দেশে গত ২৪ ঘণ্টায় হাম ও হামের উপসর্গ নিয়ে ছয় শিশুর মৃত্যু হয়েছে। এর মধ্যে দুই শিশুর হামে মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করেছে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর (ডিজিএইচএস)। বাকি চার শিশু মারা গেছে হামের উপসর্গ নিয়ে। এ নিয়ে হাম ও হামের উপসর্গে মোট মৃতের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৩১৭ জন।
মঙ্গলবার (৫ মে) স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের দেওয়া বার্তায় এ তথ্য জানানো হয়। এই হিসাব সোমবার (৪ মে) সকাল ৮টা থেকে মঙ্গলবার সকাল ৮টা পর্যন্ত সময়ের।
এর আগের দিন একদিনে সর্বোচ্চ ১৭ শিশুর মৃত্যু হয়েছিল। তবে গত ২৪ ঘণ্টায় মৃত্যু কমলেও পরিস্থিতি এখনো উদ্বেগজনক বলে মনে করছেন স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞরা।
ডিজিএইচএসের হিসাব অনুযায়ী, এখন পর্যন্ত হামে নিশ্চিত মৃত্যুর সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ৫৪ জনে। আর হামের উপসর্গ নিয়ে মারা গেছে ২৬৩ জন।
একই সময়ে ২৫৯টি নতুন নিশ্চিত সংক্রমণ শনাক্ত হয়েছে। ফলে হামে মোট নিশ্চিত আক্রান্তের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ৫ হাজার ৭২৬ জনে।
এ ছাড়া গত ২৪ ঘণ্টায় ডিজিএইচএস হামের উপসর্গ নিয়ে নতুন ১ হাজার ১৮৬ শিশুর সংক্রমণ রেকর্ড করেছে। এতে করে মোট সন্দেহভাজন সংক্রমণের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ৪২ হাজার ৯৭৯ জনে।
গত ২৪ ঘণ্টায় নিশ্চিতভাবে হামে মৃত্যুর দুই ঘটনাই ঢাকা বিভাগের। উপসর্গ নিয়ে মারা যাওয়া চার শিশুর মধ্যে দুজন সিলেট বিভাগের এবং খুলনা ও রাজশাহী বিভাগের একজন করে শিশু।
স্বাস্থ্য অধিদপ্তর জানিয়েছে, হামের প্রকৃতি নিয়ন্ত্রণে টিকাদান কার্যক্রম জোরদার করা হয়েছে। অভিভাবকদের সতর্ক থাকার পরামর্শ দেওয়া হচ্ছে। কোনো শিশুর হামের উপসর্গ দেখা দিলে দ্রুত নিকটস্থ স্বাস্থ্যকেন্দ্রে নিয়ে যাওয়ার অনুরোধ জানানো হয়েছে।
স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞরা বলছেন, হাম একটি ভাইরাসজনিত সংক্রামক ব্যাধি। শিশুদের জন্য এটি প্রাণঘাতী হতে পারে। সময়মতো টিকা না নেওয়া শিশুরা বেশি ঝুঁকিতে থাকে।
তারা অভিভাবকদের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন, নির্ধারিত সময়ে শিশুদের হামের টিকা দেওয়া নিশ্চিত করতে। পাশাপাশি হামের উপসর্গ দেখা দিলে বাড়িতে না রেখে দ্রুত চিকিৎসকের শরণাপন্ন হওয়ার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।

মঙ্গলবার, ০৫ মে ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৫ মে ২০২৬
দেশে গত ২৪ ঘণ্টায় হাম ও হামের উপসর্গ নিয়ে ছয় শিশুর মৃত্যু হয়েছে। এর মধ্যে দুই শিশুর হামে মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করেছে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর (ডিজিএইচএস)। বাকি চার শিশু মারা গেছে হামের উপসর্গ নিয়ে। এ নিয়ে হাম ও হামের উপসর্গে মোট মৃতের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৩১৭ জন।
মঙ্গলবার (৫ মে) স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের দেওয়া বার্তায় এ তথ্য জানানো হয়। এই হিসাব সোমবার (৪ মে) সকাল ৮টা থেকে মঙ্গলবার সকাল ৮টা পর্যন্ত সময়ের।
এর আগের দিন একদিনে সর্বোচ্চ ১৭ শিশুর মৃত্যু হয়েছিল। তবে গত ২৪ ঘণ্টায় মৃত্যু কমলেও পরিস্থিতি এখনো উদ্বেগজনক বলে মনে করছেন স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞরা।
ডিজিএইচএসের হিসাব অনুযায়ী, এখন পর্যন্ত হামে নিশ্চিত মৃত্যুর সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ৫৪ জনে। আর হামের উপসর্গ নিয়ে মারা গেছে ২৬৩ জন।
একই সময়ে ২৫৯টি নতুন নিশ্চিত সংক্রমণ শনাক্ত হয়েছে। ফলে হামে মোট নিশ্চিত আক্রান্তের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ৫ হাজার ৭২৬ জনে।
এ ছাড়া গত ২৪ ঘণ্টায় ডিজিএইচএস হামের উপসর্গ নিয়ে নতুন ১ হাজার ১৮৬ শিশুর সংক্রমণ রেকর্ড করেছে। এতে করে মোট সন্দেহভাজন সংক্রমণের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ৪২ হাজার ৯৭৯ জনে।
গত ২৪ ঘণ্টায় নিশ্চিতভাবে হামে মৃত্যুর দুই ঘটনাই ঢাকা বিভাগের। উপসর্গ নিয়ে মারা যাওয়া চার শিশুর মধ্যে দুজন সিলেট বিভাগের এবং খুলনা ও রাজশাহী বিভাগের একজন করে শিশু।
স্বাস্থ্য অধিদপ্তর জানিয়েছে, হামের প্রকৃতি নিয়ন্ত্রণে টিকাদান কার্যক্রম জোরদার করা হয়েছে। অভিভাবকদের সতর্ক থাকার পরামর্শ দেওয়া হচ্ছে। কোনো শিশুর হামের উপসর্গ দেখা দিলে দ্রুত নিকটস্থ স্বাস্থ্যকেন্দ্রে নিয়ে যাওয়ার অনুরোধ জানানো হয়েছে।
স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞরা বলছেন, হাম একটি ভাইরাসজনিত সংক্রামক ব্যাধি। শিশুদের জন্য এটি প্রাণঘাতী হতে পারে। সময়মতো টিকা না নেওয়া শিশুরা বেশি ঝুঁকিতে থাকে।
তারা অভিভাবকদের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন, নির্ধারিত সময়ে শিশুদের হামের টিকা দেওয়া নিশ্চিত করতে। পাশাপাশি হামের উপসর্গ দেখা দিলে বাড়িতে না রেখে দ্রুত চিকিৎসকের শরণাপন্ন হওয়ার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।

আপনার মতামত লিখুন