সংবাদ

অর্থনীতির গণতন্ত্রীকরণ করতে চায় সরকার: অর্থমন্ত্রী


সংবাদ ডিজিটাল রিপোর্ট
সংবাদ ডিজিটাল রিপোর্ট
প্রকাশ: ১০ মে ২০২৬, ১২:০৬ পিএম

অর্থনীতির গণতন্ত্রীকরণ করতে চায় সরকার: অর্থমন্ত্রী

দেশের মূলধারার অর্থনীতির বাইরে থাকা বিশাল জনগোষ্ঠীকে উন্নয়নের স্রোতধারায় ফিরিয়ে আনতে সরকার কাজ করছে বলে জানিয়েছেন অর্থমন্ত্রী আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী। রোববার (১০ মে) রাজধানীর আগারগাঁওয়ে পিকেএসএফ ও বিশ্বব্যাংকের যৌথ প্রকল্প ‘রেইজ’-এর ২য় পর্যায়ের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে তিনি এ কথা বলেন।

অর্থমন্ত্রী তাঁর বক্তব্যে গুরুত্ব দিয়ে বলেন, “শুধু রাজনীতিতে গণতন্ত্র থাকলে হবে না, অর্থনীতিতেও গণতন্ত্র থাকতে হবে। নাগরিক হিসেবে মূলধারার অর্থনীতিতে অংশ নেওয়া সবার অধিকার। তাই সরকার এখন ‘অর্থনীতির গণতন্ত্রীকরণ’-এর ওপর জোর দিচ্ছে।”

নারীদের সঞ্চয়ী মনোভাবের প্রশংসা করে মন্ত্রী বলেন, ফ্যামিলি কার্ডের মাধ্যমে নারীদের যে আর্থিক সহায়তা দেওয়া হচ্ছে, তা গ্রামীণ অর্থনীতিতে অর্থের প্রবাহ বাড়াবে। পাশাপাশি ‘কৃষক কার্ড’ কর্মসূচিও দেশের সামগ্রিক অর্থনীতিতে ইতিবাচক প্রভাব ফেলবে বলে তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন।

দেশের স্বাস্থ্যসেবার ব্যয় নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করে অর্থমন্ত্রী বলেন, “আমাদের স্বাস্থ্যসেবার ব্যয় আফগানিস্তানের চেয়েও বেশি, যা অত্যন্ত লজ্জাজনক। আগামী বাজেটে আমরা স্বাস্থ্য ও শিক্ষা খাতে ব্যয় বাড়ানোর পরিকল্পনা করছি, যাতে এই সেবাগুলো সাধারণ মানুষের নাগালের মধ্যে আসে।”

বিশ্ববাজারে বাংলাদেশের হস্তশিল্প, বিশেষ করে শীতলপাটির মতো ঐতিহ্যের সঠিক মূল্যায়ন না হওয়ায় আক্ষেপ করেন তিনি। তিনি জানান: পণ্যের ডিজাইন ও আন্তর্জাতিক মানের মার্কেটিংয়ের দিকে সরকার বিশেষ নজর দেবে। মিউজিক, থিয়েটার এবং খেলাধুলাকে বড় অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ড হিসেবে বিবেচনা করে এসব খাতে বিনিয়োগ বাড়ানো হবে। অ্যামাজনের মতো আন্তর্জাতিক প্ল্যাটফর্ম ব্যবহার করে দেশীয় পণ্য ও সংস্কৃতিকে বিশ্ববাজারে তুলে ধরার পরিকল্পনা রয়েছে।

অনুষ্ঠানে অর্থমন্ত্রী আরও জানান, দেশের ডেমোগ্রাফিক ডিভিডেন্ড বা জনমিতিক লভ্যাংশকে কাজে লাগিয়ে অর্থনৈতিক সমৃদ্ধি অর্জনই বর্তমান সরকারের অন্যতম লক্ষ্য।

 

 

