বাংলা গানের কিংবদন্তি গীতিকার গাজী মাজহারুল আনোয়ারের জীবদ্দশায় শেষ যে গানটির রেকর্ডিং তিনি দেখেছিলেন, সেটিই এবার প্রকাশ পেতে যাচ্ছে নতুনভাবে। ‘মেঘলা আকাশ’ শিরোনামের এই গানটি লিখেছিলেন স্বয়ং এই গুণী গীতিকার।
গানটির সুর ও সংগীত
পরিচালনা করেছেন এই প্রজন্মের মেধাবী সংগীতশিল্পী অপু আমান। এতে কণ্ঠ দিয়েছেন দিঠি
ও অপু নিজে। ইতোমধ্যে গানটির মিউজিক ভিডিও নির্মাণের কাজ সম্পন্ন হয়েছে। আগামী ঈদের
আগেই দিঠির নতুন ইউটিউব চ্যানেলে গানটি প্রকাশ করা হবে বলে জানা গেছে।
গানটি নিয়ে আবেগঘন
অনুভূতি প্রকাশ করেছেন দিঠি। তিনি বলেন, “আব্বু তার জীবদ্দশায় এই গানটির রেকর্ডিং দেখেছিলেন—এটাই
আমার কাছে সবচেয়ে বড় বিষয়। তাই গানটিকে ঘিরে আমার অনেক স্বপ্ন। আব্বু অপুকে খুব স্নেহ
করতেন এবং নিজেই তাকে কয়েকটি গান সুর করার জন্য দিয়েছিলেন। ‘মেঘলা আকাশ’ তার মধ্যে
অন্যতম। অপু অসাধারণ সুর করেছে, শুনলেই মন ভালো হয়ে যায়।” তিনি আরও জানান, “এই উপমহাদেশের
শ্রোতারা জানেন আব্বুর গানের কথা কতটা গভীর ও হৃদয়স্পর্শী। অপুও সৌভাগ্যবান যে সে গানটি
গাওয়ার সুযোগ পেয়েছে। আমি নিজেই তাকে মিউজিক ভিডিও তৈরির দায়িত্ব দিয়েছিলাম, এবং সে
তার প্রোডাকশন হাউস থেকেই ভিডিওটি নির্মাণ করেছে। আমি খুব আশাবাদী।”
দিঠি আরও স্মৃতিচারণ
করে বলেন, “আব্বুর এই গানটি নিয়ে বিশেষ পরিকল্পনা ছিল। যে বছর তিনি মারা যান, সেই বছরের
২৪ সেপ্টেম্বর আব্বু-আম্মুর ৫০তম বিবাহবার্ষিকীতে তাদের দু’জনেরই এই গানটি গাওয়ার কথা
ছিল।” অন্যদিকে অপু আমানও এই কাজকে নিজের জীবনের অন্যতম বড় প্রাপ্তি হিসেবে দেখছেন।
তিনি বলেন, “আমার সংগীত জীবনের পরম সৌভাগ্য যে শ্রদ্ধেয় গাজী চাচার লেখা গানে সুর করার
সুযোগ পেয়েছি। তিনি নিজে আমাকে ডেকে গানটি সুর করতে বলেছিলেন। মৃত্যুর দু’দিন আগেও
তার সামনে বসে সুর করার সুযোগ পেয়েছি—এটা সত্যিই অবিশ্বাস্য অভিজ্ঞতা।”
তিনি আরও বলেন, “গানের বাণীর সঙ্গে মিল রেখে সুর করার সর্বোচ্চ চেষ্টা করেছি। আমি বিশ্বাস করি, এই ‘মেঘলা আকাশ’ গানটি দূর আকাশে গাজী চাচার কাছেও পৌঁছে যাবে।” সব মিলিয়ে ‘মেঘলা আকাশ’ শুধু একটি গান নয়, বরং এটি হয়ে উঠছে স্মৃতি, ভালোবাসা এবং শ্রদ্ধার এক আবেগঘন বহিঃপ্রকাশ—যেখানে মিশে আছে এক কিংবদন্তির শেষ সাক্ষ্য এবং নতুন প্রজন্মের সৃজনশীলতার ছোঁয়া।

মঙ্গলবার, ০৫ মে ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৪ মে ২০২৬
