সাতক্ষীরা রেঞ্জের পশ্চিম সুন্দরবনে আবারও দুই বনজীবীকে অপহরণ করেছে জলদস্যুরা। রোববার (৩ মে) সুন্দরবনের মাহমুদা নদীর মাইটভাঙা খাল এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। অপহৃত বনজীবীরা হলেন-শ্যামনগর উপজেলার মুন্সিগঞ্জ ইউনিয়নের হরিনগর গ্রামের ইসমাইল শেখ (২৮) ও আব্দুল করিম (৪৮)।
সহযোগী বনজীবী ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, গত ২৬ ও ২৮ এপ্রিল কদমতলা বন স্টেশন থেকে বৈধ অনুমতি (পাশ) নিয়ে তারা সুন্দরবনে প্রবেশ করেন। ইসমাইল শেখ গিয়েছিলেন মাছ ধরতে এবং আব্দুল করিম গিয়েছিলেন মধু সংগ্রহের কাজে। রোববার সকালে মাইটভাঙা খাল এলাকায় অবস্থানকালে ‘আলিম ওরফে আলিফ’ বাহিনীর সদস্যরা দুটি নৌকায় এসে তাদের জিম্মি করে গহিন বনে নিয়ে যায়।
বনজীবীদের দাবি, অপহরণের পর এখন পর্যন্ত দস্যুরা কোনো মুক্তিপণ দাবি করেনি। তবে এই ঘটনার পর থেকে বনে অবস্থানরত অন্য বনজীবীদের মধ্যে নতুন করে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়েছে।
সাতক্ষীরা রেঞ্জের সহকারী বন সংরক্ষক (এসিএফ) মশিউর রহমান জানান, বিষয়টি সম্পর্কে এখনো কোনো আনুষ্ঠানিক অভিযোগ বন বিভাগে আসেনি। তবে বনজীবীদের পক্ষ থেকে কোনো তথ্য পাওয়া গেলে তা খতিয়ে দেখে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
শ্যামনগর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) খালেদুর রহমান বলেন, জিম্মিদের নিরাপত্তার কথা চিন্তা করে অনেক সময় পরিবার দ্রুত প্রশাসনকে জানাতে চায় না। লিখিত অভিযোগ পেলে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

সোমবার, ০৪ মে ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৪ মে ২০২৬
সাতক্ষীরা রেঞ্জের পশ্চিম সুন্দরবনে আবারও দুই বনজীবীকে অপহরণ করেছে জলদস্যুরা। রোববার (৩ মে) সুন্দরবনের মাহমুদা নদীর মাইটভাঙা খাল এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। অপহৃত বনজীবীরা হলেন-শ্যামনগর উপজেলার মুন্সিগঞ্জ ইউনিয়নের হরিনগর গ্রামের ইসমাইল শেখ (২৮) ও আব্দুল করিম (৪৮)।
সহযোগী বনজীবী ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, গত ২৬ ও ২৮ এপ্রিল কদমতলা বন স্টেশন থেকে বৈধ অনুমতি (পাশ) নিয়ে তারা সুন্দরবনে প্রবেশ করেন। ইসমাইল শেখ গিয়েছিলেন মাছ ধরতে এবং আব্দুল করিম গিয়েছিলেন মধু সংগ্রহের কাজে। রোববার সকালে মাইটভাঙা খাল এলাকায় অবস্থানকালে ‘আলিম ওরফে আলিফ’ বাহিনীর সদস্যরা দুটি নৌকায় এসে তাদের জিম্মি করে গহিন বনে নিয়ে যায়।
বনজীবীদের দাবি, অপহরণের পর এখন পর্যন্ত দস্যুরা কোনো মুক্তিপণ দাবি করেনি। তবে এই ঘটনার পর থেকে বনে অবস্থানরত অন্য বনজীবীদের মধ্যে নতুন করে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়েছে।
সাতক্ষীরা রেঞ্জের সহকারী বন সংরক্ষক (এসিএফ) মশিউর রহমান জানান, বিষয়টি সম্পর্কে এখনো কোনো আনুষ্ঠানিক অভিযোগ বন বিভাগে আসেনি। তবে বনজীবীদের পক্ষ থেকে কোনো তথ্য পাওয়া গেলে তা খতিয়ে দেখে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
শ্যামনগর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) খালেদুর রহমান বলেন, জিম্মিদের নিরাপত্তার কথা চিন্তা করে অনেক সময় পরিবার দ্রুত প্রশাসনকে জানাতে চায় না। লিখিত অভিযোগ পেলে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

আপনার মতামত লিখুন