পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভা নির্বাচনে ভারতীয় জনতা পার্টির (বিজেপি) বিশাল জয়ের পর রাজ্যের বিভিন্ন স্থানে তৃণমূল কংগ্রেসের কার্যালয়ে হামলা ও ভাঙচুরের খবর পাওয়া গেছে। তৃণমূলের অভিযোগ, জয় নিশ্চিত হওয়ার পরপরই বিজেপির কর্মী-সমর্থকরা পরিকল্পিতভাবে এই তাণ্ডব চালিয়েছে। তবে বিজেপি এই অভিযোগ অস্বীকার করেছে।
তৃণমূল কংগ্রেসের পক্ষ থেকে দাবি করা হয়েছে, গতকাল সোমবার
নির্বাচনের ফলাফলের গতিপ্রকৃতি স্পষ্ট হওয়ার কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই রাজ্যের বিভিন্ন প্রান্ত
থেকে তাদের দলীয় কার্যালয়ে হামলার খবর আসতে থাকে।
রাজ্যের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ জেলায় এই সহিংসতার চিত্র দেখা
গেছে। এর মধ্যে উল্লেখযোগ্য হলো: কলকাতা, দক্ষিণ চব্বিশ পরগনা, উত্তর চব্বিশ পরগনা,
কোচবিহার, হাওড়া ও মুর্শিদাবাদ।
দৈনিক ‘দ্য স্টেটসম্যান’-এর ফেসবুক পেজে প্রকাশিত একটি ভিডিওতে
দেখা গেছে, কলকাতার রুবি ক্রসিং এলাকায় তৃণমূলের একটি কার্যালয়ে একদল লোক ভাঙচুর চালাচ্ছে।
হামলাকারীদের হাতে বিজেপির দলীয় পতাকা ও গেরুয়া উত্তরীয় দেখা গেছে। ভিডিওটি সামাজিক
যোগাযোগমাধ্যমে দ্রুত ছড়িয়ে পড়ায় এলাকায় উত্তেজনা বিরাজ করছে।
বিজেপি এই ঘটনাকে তৃণমূলের ‘অভ্যন্তরীণ কোন্দল’ বা ‘জনরোষ’
বলে দাবি করেছে। তাদের মতে, কোনো বিশৃঙ্খলার সঙ্গে দলের আনুষ্ঠানিক সম্পৃক্ততা নেই।
অন্যদিকে, তৃণমূল নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় একে ‘ভয়ভীতির রাজনীতি’ বলে অভিহিত করে
কর্মীদের শান্ত থাকার আহ্বান জানিয়েছেন।
উল্লেখ্য, গতকালের চূড়ান্ত ফলাফল অনুযায়ী, ২৯৩টি আসনের মধ্যে
২০৬টি আসনে জয় পেয়েছে বিজেপি। অন্যদিকে, দীর্ঘ ১৫ বছর ক্ষমতায় থাকা তৃণমূল কংগ্রেস
৮১টি আসনে সংকুচিত হয়ে পড়েছে। রাজ্যে সরকার পরিবর্তনের এই সন্ধিক্ষণে এমন রাজনৈতিক
সংঘাত সাধারণ মানুষের মধ্যে উদ্বেগ তৈরি করেছে।

মঙ্গলবার, ০৫ মে ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৫ মে ২০২৬
পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভা নির্বাচনে ভারতীয় জনতা পার্টির (বিজেপি) বিশাল জয়ের পর রাজ্যের বিভিন্ন স্থানে তৃণমূল কংগ্রেসের কার্যালয়ে হামলা ও ভাঙচুরের খবর পাওয়া গেছে। তৃণমূলের অভিযোগ, জয় নিশ্চিত হওয়ার পরপরই বিজেপির কর্মী-সমর্থকরা পরিকল্পিতভাবে এই তাণ্ডব চালিয়েছে। তবে বিজেপি এই অভিযোগ অস্বীকার করেছে।
তৃণমূল কংগ্রেসের পক্ষ থেকে দাবি করা হয়েছে, গতকাল সোমবার
নির্বাচনের ফলাফলের গতিপ্রকৃতি স্পষ্ট হওয়ার কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই রাজ্যের বিভিন্ন প্রান্ত
থেকে তাদের দলীয় কার্যালয়ে হামলার খবর আসতে থাকে।
রাজ্যের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ জেলায় এই সহিংসতার চিত্র দেখা
গেছে। এর মধ্যে উল্লেখযোগ্য হলো: কলকাতা, দক্ষিণ চব্বিশ পরগনা, উত্তর চব্বিশ পরগনা,
কোচবিহার, হাওড়া ও মুর্শিদাবাদ।
দৈনিক ‘দ্য স্টেটসম্যান’-এর ফেসবুক পেজে প্রকাশিত একটি ভিডিওতে
দেখা গেছে, কলকাতার রুবি ক্রসিং এলাকায় তৃণমূলের একটি কার্যালয়ে একদল লোক ভাঙচুর চালাচ্ছে।
হামলাকারীদের হাতে বিজেপির দলীয় পতাকা ও গেরুয়া উত্তরীয় দেখা গেছে। ভিডিওটি সামাজিক
যোগাযোগমাধ্যমে দ্রুত ছড়িয়ে পড়ায় এলাকায় উত্তেজনা বিরাজ করছে।
বিজেপি এই ঘটনাকে তৃণমূলের ‘অভ্যন্তরীণ কোন্দল’ বা ‘জনরোষ’
বলে দাবি করেছে। তাদের মতে, কোনো বিশৃঙ্খলার সঙ্গে দলের আনুষ্ঠানিক সম্পৃক্ততা নেই।
অন্যদিকে, তৃণমূল নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় একে ‘ভয়ভীতির রাজনীতি’ বলে অভিহিত করে
কর্মীদের শান্ত থাকার আহ্বান জানিয়েছেন।
উল্লেখ্য, গতকালের চূড়ান্ত ফলাফল অনুযায়ী, ২৯৩টি আসনের মধ্যে
২০৬টি আসনে জয় পেয়েছে বিজেপি। অন্যদিকে, দীর্ঘ ১৫ বছর ক্ষমতায় থাকা তৃণমূল কংগ্রেস
৮১টি আসনে সংকুচিত হয়ে পড়েছে। রাজ্যে সরকার পরিবর্তনের এই সন্ধিক্ষণে এমন রাজনৈতিক
সংঘাত সাধারণ মানুষের মধ্যে উদ্বেগ তৈরি করেছে।

আপনার মতামত লিখুন