বাংলা গানের কিংবদন্তি গীতিকার গাজী মাজহারুল আনোয়ারের জীবদ্দশায় শেষ যে গানটির রেকর্ডিং তিনি দেখেছিলেন, সেটিই এবার প্রকাশ পেতে যাচ্ছে নতুনভাবে। ‘মেঘলা আকাশ’ শিরোনামের এই গানটি লিখেছিলেন স্বয়ং এই গুণী গীতিকার।
গানটির সুর ও সংগীত
পরিচালনা করেছেন এই প্রজন্মের মেধাবী সংগীতশিল্পী অপু আমান। এতে কণ্ঠ দিয়েছেন দিঠি
ও অপু নিজে। ইতোমধ্যে গানটির মিউজিক ভিডিও নির্মাণের কাজ সম্পন্ন হয়েছে। আগামী ঈদের
আগেই দিঠির নতুন ইউটিউব চ্যানেলে গানটি প্রকাশ করা হবে বলে জানা গেছে।
গানটি নিয়ে আবেগঘন
অনুভূতি প্রকাশ করেছেন দিঠি। তিনি বলেন, “আব্বু তার জীবদ্দশায় এই গানটির রেকর্ডিং দেখেছিলেন—এটাই
আমার কাছে সবচেয়ে বড় বিষয়। তাই গানটিকে ঘিরে আমার অনেক স্বপ্ন। আব্বু অপুকে খুব স্নেহ
করতেন এবং নিজেই তাকে কয়েকটি গান সুর করার জন্য দিয়েছিলেন। ‘মেঘলা আকাশ’ তার মধ্যে
অন্যতম। অপু অসাধারণ সুর করেছে, শুনলেই মন ভালো হয়ে যায়।” তিনি আরও জানান, “এই উপমহাদেশের
শ্রোতারা জানেন আব্বুর গানের কথা কতটা গভীর ও হৃদয়স্পর্শী। অপুও সৌভাগ্যবান যে সে গানটি
গাওয়ার সুযোগ পেয়েছে। আমি নিজেই তাকে মিউজিক ভিডিও তৈরির দায়িত্ব দিয়েছিলাম, এবং সে
তার প্রোডাকশন হাউস থেকেই ভিডিওটি নির্মাণ করেছে। আমি খুব আশাবাদী।”
দিঠি আরও স্মৃতিচারণ
করে বলেন, “আব্বুর এই গানটি নিয়ে বিশেষ পরিকল্পনা ছিল। যে বছর তিনি মারা যান, সেই বছরের
২৪ সেপ্টেম্বর আব্বু-আম্মুর ৫০তম বিবাহবার্ষিকীতে তাদের দু’জনেরই এই গানটি গাওয়ার কথা
ছিল।” অন্যদিকে অপু আমানও এই কাজকে নিজের জীবনের অন্যতম বড় প্রাপ্তি হিসেবে দেখছেন।
তিনি বলেন, “আমার সংগীত জীবনের পরম সৌভাগ্য যে শ্রদ্ধেয় গাজী চাচার লেখা গানে সুর করার
সুযোগ পেয়েছি। তিনি নিজে আমাকে ডেকে গানটি সুর করতে বলেছিলেন। মৃত্যুর দু’দিন আগেও
তার সামনে বসে সুর করার সুযোগ পেয়েছি—এটা সত্যিই অবিশ্বাস্য অভিজ্ঞতা।”
তিনি আরও বলেন, “গানের বাণীর সঙ্গে মিল রেখে সুর করার সর্বোচ্চ চেষ্টা করেছি। আমি বিশ্বাস করি, এই ‘মেঘলা আকাশ’ গানটি দূর আকাশে গাজী চাচার কাছেও পৌঁছে যাবে।” সব মিলিয়ে ‘মেঘলা আকাশ’ শুধু একটি গান নয়, বরং এটি হয়ে উঠছে স্মৃতি, ভালোবাসা এবং শ্রদ্ধার এক আবেগঘন বহিঃপ্রকাশ—যেখানে মিশে আছে এক কিংবদন্তির শেষ সাক্ষ্য এবং নতুন প্রজন্মের সৃজনশীলতার ছোঁয়া।

আপনার মতামত লিখুন