বাগেরহাটের শরণখোলায় জমিজমাসংক্রান্ত বিরোধের জেরে একটি সংখ্যালঘু পরিবারের ওপর হামলা, বসতঘর ভাঙচুর ও লুটপাটের ঘটনা ঘটেছে। এ ঘটনায় ভুক্তভোগী পরিবারটির পক্ষ থেকে থানায় মামলা করার পর পুলিশ ২ জনকে গ্রেপ্তার করেছে। মঙ্গলবার (৫ মে) দুপুরে বাগেরহাটের নবাগত পুলিশ সুপার (এসপি) হাসান মোহাম্মদ নাছের রিকারদার ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছেন।
গ্রেপ্তারকৃতরা হলেন উপজেলার উত্তর রাজাপুর গ্রামের রাজু শিকদার (ছাত্রদল নেতা) ও রাজৈর গ্রামের নাইম ইসলাম। এর আগে সোমবার (৪ মে) দুপুরে উপজেলার ধানসাগর ইউনিয়নের রতিয়া রাজাপুর গ্রামে এ হামলার ঘটনা ঘটে।
ভুক্তভোগী পরিবার ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, রতিয়া রাজাপুর গ্রামের রবীন ঢালীর সঙ্গে প্রতিবেশী প্রভাবশালী সোবাহান হাওলাদারের জমি নিয়ে দীর্ঘদিনের বিরোধ রয়েছে। এর জেরে সোমবার (৪ মে) দুপুরে সোবাহান হাওলাদারের নেতৃত্বে ৫০ থেকে ৬০ জনের একটি সশস্ত্র দল রবীনের বাড়িতে হামলা চালায়। হামলাকারীরা দা, হাতুড়ি ও শাবল দিয়ে বসতঘর তছনছ করে এবং ঘরে থাকা স্বর্ণালঙ্কার ও জমির দলিলপত্র লুট করে নিয়ে যায়।
হামলায় বাধা দিতে গিয়ে আহত হয়েছেন রবীনের স্ত্রী সীমা রাণী (৩৫), মা দুলালী রাণী (৭০), নানি বেলকা রাণী (৯০), খালা বিমলা রাণী (৬০) ও লীলা রাণী (৬৫)। তাদের উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়েছে।
কান্নাজড়িত কণ্ঠে রবীন ঢালী বলেন, ‘ব্যক্তিগত কাজে আমি বাড়ির বাইরে ছিলাম। এই সুযোগে সন্ত্রাসীরা আমার বসতঘর মালামালসহ গুঁড়িয়ে দিয়েছে। এখন আমি সপরিবার অন্যের বাড়িতে আশ্রয় নিয়ে আছি।’
ঘটনাস্থল পরিদর্শনকালে পুলিশ সুপার হাসান মোহাম্মদ নাছের রিকারদার ভুক্তভোগী পরিবার ও হিন্দু সম্প্রদায়ের মানুষের নিরাপত্তার আশ্বাস দেন। তিনি বলেন, এ ঘটনায় জড়িতদের বিরুদ্ধে কঠোর আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
শরণখোলা উপজেলা বিএনপির সভাপতি আনোয়ার হোসেন পঞ্চায়েত ও সাধারণ সম্পাদক বেলাল হোসেন মিলনও ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারকে আর্থিক সহায়তা প্রদান করেছেন।
শরণখোলা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. শামিনুল হক জানান, এ ঘটনায় রবীন ঢালী বাদী হয়ে ২৬ জনের নাম উল্লেখসহ অজ্ঞাতনামা আরও কয়েকজনের বিরুদ্ধে মামলা করেছেন। গ্রেপ্তার হওয়া দুজনকে আদালতে পাঠানো হয়েছে এবং বাকি আসামিদের গ্রেপ্তারে অভিযান চলছে।

মঙ্গলবার, ০৫ মে ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৫ মে ২০২৬
বাগেরহাটের শরণখোলায় জমিজমাসংক্রান্ত বিরোধের জেরে একটি সংখ্যালঘু পরিবারের ওপর হামলা, বসতঘর ভাঙচুর ও লুটপাটের ঘটনা ঘটেছে। এ ঘটনায় ভুক্তভোগী পরিবারটির পক্ষ থেকে থানায় মামলা করার পর পুলিশ ২ জনকে গ্রেপ্তার করেছে। মঙ্গলবার (৫ মে) দুপুরে বাগেরহাটের নবাগত পুলিশ সুপার (এসপি) হাসান মোহাম্মদ নাছের রিকারদার ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছেন।
গ্রেপ্তারকৃতরা হলেন উপজেলার উত্তর রাজাপুর গ্রামের রাজু শিকদার (ছাত্রদল নেতা) ও রাজৈর গ্রামের নাইম ইসলাম। এর আগে সোমবার (৪ মে) দুপুরে উপজেলার ধানসাগর ইউনিয়নের রতিয়া রাজাপুর গ্রামে এ হামলার ঘটনা ঘটে।
ভুক্তভোগী পরিবার ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, রতিয়া রাজাপুর গ্রামের রবীন ঢালীর সঙ্গে প্রতিবেশী প্রভাবশালী সোবাহান হাওলাদারের জমি নিয়ে দীর্ঘদিনের বিরোধ রয়েছে। এর জেরে সোমবার (৪ মে) দুপুরে সোবাহান হাওলাদারের নেতৃত্বে ৫০ থেকে ৬০ জনের একটি সশস্ত্র দল রবীনের বাড়িতে হামলা চালায়। হামলাকারীরা দা, হাতুড়ি ও শাবল দিয়ে বসতঘর তছনছ করে এবং ঘরে থাকা স্বর্ণালঙ্কার ও জমির দলিলপত্র লুট করে নিয়ে যায়।
হামলায় বাধা দিতে গিয়ে আহত হয়েছেন রবীনের স্ত্রী সীমা রাণী (৩৫), মা দুলালী রাণী (৭০), নানি বেলকা রাণী (৯০), খালা বিমলা রাণী (৬০) ও লীলা রাণী (৬৫)। তাদের উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়েছে।
কান্নাজড়িত কণ্ঠে রবীন ঢালী বলেন, ‘ব্যক্তিগত কাজে আমি বাড়ির বাইরে ছিলাম। এই সুযোগে সন্ত্রাসীরা আমার বসতঘর মালামালসহ গুঁড়িয়ে দিয়েছে। এখন আমি সপরিবার অন্যের বাড়িতে আশ্রয় নিয়ে আছি।’
ঘটনাস্থল পরিদর্শনকালে পুলিশ সুপার হাসান মোহাম্মদ নাছের রিকারদার ভুক্তভোগী পরিবার ও হিন্দু সম্প্রদায়ের মানুষের নিরাপত্তার আশ্বাস দেন। তিনি বলেন, এ ঘটনায় জড়িতদের বিরুদ্ধে কঠোর আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
শরণখোলা উপজেলা বিএনপির সভাপতি আনোয়ার হোসেন পঞ্চায়েত ও সাধারণ সম্পাদক বেলাল হোসেন মিলনও ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারকে আর্থিক সহায়তা প্রদান করেছেন।
শরণখোলা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. শামিনুল হক জানান, এ ঘটনায় রবীন ঢালী বাদী হয়ে ২৬ জনের নাম উল্লেখসহ অজ্ঞাতনামা আরও কয়েকজনের বিরুদ্ধে মামলা করেছেন। গ্রেপ্তার হওয়া দুজনকে আদালতে পাঠানো হয়েছে এবং বাকি আসামিদের গ্রেপ্তারে অভিযান চলছে।

আপনার মতামত লিখুন