আপনার মতামত লিখুন

সংবাদ

রোববার, ১০ মে ২০২৬


অর্থনীতির গণতন্ত্রীকরণ করতে চায় সরকার: অর্থমন্ত্রী

প্রকাশের তারিখ : ১০ মে ২০২৬

featured Image

দেশের মূলধারার অর্থনীতির বাইরে থাকা বিশাল জনগোষ্ঠীকে উন্নয়নের স্রোতধারায় ফিরিয়ে আনতে সরকার কাজ করছে বলে জানিয়েছেন অর্থমন্ত্রী আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী। রোববার (১০ মে) রাজধানীর আগারগাঁওয়ে পিকেএসএফ ও বিশ্বব্যাংকের যৌথ প্রকল্প ‘রেইজ’-এর ২য় পর্যায়ের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে তিনি এ কথা বলেন।

অর্থমন্ত্রী তাঁর বক্তব্যে গুরুত্ব দিয়ে বলেন, “শুধু রাজনীতিতে গণতন্ত্র থাকলে হবে না, অর্থনীতিতেও গণতন্ত্র থাকতে হবে। নাগরিক হিসেবে মূলধারার অর্থনীতিতে অংশ নেওয়া সবার অধিকার। তাই সরকার এখন ‘অর্থনীতির গণতন্ত্রীকরণ’-এর ওপর জোর দিচ্ছে।”

নারীদের সঞ্চয়ী মনোভাবের প্রশংসা করে মন্ত্রী বলেন, ফ্যামিলি কার্ডের মাধ্যমে নারীদের যে আর্থিক সহায়তা দেওয়া হচ্ছে, তা গ্রামীণ অর্থনীতিতে অর্থের প্রবাহ বাড়াবে। পাশাপাশি ‘কৃষক কার্ড’ কর্মসূচিও দেশের সামগ্রিক অর্থনীতিতে ইতিবাচক প্রভাব ফেলবে বলে তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন।

দেশের স্বাস্থ্যসেবার ব্যয় নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করে অর্থমন্ত্রী বলেন, “আমাদের স্বাস্থ্যসেবার ব্যয় আফগানিস্তানের চেয়েও বেশি, যা অত্যন্ত লজ্জাজনক। আগামী বাজেটে আমরা স্বাস্থ্য ও শিক্ষা খাতে ব্যয় বাড়ানোর পরিকল্পনা করছি, যাতে এই সেবাগুলো সাধারণ মানুষের নাগালের মধ্যে আসে।”

বিশ্ববাজারে বাংলাদেশের হস্তশিল্প, বিশেষ করে শীতলপাটির মতো ঐতিহ্যের সঠিক মূল্যায়ন না হওয়ায় আক্ষেপ করেন তিনি। তিনি জানান: পণ্যের ডিজাইন ও আন্তর্জাতিক মানের মার্কেটিংয়ের দিকে সরকার বিশেষ নজর দেবে। মিউজিক, থিয়েটার এবং খেলাধুলাকে বড় অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ড হিসেবে বিবেচনা করে এসব খাতে বিনিয়োগ বাড়ানো হবে। অ্যামাজনের মতো আন্তর্জাতিক প্ল্যাটফর্ম ব্যবহার করে দেশীয় পণ্য ও সংস্কৃতিকে বিশ্ববাজারে তুলে ধরার পরিকল্পনা রয়েছে।

অনুষ্ঠানে অর্থমন্ত্রী আরও জানান, দেশের ডেমোগ্রাফিক ডিভিডেন্ড বা জনমিতিক লভ্যাংশকে কাজে লাগিয়ে অর্থনৈতিক সমৃদ্ধি অর্জনই বর্তমান সরকারের অন্যতম লক্ষ্য।

 

 


সংবাদ

সম্পাদক ও প্রকাশক
আলতামাশ কবির

নির্বাহী সম্পাদক
শাহরিয়ার করিম

প্রধান, ডিজিটাল সংস্করণ
রাশেদ আহমেদ


কপিরাইট © ২০২৬ | সংবাদ | সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত