রংপুরের পীরগাছায় একটি কমিউনিটি ক্লিনিকের প্রায় অর্ধশতাব্দী পুরোনো একটি বড় শীলকড়ই গাছ নিলাম ও লিখিত অনুমতি ছাড়াই বিক্রি করে দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে। সংশ্লিষ্ট কমিউনিটি হেলথ কেয়ার প্রোভাইডার (সিএইচসিপি) আব্দুল জলিল দাবি করেছেন, উপজেলা স্বাস্থ্য কর্মকর্তার ‘মৌখিক নির্দেশে’ তিনি গাছটি কেটে বিক্রি করেছেন। তবে বনজ সম্পদ বিক্রির এই প্রক্রিয়া ও প্রকৃত মূল্য নিয়ে তৈরি হয়েছে ধোঁয়াশা।
সরেজমিনে উপজেলার বালাটারী কমিউনিটি ক্লিনিক চত্বরে গিয়ে দেখা যায়, ক্লিনিক ভবনের পাশে থাকা প্রায় ৪০ ফুট উঁচু পুরোনো গাছটি কেটে ফেলা হয়েছে। স্থানীয়দের অভিযোগ, কোনো ধরনের দরপত্র বা নিলাম ছাড়াই প্রায় ৬০ হাজার টাকায় গাছটি বিক্রি করা হয়েছে। যদিও আব্দুল জলিল দাবি করছেন, গাছটি তিনি মাত্র ২৪ হাজার টাকায় বিক্রি করেছেন।
স্থানীয় বাসিন্দাদের অভিযোগ, এই ক্লিনিকে যোগদানের পর থেকেই আব্দুল জলিল নিয়মকানুনের তোয়াক্কা করেন না। ক্লিনিক ব্যবস্থাপনা কমিটির নিয়মিত বৈঠকও করা হয় না। ক্লিনিকের দাতা সদস্য হোসেন সিদ্দিকী বলেন, ‘দাতা সদস্য হয়েও আমি কোনো সভার নোটিশ পাই না। গাছ বিক্রির বিষয়েও আমাকে জানানো হয়নি। আমি নিলামের মাধ্যমে বিক্রির কথা বললেও তা মানা হয়নি।’
উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা মাহমুদুর রহমান বলেন, ‘গাছের বিষয়টি আমাকে জানানো হয়েছিল। আমি স্থানীয় কমিটির মাধ্যমে বিক্রির কথা বলেছি।’ তবে সরকারি গাছ বিক্রিতে নিলাম প্রক্রিয়া কেন অনুসরণ করা হয়নি, সে বিষয়ে তিনি কোনো সদুত্তর দিতে পারেননি।
এ বিষয়ে পীরগাছা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ভারপ্রাপ্ত) তারেখ হাসান তাহসিন বলেন, ‘নিলাম ছাড়া সরকারি গাছ বিক্রির কোনো সুযোগ নেই। বিষয়টি তদন্ত করে দেখা হবে।’ রংপুরের সিভিল সার্জন ডা. শাহীন সুলতানা জানান, সরকারি যেকোনো গাছ বিক্রি করতে হলে বিধি অনুযায়ী নিলাম করতে হবে। নিয়ম ভঙ্গ করা হয়ে থাকলে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

মঙ্গলবার, ০৫ মে ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৫ মে ২০২৬
রংপুরের পীরগাছায় একটি কমিউনিটি ক্লিনিকের প্রায় অর্ধশতাব্দী পুরোনো একটি বড় শীলকড়ই গাছ নিলাম ও লিখিত অনুমতি ছাড়াই বিক্রি করে দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে। সংশ্লিষ্ট কমিউনিটি হেলথ কেয়ার প্রোভাইডার (সিএইচসিপি) আব্দুল জলিল দাবি করেছেন, উপজেলা স্বাস্থ্য কর্মকর্তার ‘মৌখিক নির্দেশে’ তিনি গাছটি কেটে বিক্রি করেছেন। তবে বনজ সম্পদ বিক্রির এই প্রক্রিয়া ও প্রকৃত মূল্য নিয়ে তৈরি হয়েছে ধোঁয়াশা।
সরেজমিনে উপজেলার বালাটারী কমিউনিটি ক্লিনিক চত্বরে গিয়ে দেখা যায়, ক্লিনিক ভবনের পাশে থাকা প্রায় ৪০ ফুট উঁচু পুরোনো গাছটি কেটে ফেলা হয়েছে। স্থানীয়দের অভিযোগ, কোনো ধরনের দরপত্র বা নিলাম ছাড়াই প্রায় ৬০ হাজার টাকায় গাছটি বিক্রি করা হয়েছে। যদিও আব্দুল জলিল দাবি করছেন, গাছটি তিনি মাত্র ২৪ হাজার টাকায় বিক্রি করেছেন।
স্থানীয় বাসিন্দাদের অভিযোগ, এই ক্লিনিকে যোগদানের পর থেকেই আব্দুল জলিল নিয়মকানুনের তোয়াক্কা করেন না। ক্লিনিক ব্যবস্থাপনা কমিটির নিয়মিত বৈঠকও করা হয় না। ক্লিনিকের দাতা সদস্য হোসেন সিদ্দিকী বলেন, ‘দাতা সদস্য হয়েও আমি কোনো সভার নোটিশ পাই না। গাছ বিক্রির বিষয়েও আমাকে জানানো হয়নি। আমি নিলামের মাধ্যমে বিক্রির কথা বললেও তা মানা হয়নি।’
উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা মাহমুদুর রহমান বলেন, ‘গাছের বিষয়টি আমাকে জানানো হয়েছিল। আমি স্থানীয় কমিটির মাধ্যমে বিক্রির কথা বলেছি।’ তবে সরকারি গাছ বিক্রিতে নিলাম প্রক্রিয়া কেন অনুসরণ করা হয়নি, সে বিষয়ে তিনি কোনো সদুত্তর দিতে পারেননি।
এ বিষয়ে পীরগাছা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ভারপ্রাপ্ত) তারেখ হাসান তাহসিন বলেন, ‘নিলাম ছাড়া সরকারি গাছ বিক্রির কোনো সুযোগ নেই। বিষয়টি তদন্ত করে দেখা হবে।’ রংপুরের সিভিল সার্জন ডা. শাহীন সুলতানা জানান, সরকারি যেকোনো গাছ বিক্রি করতে হলে বিধি অনুযায়ী নিলাম করতে হবে। নিয়ম ভঙ্গ করা হয়ে থাকলে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

আপনার মতামত লিখুন