বলিউডের শাহেনশাহ অমিতাভ বচ্চন, নামটির সঙ্গেই জড়িয়ে আছে অসংখ্য ব্লকবাস্টার সিনেমা ও অবিস্মরণীয় সব চরিত্র। তবে শুধু পর্দায় অভিনয়ই নয়, নিজের গাম্ভীর্যপূর্ণ কণ্ঠ দিয়েও দর্শকদের বারবার মুগ্ধ করেছেন এই কিংবদন্তি। ক্যারিয়ারের বিভিন্ন সময়ে নিজের অভিনীত সিনেমাতেই গান গেয়ে তিনি প্রমাণ করেছেন তার বহুমাত্রিক প্রতিভা। অমিতাভের গাওয়া সেই কালজয়ী কিছু গান নিয়ে আমাদের আজকের এই প্রতিবেদন।
১৯৭৯ সালে
মুক্তিপ্রাপ্ত ‘মিস্টার নটবরলাল’ সিনেমায় প্রথমবারের মতো গানে কণ্ঠ দেন অমিতাভ
বচ্চন। গানটি ছিল ‘মেরে পাস আও মেরে দোস্তো’। মূলত শিশুদের জন্য তৈরি এই গানটি সব
বয়সী মানুষের কাছেই দারুণ জনপ্রিয় হয়ে ওঠে। সুরকার রাজেশ রোশন ও গীতিকার আনন্দ
বক্সী গানটিকে এমনভাবে সাজিয়েছিলেন, যেন পুরো গানজুড়ে অমিতাভ একটি গল্প বলছেন। তার ভরাট গলায়
‘এক কিসসা সুনাউ’ লাইনটি আজও শ্রোতাদের স্মৃতিতে অমলিন।
২০০৩ সালে মুক্তি
পাওয়া ‘বাগবান’ সিনেমায় অমিতাভের গায়কী এক অন্য উচ্চতায় পৌঁছে যায়। বিশেষ করে
‘ম্যায় ইহা তু ওয়াহান’ গানটি আজও বিচ্ছেদের সুর হয়ে দর্শকদের চোখে জল আনে। একই
ছবির উৎসবমুখর ‘হোলি খেলে রঘুবীরা’ গানটি যেমন জনপ্রিয়,
তেমনি আদেশ শ্রীবাস্তবের সুরে
‘ম্যায় ইহা তু ওয়াহান’ গানটি ছুঁয়ে যায় গভীর আবেগ। চিত্রায়িত এই গানটিতে অমিতাভ
বচ্চন ও হেমা মালিনীর সম্পর্কের টানাপোড়েন ও দূরত্ব অত্যন্ত নিপুণভাবে ফুটে উঠেছে।
অভিনয়ের বাইরেও
নিজের কণ্ঠে গান গেয়ে অমিতাভ বচ্চন বারবার প্রমাণ করেছেন তিনি কেবল একজন বড় মাপের
নায়ক নন,
বরং একজন খাঁটি শিল্পীও বটে।
তার গায়কীর ধরণ এতটাই সাবলীল যে, সাধারণ শ্রোতারা সহজেই সেই গানের সুর ও কথার সঙ্গে
নিজেদের সংযোগ স্থাপন করতে পারেন।
সময় পেরিয়ে গেলেও
অমিতাভের গাওয়া এই গানগুলো আজও একইভাবে শ্রোতাদের মনে দোলা দেয়,
যা তাকে অন্যদের চেয়ে আলাদা এক
অনন্য উচ্চতায় বসিয়েছে।

রোববার, ০৩ মে ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৩ মে ২০২৬
বলিউডের শাহেনশাহ অমিতাভ বচ্চন, নামটির সঙ্গেই জড়িয়ে আছে অসংখ্য ব্লকবাস্টার সিনেমা ও অবিস্মরণীয় সব চরিত্র। তবে শুধু পর্দায় অভিনয়ই নয়, নিজের গাম্ভীর্যপূর্ণ কণ্ঠ দিয়েও দর্শকদের বারবার মুগ্ধ করেছেন এই কিংবদন্তি। ক্যারিয়ারের বিভিন্ন সময়ে নিজের অভিনীত সিনেমাতেই গান গেয়ে তিনি প্রমাণ করেছেন তার বহুমাত্রিক প্রতিভা। অমিতাভের গাওয়া সেই কালজয়ী কিছু গান নিয়ে আমাদের আজকের এই প্রতিবেদন।
১৯৭৯ সালে
মুক্তিপ্রাপ্ত ‘মিস্টার নটবরলাল’ সিনেমায় প্রথমবারের মতো গানে কণ্ঠ দেন অমিতাভ
বচ্চন। গানটি ছিল ‘মেরে পাস আও মেরে দোস্তো’। মূলত শিশুদের জন্য তৈরি এই গানটি সব
বয়সী মানুষের কাছেই দারুণ জনপ্রিয় হয়ে ওঠে। সুরকার রাজেশ রোশন ও গীতিকার আনন্দ
বক্সী গানটিকে এমনভাবে সাজিয়েছিলেন, যেন পুরো গানজুড়ে অমিতাভ একটি গল্প বলছেন। তার ভরাট গলায়
‘এক কিসসা সুনাউ’ লাইনটি আজও শ্রোতাদের স্মৃতিতে অমলিন।
২০০৩ সালে মুক্তি
পাওয়া ‘বাগবান’ সিনেমায় অমিতাভের গায়কী এক অন্য উচ্চতায় পৌঁছে যায়। বিশেষ করে
‘ম্যায় ইহা তু ওয়াহান’ গানটি আজও বিচ্ছেদের সুর হয়ে দর্শকদের চোখে জল আনে। একই
ছবির উৎসবমুখর ‘হোলি খেলে রঘুবীরা’ গানটি যেমন জনপ্রিয়,
তেমনি আদেশ শ্রীবাস্তবের সুরে
‘ম্যায় ইহা তু ওয়াহান’ গানটি ছুঁয়ে যায় গভীর আবেগ। চিত্রায়িত এই গানটিতে অমিতাভ
বচ্চন ও হেমা মালিনীর সম্পর্কের টানাপোড়েন ও দূরত্ব অত্যন্ত নিপুণভাবে ফুটে উঠেছে।
অভিনয়ের বাইরেও
নিজের কণ্ঠে গান গেয়ে অমিতাভ বচ্চন বারবার প্রমাণ করেছেন তিনি কেবল একজন বড় মাপের
নায়ক নন,
বরং একজন খাঁটি শিল্পীও বটে।
তার গায়কীর ধরণ এতটাই সাবলীল যে, সাধারণ শ্রোতারা সহজেই সেই গানের সুর ও কথার সঙ্গে
নিজেদের সংযোগ স্থাপন করতে পারেন।
সময় পেরিয়ে গেলেও
অমিতাভের গাওয়া এই গানগুলো আজও একইভাবে শ্রোতাদের মনে দোলা দেয়,
যা তাকে অন্যদের চেয়ে আলাদা এক
অনন্য উচ্চতায় বসিয়েছে।

আপনার মতামত লিখুন