পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভা ভোটগণনায় যত সময় এগোচ্ছে, ততই স্পষ্ট হচ্ছে প্রাথমিক প্রবণতার ছবি — রাজ্যজুড়ে গেরুয়া শিবিরের দাপট নজরে পড়ছে।
সর্বশেষ খবরে জানা যাচ্ছে বিজেপি এগিয়ে ১৯৫ আসনে আর তৃণমূল কংগ্রেস এগিয়ে ৯৫ আসনে। একটি আসনে এগিয়ে সিপিএম আর অন্যান্যরা এগিয়ে ৫টি আসনে।
দুপুর ১২টা পর্যন্ত নির্বাচন কমিশনের তথ্য অনুযায়ী, বিজেপি ম্যাজিক ফিগার পেরিয়ে ১৫৯টি আসনে এগিয়ে যায়। কিছুক্ষণের মধ্যেই সেই ব্যবধান আরও বাড়িয়ে ১৬৪টি আসনে এগিয়ে গেরুয়া শিবির। অন্যদিকে, শাসক তৃণমূল কংগ্রেস তখন ৮৩ থেকে নেমে প্রায় ৮১টি আসনে এগিয়ে ছিলো। তখনও বাম শিবিরের মধ্যে সিপিএম ১টি আসনে এগিয়ে ছিলো।
আইএসএফ-ও একটি আসনে লিড ধরে রেখেছে। তখন কংগ্রেস ১টি আসনে এগিয়ে ছিলো। ছোট দলগুলির মধ্যে ভারতীয় গোর্খা প্রজাতান্ত্রিক মোর্চা এবং এএম জনতা উন্নয়ন পার্টি একটি করে আসনে এগিয়ে রয়েছে। পাশাপাশি হুমায়ুন কবীরের দলও একটি আসনে লিড পেয়েছে।
এখনও পর্যন্ত কোনও আসনেই চূড়ান্ত জয় ঘোষণা করা হয়নি — সবই ‘লিড’ পর্যায়ে রয়েছে।
এই প্রবণতা সামনে আসতেই বিভিন্ন রাজনৈতিক শিবিরে জোর চর্চা শুরু হয়েছে। কোথাও উচ্ছ্বাস, কোথাও আবার উদ্বেগ — দুই-ই সমানতালে চলছে। রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, যদিও প্রাথমিক ট্রেন্ডে বড় ব্যবধান দেখা যাচ্ছে, তবুও শেষ কথা বলার জন্য এখনও অনেক রাউন্ডের গণনা বাকি।
সাড়ে ১২টার পরের তথ্য অনুযায়ী কিছু কেন্দ্রে লড়াই আরও জমে উঠেছে। বিজেপি এখনও স্পষ্ট ব্যবধানে এগিয়ে থাকলেও তৃণমূল কংগ্রেস একাধিক আসনে ব্যবধান কমানোর চেষ্টা করছে। পোস্টাল ব্যালট এবং পরবর্তী রাউন্ডের ইভিএম গণনা ফলাফলে প্রভাব ফেলতে পারে বলে মনে করা হচ্ছে।
দুপুর গড়ানোর সঙ্গে সঙ্গে চিত্রে সামান্য ওঠানামা লক্ষ্য করা যাচ্ছে। বিজেপি এখনও ম্যাজিক ফিগারের উপরে লিড ধরে রেখেছে, তবে তৃণমূল কিছু গুরুত্বপূর্ণ কেন্দ্রে লড়াইয়ে ফিরে আসার ইঙ্গিত দিচ্ছে। ফলে চূড়ান্ত ফলাফল কী হবে, তা নিয়ে অনিশ্চয়তা এখনো পুরোপুরি কাটেনি।

সোমবার, ০৪ মে ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৪ মে ২০২৬
পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভা ভোটগণনায় যত সময় এগোচ্ছে, ততই স্পষ্ট হচ্ছে প্রাথমিক প্রবণতার ছবি — রাজ্যজুড়ে গেরুয়া শিবিরের দাপট নজরে পড়ছে।
সর্বশেষ খবরে জানা যাচ্ছে বিজেপি এগিয়ে ১৯৫ আসনে আর তৃণমূল কংগ্রেস এগিয়ে ৯৫ আসনে। একটি আসনে এগিয়ে সিপিএম আর অন্যান্যরা এগিয়ে ৫টি আসনে।
দুপুর ১২টা পর্যন্ত নির্বাচন কমিশনের তথ্য অনুযায়ী, বিজেপি ম্যাজিক ফিগার পেরিয়ে ১৫৯টি আসনে এগিয়ে যায়। কিছুক্ষণের মধ্যেই সেই ব্যবধান আরও বাড়িয়ে ১৬৪টি আসনে এগিয়ে গেরুয়া শিবির। অন্যদিকে, শাসক তৃণমূল কংগ্রেস তখন ৮৩ থেকে নেমে প্রায় ৮১টি আসনে এগিয়ে ছিলো। তখনও বাম শিবিরের মধ্যে সিপিএম ১টি আসনে এগিয়ে ছিলো।
আইএসএফ-ও একটি আসনে লিড ধরে রেখেছে। তখন কংগ্রেস ১টি আসনে এগিয়ে ছিলো। ছোট দলগুলির মধ্যে ভারতীয় গোর্খা প্রজাতান্ত্রিক মোর্চা এবং এএম জনতা উন্নয়ন পার্টি একটি করে আসনে এগিয়ে রয়েছে। পাশাপাশি হুমায়ুন কবীরের দলও একটি আসনে লিড পেয়েছে।
এখনও পর্যন্ত কোনও আসনেই চূড়ান্ত জয় ঘোষণা করা হয়নি — সবই ‘লিড’ পর্যায়ে রয়েছে।
এই প্রবণতা সামনে আসতেই বিভিন্ন রাজনৈতিক শিবিরে জোর চর্চা শুরু হয়েছে। কোথাও উচ্ছ্বাস, কোথাও আবার উদ্বেগ — দুই-ই সমানতালে চলছে। রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, যদিও প্রাথমিক ট্রেন্ডে বড় ব্যবধান দেখা যাচ্ছে, তবুও শেষ কথা বলার জন্য এখনও অনেক রাউন্ডের গণনা বাকি।
সাড়ে ১২টার পরের তথ্য অনুযায়ী কিছু কেন্দ্রে লড়াই আরও জমে উঠেছে। বিজেপি এখনও স্পষ্ট ব্যবধানে এগিয়ে থাকলেও তৃণমূল কংগ্রেস একাধিক আসনে ব্যবধান কমানোর চেষ্টা করছে। পোস্টাল ব্যালট এবং পরবর্তী রাউন্ডের ইভিএম গণনা ফলাফলে প্রভাব ফেলতে পারে বলে মনে করা হচ্ছে।
দুপুর গড়ানোর সঙ্গে সঙ্গে চিত্রে সামান্য ওঠানামা লক্ষ্য করা যাচ্ছে। বিজেপি এখনও ম্যাজিক ফিগারের উপরে লিড ধরে রেখেছে, তবে তৃণমূল কিছু গুরুত্বপূর্ণ কেন্দ্রে লড়াইয়ে ফিরে আসার ইঙ্গিত দিচ্ছে। ফলে চূড়ান্ত ফলাফল কী হবে, তা নিয়ে অনিশ্চয়তা এখনো পুরোপুরি কাটেনি।

আপনার মতামত লিখুন