দেশের নাগরিকদের অত্যন্ত সংবেদনশীল তথ্য অবৈধভাবে সংগ্রহ ও অর্থের বিনিময়ে বিক্রির অভিযোগে এক অ্যাপ ও ওয়েবসাইট ডেভেলপারকে গ্রেপ্তার করেছে সিআইডির সাইবার পুলিশ সেন্টার। গ্রেপ্তার আরমান হোসেন (২২) একটি বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের কম্পিউটার সায়েন্স অ্যান্ড ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের শিক্ষার্থী।
সিআইডি জানায়, গত বছরের ৯ অক্টোবর নিয়মিত অনলাইন মনিটরিংকালে ‘সিয়াম হাওলাদার’ নামের একটি ফেসবুক আইডিতে দেশের নাগরিকদের এনআইডির পূর্ণাঙ্গ ডেটা, এসএমএস তালিকা, বিকাশ-রকেট-নগদসহ বিভিন্ন এমএফএস অ্যাকাউন্টের তথ্য ও মামলাসংক্রান্ত তথ্য অর্থের বিনিময়ে বিক্রির বিজ্ঞাপন দেখতে পায় সিআইডি।
এর পরিপ্রেক্ষিতে ১৩ অক্টোবর লক্ষ্মীপুরের কমলনগর থেকে সিয়াম হাওলাদারকে (২৩) গ্রেপ্তার করা হয়। তার কাছ থেকে অপরাধে ব্যবহৃত মোবাইল ফোন, সিমকার্ড ও হার্ডডিস্ক জব্দ করা হয়। তার স্মার্টফোনে ‘সব এখানে’ নামের একটি অ্যান্ড্রয়েড অ্যাপ পাওয়া যায়। জিজ্ঞাসাবাদে সে ওই অ্যাপ ও ওয়েবসাইটের মাধ্যমে নাগরিকদের সংবেদনশীল তথ্য সংগ্রহ ও বিক্রির কথা স্বীকার করে।
পরে সিয়ামের তথ্যের ভিত্তিতে ২৮ অক্টোবর খুলনার কয়রা থেকে গ্রেপ্তার করা হয় চক্রের অ্যাডমিন আল আমিনকে (২৩)। আদালতে ১৬৪ ধারায় স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দিতে সে জানায়, পুরো সিস্টেম ও অ্যাপটি তৈরি করেছে এক দক্ষ প্রোগ্রামার।
এরপর গত ৫ মে রাজধানীর ক্যান্টনমেন্ট থানার মানিকদি এলাকা থেকে আরমান হোসেনকে গ্রেপ্তার করে সিআইডি। তার কাছ থেকে তিনটি মোবাইল ফোন, ছয়টি সিমকার্ড ও একটি ল্যাপটপ জব্দ করা হয়। সিমের মধ্যে তিনটি বিকাশ মার্চেন্ট সিম বলে জানায় সিআইডি।
জিজ্ঞাসাবাদে আরমান জানায়, সে আল আমিনের নির্দেশনায় sobakhane.xyz, sobakhane.online, sobakhane.info ওয়েবসাইট ও ‘সব এখানে’ অ্যাপ তৈরি করে। এই অ্যাপ ও ওয়েবসাইটের মাধ্যমে চক্রটি জাতীয় গোপনীয় ডাটাবেজ থেকে সংগৃহীত তথ্য বিক্রি করত।
গ্রেপ্তার আরমানকে রিমান্ডের আবেদনসহ আদালতে পাঠানো হয়েছে। মামলার পূর্ণ রহস্য উদঘাটনে সিআইডির তদন্ত চলমান রয়েছে।

বৃহস্পতিবার, ০৭ মে ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৭ মে ২০২৬
দেশের নাগরিকদের অত্যন্ত সংবেদনশীল তথ্য অবৈধভাবে সংগ্রহ ও অর্থের বিনিময়ে বিক্রির অভিযোগে এক অ্যাপ ও ওয়েবসাইট ডেভেলপারকে গ্রেপ্তার করেছে সিআইডির সাইবার পুলিশ সেন্টার। গ্রেপ্তার আরমান হোসেন (২২) একটি বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের কম্পিউটার সায়েন্স অ্যান্ড ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের শিক্ষার্থী।
সিআইডি জানায়, গত বছরের ৯ অক্টোবর নিয়মিত অনলাইন মনিটরিংকালে ‘সিয়াম হাওলাদার’ নামের একটি ফেসবুক আইডিতে দেশের নাগরিকদের এনআইডির পূর্ণাঙ্গ ডেটা, এসএমএস তালিকা, বিকাশ-রকেট-নগদসহ বিভিন্ন এমএফএস অ্যাকাউন্টের তথ্য ও মামলাসংক্রান্ত তথ্য অর্থের বিনিময়ে বিক্রির বিজ্ঞাপন দেখতে পায় সিআইডি।
এর পরিপ্রেক্ষিতে ১৩ অক্টোবর লক্ষ্মীপুরের কমলনগর থেকে সিয়াম হাওলাদারকে (২৩) গ্রেপ্তার করা হয়। তার কাছ থেকে অপরাধে ব্যবহৃত মোবাইল ফোন, সিমকার্ড ও হার্ডডিস্ক জব্দ করা হয়। তার স্মার্টফোনে ‘সব এখানে’ নামের একটি অ্যান্ড্রয়েড অ্যাপ পাওয়া যায়। জিজ্ঞাসাবাদে সে ওই অ্যাপ ও ওয়েবসাইটের মাধ্যমে নাগরিকদের সংবেদনশীল তথ্য সংগ্রহ ও বিক্রির কথা স্বীকার করে।
পরে সিয়ামের তথ্যের ভিত্তিতে ২৮ অক্টোবর খুলনার কয়রা থেকে গ্রেপ্তার করা হয় চক্রের অ্যাডমিন আল আমিনকে (২৩)। আদালতে ১৬৪ ধারায় স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দিতে সে জানায়, পুরো সিস্টেম ও অ্যাপটি তৈরি করেছে এক দক্ষ প্রোগ্রামার।
এরপর গত ৫ মে রাজধানীর ক্যান্টনমেন্ট থানার মানিকদি এলাকা থেকে আরমান হোসেনকে গ্রেপ্তার করে সিআইডি। তার কাছ থেকে তিনটি মোবাইল ফোন, ছয়টি সিমকার্ড ও একটি ল্যাপটপ জব্দ করা হয়। সিমের মধ্যে তিনটি বিকাশ মার্চেন্ট সিম বলে জানায় সিআইডি।
জিজ্ঞাসাবাদে আরমান জানায়, সে আল আমিনের নির্দেশনায় sobakhane.xyz, sobakhane.online, sobakhane.info ওয়েবসাইট ও ‘সব এখানে’ অ্যাপ তৈরি করে। এই অ্যাপ ও ওয়েবসাইটের মাধ্যমে চক্রটি জাতীয় গোপনীয় ডাটাবেজ থেকে সংগৃহীত তথ্য বিক্রি করত।
গ্রেপ্তার আরমানকে রিমান্ডের আবেদনসহ আদালতে পাঠানো হয়েছে। মামলার পূর্ণ রহস্য উদঘাটনে সিআইডির তদন্ত চলমান রয়েছে।

আপনার মতামত লিখুন