সারাদেশে হামের প্রাদুর্ভাব ভয়াবহ আকার ধারণ করছে। স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের নিয়ন্ত্রণ কক্ষের সর্বশেষ তথ্য অনুযায়ী, গত ২৪ ঘণ্টায় (৬ মে সকাল ৮টা থেকে ৭ মে সকাল ৮টা) হাম ও হামের মতো উপসর্গে ১২ জন শিশুর মৃত্যু হয়েছে। এ নিয়ে চলতি বছর মোট মৃত্যু দাঁড়ালো ৩৩৬ জনে।
অধিদপ্তর সূত্র জানায়, গত একদিনে নিশ্চিতভাবে ১ জন এবং হামের উপসর্গ বা সন্দেহভাজন হিসেবে আরও ১১ জন শিশু মারা গেছে। সেইসঙ্গে নতুন করে হামের উপসর্গ নিয়ে শনাক্ত হয়েছে ১ হাজার ৫২৪ জন শিশু। যাদের মধ্যে নিশ্চিতভাবে হাম রোগী হিসেবে চিহ্নিত হয়েছে ২৮৬ জন।
চলতি বছরের শুরু থেকে আজ পর্যন্ত মোট সন্দেহভাজন হাম রোগীর সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ৪৫ হাজার ৪৯৮ জনে। ল্যাব পরীক্ষায় এখন পর্যন্ত ৬ হাজার ২০৮ জন নিশ্চিতভাবে হামে আক্রান্ত বলে শনাক্ত হয়েছেন। আক্রান্তদের মধ্যে ২৮ হাজার ২৩৮ জন চিকিৎসা শেষে সুস্থ হয়ে হাসপাতাল ত্যাগ করেছেন।
মোট মৃত্যুর হিসাবে নিশ্চিত হামে ৫৭ জন এবং সন্দেহভাজন হিসেবে ২৭৯ জনের মৃত্যু রেকর্ড করা হয়েছে। বিশেষ করে পাহাড়ি ও দুর্গম অঞ্চলে পরিস্থিতি আরও গুরুতর বলে জানিয়েছে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর।
স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞরা বলছেন, হাম অত্যন্ত ছোঁয়াচে একটি রোগ। শিশুর শরীরে জ্বর ও ফুসকুড়ি দেখা দিলে দ্রুত নিকটস্থ হাসপাতালে যাওয়ার পরামর্শ দেওয়া হচ্ছে। এ ছাড়া শিশুদের দ্রুত টিকা নিশ্চিত করতে অভিভাবকদের আহ্বান জানিয়েছে স্বাস্থ্য বিভাগ।
স্বাস্থ্য অধিদপ্তর জানিয়েছে, পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে নজরদারি বাড়ানো হয়েছে। বিশেষ করে ঝুঁকিপূর্ণ এলাকাগুলোতে টিকাদান কার্যক্রম জোরদার করা হচ্ছে।

বৃহস্পতিবার, ০৭ মে ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৭ মে ২০২৬
সারাদেশে হামের প্রাদুর্ভাব ভয়াবহ আকার ধারণ করছে। স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের নিয়ন্ত্রণ কক্ষের সর্বশেষ তথ্য অনুযায়ী, গত ২৪ ঘণ্টায় (৬ মে সকাল ৮টা থেকে ৭ মে সকাল ৮টা) হাম ও হামের মতো উপসর্গে ১২ জন শিশুর মৃত্যু হয়েছে। এ নিয়ে চলতি বছর মোট মৃত্যু দাঁড়ালো ৩৩৬ জনে।
অধিদপ্তর সূত্র জানায়, গত একদিনে নিশ্চিতভাবে ১ জন এবং হামের উপসর্গ বা সন্দেহভাজন হিসেবে আরও ১১ জন শিশু মারা গেছে। সেইসঙ্গে নতুন করে হামের উপসর্গ নিয়ে শনাক্ত হয়েছে ১ হাজার ৫২৪ জন শিশু। যাদের মধ্যে নিশ্চিতভাবে হাম রোগী হিসেবে চিহ্নিত হয়েছে ২৮৬ জন।
চলতি বছরের শুরু থেকে আজ পর্যন্ত মোট সন্দেহভাজন হাম রোগীর সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ৪৫ হাজার ৪৯৮ জনে। ল্যাব পরীক্ষায় এখন পর্যন্ত ৬ হাজার ২০৮ জন নিশ্চিতভাবে হামে আক্রান্ত বলে শনাক্ত হয়েছেন। আক্রান্তদের মধ্যে ২৮ হাজার ২৩৮ জন চিকিৎসা শেষে সুস্থ হয়ে হাসপাতাল ত্যাগ করেছেন।
মোট মৃত্যুর হিসাবে নিশ্চিত হামে ৫৭ জন এবং সন্দেহভাজন হিসেবে ২৭৯ জনের মৃত্যু রেকর্ড করা হয়েছে। বিশেষ করে পাহাড়ি ও দুর্গম অঞ্চলে পরিস্থিতি আরও গুরুতর বলে জানিয়েছে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর।
স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞরা বলছেন, হাম অত্যন্ত ছোঁয়াচে একটি রোগ। শিশুর শরীরে জ্বর ও ফুসকুড়ি দেখা দিলে দ্রুত নিকটস্থ হাসপাতালে যাওয়ার পরামর্শ দেওয়া হচ্ছে। এ ছাড়া শিশুদের দ্রুত টিকা নিশ্চিত করতে অভিভাবকদের আহ্বান জানিয়েছে স্বাস্থ্য বিভাগ।
স্বাস্থ্য অধিদপ্তর জানিয়েছে, পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে নজরদারি বাড়ানো হয়েছে। বিশেষ করে ঝুঁকিপূর্ণ এলাকাগুলোতে টিকাদান কার্যক্রম জোরদার করা হচ্ছে।

আপনার মতামত লিখুন