যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে বিদ্যমান বাণিজ্যচুক্তিকে ‘উত্তরাধিকার সূত্রে পাওয়া’ বলে মন্তব্য করেছেন বাণিজ্যমন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির। তিনি স্পষ্ট করেছেন যে, বর্তমান সরকার এই চুক্তির সূচনাকারী না হলেও রাষ্ট্রীয় ধারাবাহিকতা রক্ষায় এটি পালন করছে।
আজ মঙ্গলবার সচিবালয়ে বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের সম্মেলন কক্ষে
যুক্তরাষ্ট্রের দক্ষিণ ও মধ্য এশিয়া বিষয়ক সহকারী বাণিজ্য প্রতিনিধি ব্রেন্ডন লিঞ্চ-এর
সঙ্গে বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের তিনি এসব কথা বলেন।
বাণিজ্যমন্ত্রী বলেন, “রাষ্ট্রের মধ্যে সম্পাদিত কোনো চুক্তি
ব্যক্তিগত চুক্তির মতো নয় যে চাইলেই বাতিল করা যাবে। আমরা এটি উত্তরাধিকার সূত্রে পেয়েছি
এবং রাষ্ট্রীয় দায়বদ্ধতা থেকেই তা এগিয়ে নেওয়া হচ্ছে।” উল্লেখ্য, গত ৯ ফেব্রুয়ারি
মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের আরোপিত বাড়তি শুল্কের প্রভাব কমাতে ঢাকা ও ওয়াশিংটনের
মধ্যে একটি পারস্পরিক শুল্ক (রিসিপ্রোকাল ট্যারিফ) চুক্তি সই হয়েছিল।
চুক্তি নিয়ে জনমনে তৈরি হওয়া উদ্বেগ নিরসনে মন্ত্রী বলেন,
যেকোনো আন্তর্জাতিক চুক্তি উভয় পক্ষের স্বার্থ বিবেচনা করে একটি ‘উইন-উইন’ পরিস্থিতিতে
করা হয়। তিনি আরও জানান: যুক্তরাষ্ট্র সম্প্রতি একটি তদন্ত প্রক্রিয়া (ইনভেস্টিগেশন)
শুরু করেছে, যার প্রেক্ষিতে বাংলাদেশ ইতিমধ্যে তাদের ব্যাখ্যা ও পর্যবেক্ষণ জানিয়েছে।
চুক্তির কোনো ধারা যদি দেশের স্বার্থবিরোধী হয়, তবে তা পুনর্বিবেচনার সুযোগ চুক্তির
ভেতরেই রয়েছে।
বাণিজ্যমন্ত্রী দেশের ব্যবসায়িক মহল ও সাধারণ মানুষকে এই
চুক্তি নিয়ে অহেতুক আতঙ্কিত না হওয়ার অনুরোধ জানিয়েছেন। তিনি আশ্বাস দেন যে, সরকারের
মূল লক্ষ্য হলো দেশের অর্থনৈতিক স্বার্থ রক্ষা করা এবং যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে এই বাণিজ্যিক
সম্পর্ককে পারস্পরিক উন্নয়নের কাজে লাগানো।
বৈঠকে দুই দেশের বাণিজ্যিক সম্পর্ক আরও সুদৃঢ় করা এবং বিদ্যমান
চ্যালেঞ্জগুলো আলোচনার মাধ্যমে সমাধানের বিষয়ে উভয় পক্ষ একমত পোষণ করেন।

মঙ্গলবার, ০৫ মে ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৫ মে ২০২৬
যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে বিদ্যমান বাণিজ্যচুক্তিকে ‘উত্তরাধিকার সূত্রে পাওয়া’ বলে মন্তব্য করেছেন বাণিজ্যমন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির। তিনি স্পষ্ট করেছেন যে, বর্তমান সরকার এই চুক্তির সূচনাকারী না হলেও রাষ্ট্রীয় ধারাবাহিকতা রক্ষায় এটি পালন করছে।
আজ মঙ্গলবার সচিবালয়ে বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের সম্মেলন কক্ষে
যুক্তরাষ্ট্রের দক্ষিণ ও মধ্য এশিয়া বিষয়ক সহকারী বাণিজ্য প্রতিনিধি ব্রেন্ডন লিঞ্চ-এর
সঙ্গে বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের তিনি এসব কথা বলেন।
বাণিজ্যমন্ত্রী বলেন, “রাষ্ট্রের মধ্যে সম্পাদিত কোনো চুক্তি
ব্যক্তিগত চুক্তির মতো নয় যে চাইলেই বাতিল করা যাবে। আমরা এটি উত্তরাধিকার সূত্রে পেয়েছি
এবং রাষ্ট্রীয় দায়বদ্ধতা থেকেই তা এগিয়ে নেওয়া হচ্ছে।” উল্লেখ্য, গত ৯ ফেব্রুয়ারি
মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের আরোপিত বাড়তি শুল্কের প্রভাব কমাতে ঢাকা ও ওয়াশিংটনের
মধ্যে একটি পারস্পরিক শুল্ক (রিসিপ্রোকাল ট্যারিফ) চুক্তি সই হয়েছিল।
চুক্তি নিয়ে জনমনে তৈরি হওয়া উদ্বেগ নিরসনে মন্ত্রী বলেন,
যেকোনো আন্তর্জাতিক চুক্তি উভয় পক্ষের স্বার্থ বিবেচনা করে একটি ‘উইন-উইন’ পরিস্থিতিতে
করা হয়। তিনি আরও জানান: যুক্তরাষ্ট্র সম্প্রতি একটি তদন্ত প্রক্রিয়া (ইনভেস্টিগেশন)
শুরু করেছে, যার প্রেক্ষিতে বাংলাদেশ ইতিমধ্যে তাদের ব্যাখ্যা ও পর্যবেক্ষণ জানিয়েছে।
চুক্তির কোনো ধারা যদি দেশের স্বার্থবিরোধী হয়, তবে তা পুনর্বিবেচনার সুযোগ চুক্তির
ভেতরেই রয়েছে।
বাণিজ্যমন্ত্রী দেশের ব্যবসায়িক মহল ও সাধারণ মানুষকে এই
চুক্তি নিয়ে অহেতুক আতঙ্কিত না হওয়ার অনুরোধ জানিয়েছেন। তিনি আশ্বাস দেন যে, সরকারের
মূল লক্ষ্য হলো দেশের অর্থনৈতিক স্বার্থ রক্ষা করা এবং যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে এই বাণিজ্যিক
সম্পর্ককে পারস্পরিক উন্নয়নের কাজে লাগানো।
বৈঠকে দুই দেশের বাণিজ্যিক সম্পর্ক আরও সুদৃঢ় করা এবং বিদ্যমান
চ্যালেঞ্জগুলো আলোচনার মাধ্যমে সমাধানের বিষয়ে উভয় পক্ষ একমত পোষণ করেন।

আপনার মতামত লিখুন