেক প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূসের নেতৃত্বাধীন অন্তর্র্বতীকালীন সরকারের আমলে করা সার্বিক কাজের (কর্মকাণ্ডের) বৈধতা চ্যালেঞ্জ করে রিট আবেদন দায়ের করা হয়েছে। রিটের বিষয়টি নিশ্চিত করেন রিটকারী সিনিয়র আইনজীবী মুহাম্মদ মুহসিন রশিদ নিজে।

জানা যায়, ওই সরকারের সময় গৃহীত সিদ্ধান্তের মধ্যে বিভিন্ন বিষয়ে আইন প্রণয়ন, সংস্কার কমিশন ও দেশি-বিদেশি চুক্তির বেধতাও চ্যালেঞ্জ করা হয়েছে রিটে।

রিটে এসব বিষয়ে কমিশন গঠন করে অনুসন্ধান করার আর্জি জানানো হয়েছে। একইসঙ্গে সাবেক প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূসের বিরুদ্ধে কোনো দুর্নীতির অভিযোগ রয়েছে কি না সেটিও খতিয়ে দেখার আর্জি জানানো হয়েছে।

এর আগে শপথ ও ওই সরকারের গঠন প্রক্রিয়ার বৈধতা চ্যালেঞ্জ করে রিট আবেদন দায়ের করেছিলেন সুপ্রিম কোর্টের এই আইনজীবী। ওই রিট আবেদন হাইকোর্টের একটি বেঞ্চ খারিজ করে দিয়েছিলেন। এরপর তিনি ওই খারিজ আবেদনের বিরুদ্ধে আপিল আবেদন করেন। সেটিতে অন্তবর্তী সরকারকে বৈধ বলে আদেশ দেন সুপ্রিম কোর্ট। 

২০২৪ সালে ড. মুহাম্মদ ইউনূসের নেতৃত্বাধীন গঠিত অন্তর্র্বতীকালীন সরকারের শপথ ও এই সরকারের গঠন প্রক্রিয়াকে বৈধ ঘোষণা করে হাইকোর্টের দেওয়া রায় বহাল রেখেছেন সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগ।

একই সঙ্গে হাইকোর্টের এ সংক্রান্ত রায়ের বিরুদ্ধে রিটকারীর লিভ টু আপিলটি পর্যবেক্ষণসহ খারিজ করা হয়েছে বলে জানিয়েছেন আইনজীবীরা। তৎকালীন প্রধান বিচারপতি ড. সৈয়দ রেফাত আহমেদের নেতৃত্বাধীন সাত সদস্যের পূর্ণাঙ্গ ও নিয়মিত আপিল বেঞ্চ এই আদেশ দেন। এরপর আবার অন্তর্র্বতী সরকারের প্রধান উপদেষ্টার কার্যক্রম চ্যালেঞ্জ করে রিট আবেদন দায়ের করা হয়।

২০২৪ সালের ৫ আগস্ট আওয়ামী লীগ নেতৃত্বাধীন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা সরকারের পতনের পর ওই বছরের ৬ আগস্ট রাষ্ট্রপতি সংসদ ভেঙে দেন। এরপর ড. ইউনূসের নেতৃত্বে অন্তর্র্বতী সরকার গঠিত হয়। এ সরকার গঠন ও উপদেষ্টাদের শপথের আগে রাষ্ট্রপতি সংবিধানের ১০৬ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী সুপ্রিম কোর্টের কাছে মতামত চেয়ে রেফারেন্স পাঠান।

রাষ্ট্রপতির বিশেষ রেফারেন্স (১/২৪) অনুযায়ী তৎকালীন প্রধান বিচারপতি ওবায়দুল হাসানের নেতৃত্বাধীন সাত সদস্যের আপিল বিভাগ ওই বছরের ৮ আগস্ট মতামত দেন।

সর্বোচ্চ আদালতের মতামতে বলা হয়, রাষ্ট্রের সাংবিধানিক শূন্যতা পূরণে জরুরি প্রয়োজনে রাষ্ট্রপতি রাষ্ট্রের নির্বাহী কার্য পরিচালনার জন্য অন্তর্র্বতী ব্যবস্থা হিসেবে প্রধান উপদেষ্টা ও অন্য উপদেষ্টাদের নিয়োগ দিতে পারবেন এবং তাদের শপথ পাঠ করাতে পারবেন।



সংবাদ

সম্পাদক ও প্রকাশক
আলতামাশ কবির

নির্বাহী সম্পাদক
শাহরিয়ার করিম

প্রধান, ডিজিটাল সংস্করণ
রাশেদ আহমেদ


কপিরাইট © ২০২৬ | সংবাদ | সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত