সংবাদ

সাবমেরিন ক্যাবলে আলোকিত হবে বিচ্ছিন্ন মনপুরা


প্রতিনিধি, চরফ্যাশন (ভোলা)
প্রতিনিধি, চরফ্যাশন (ভোলা)
প্রকাশ: ১৫ মে ২০২৬, ১২:৪৬ পিএম

সাবমেরিন ক্যাবলে আলোকিত হবে বিচ্ছিন্ন মনপুরা
আধুনিক বিদ্যুৎ ব্যবস্থায় বদলে যাবে মনপুরা। ছবি : সংবাদ

ভোলার বিচ্ছিন্ন দ্বীপ উপজেলা মনপুরার মানুষের দীর্ঘদিনের স্বপ্ন এবার বাস্তবে রূপ নিতে যাচ্ছে। মেঘনা নদীর তলদেশ দিয়ে সাবমেরিন ক্যাবলের মাধ্যমে ভোলার মূল ভূখণ্ড থেকে জাতীয় গ্রিডের বিদ্যুৎ পৌঁছাবে এই নিভৃত দ্বীপে। সরকারের এই মেগা প্রকল্প বাস্তবায়িত হলে প্রায় ৯০ হাজার দ্বীপবাসীর জীবনমানে আমূল পরিবর্তন আসবে।

সম্প্রতি ‘মনপুরা দ্বীপে বিদ্যুৎ বিতরণ ব্যবস্থার উন্নয়ন ও সম্প্রসারণ’ প্রকল্পের আওতায় আন্তর্জাতিক দরপত্র আহ্বান করেছে ওয়েস্ট জোন পাওয়ার ডিস্ট্রিবিউশন কোম্পানি লিমিটেড (ওজোপডিকো)। স্থানীয় সংসদ সদস্য (ভোলা-৪) মোহাম্মদ নুরুল ইসলাম নয়নের বিশেষ উদ্যোগে ও নির্বাচনী প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়নের অংশ হিসেবে প্রকল্পটি হাতে নেওয়া হয়েছে।

নির্বাচিত হওয়ার পর থেকেই মনপুরার উন্নয়ন ও বিদ্যুৎ সংকট দূর করতে সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়ে নিরলস প্রচেষ্টা চালিয়ে যান সংসদ সদস্য মোহাম্মদ নুরুল ইসলাম নয়ন। তার এই ঐকান্তিক প্রচেষ্টায় বিদ্যুৎ বিভাগ প্রকল্পটি দ্রুত অনুমোদন দেয়।

এ বিষয়ে সংসদ সদস্য মোহাম্মদ নুরুল ইসলাম নয়ন বলেন, "নির্বাচনের সময় মনপুরায় নিরবচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ পৌঁছে দেওয়ার যে অঙ্গীকার করেছিলাম, এটি তারই প্রতিফলন। মেঘনার তলদেশ দিয়ে ক্যাবল আনা বড় চ্যালেঞ্জ ছিল। এই বিদ্যুৎ মনপুরার অর্থনীতিতে বিপ্লব ঘটাবে।"

ওজোপডিকো সূত্রে জানা গেছে, প্রকল্পের আওতায় ৩৩ কেভি সাবমেরিন ক্যাবলের নকশা, সরবরাহ, স্থাপন ও কমিশনিং করা হবে। নদীর তলদেশ দিয়ে প্রতিটি ৭ কিলোমিটার দৈর্ঘ্যের ৪টি রানসহ মোট ২৮ কিলোমিটার ক্যাবল স্থাপন করা হবে। সেই সঙ্গে নির্মাণ করা হবে অত্যাধুনিক ল্যান্ডিং স্টেশন। এতে ডিজেলচালিত জেনারেটরের ওপর নির্ভরতা কাটিয়ে স্থিতিশীল বিদ্যুৎ পাবে দ্বীপবাসী।

আন্তর্জাতিক অভিজ্ঞতাসম্পন্ন ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানগুলো আগামী ২৫ জুন ২০২৬ পর্যন্ত দরপত্র জমা দিতে পারবে। স্থানীয়রা মনে করছেন, এই প্রকল্প বাস্তবায়িত হলে মনপুরার হিমায়িত মৎস্য শিল্প, পর্যটন ও স্থানীয় ক্ষুদ্র শিল্পে নতুন গতির সঞ্চার হবে। বিশেষ করে চরাঞ্চলের শিক্ষা ও স্বাস্থ্যসেবায় বৈপ্লবিক পরিবর্তন আসবে।

দ্বীপের সাধারণ মানুষের মধ্যে এখন আনন্দের জোয়ার। তারা বলছেন, সঠিক নেতৃত্বের কারণেই দীর্ঘদিনের অন্ধকার ঘুচিয়ে মনপুরা এখন আলোর পথে যাত্রা শুরু করছে।

আপনার মতামত লিখুন

সংবাদ

শুক্রবার, ১৫ মে ২০২৬


সাবমেরিন ক্যাবলে আলোকিত হবে বিচ্ছিন্ন মনপুরা

প্রকাশের তারিখ : ১৫ মে ২০২৬

featured Image

ভোলার বিচ্ছিন্ন দ্বীপ উপজেলা মনপুরার মানুষের দীর্ঘদিনের স্বপ্ন এবার বাস্তবে রূপ নিতে যাচ্ছে। মেঘনা নদীর তলদেশ দিয়ে সাবমেরিন ক্যাবলের মাধ্যমে ভোলার মূল ভূখণ্ড থেকে জাতীয় গ্রিডের বিদ্যুৎ পৌঁছাবে এই নিভৃত দ্বীপে। সরকারের এই মেগা প্রকল্প বাস্তবায়িত হলে প্রায় ৯০ হাজার দ্বীপবাসীর জীবনমানে আমূল পরিবর্তন আসবে।

সম্প্রতি ‘মনপুরা দ্বীপে বিদ্যুৎ বিতরণ ব্যবস্থার উন্নয়ন ও সম্প্রসারণ’ প্রকল্পের আওতায় আন্তর্জাতিক দরপত্র আহ্বান করেছে ওয়েস্ট জোন পাওয়ার ডিস্ট্রিবিউশন কোম্পানি লিমিটেড (ওজোপডিকো)। স্থানীয় সংসদ সদস্য (ভোলা-৪) মোহাম্মদ নুরুল ইসলাম নয়নের বিশেষ উদ্যোগে ও নির্বাচনী প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়নের অংশ হিসেবে প্রকল্পটি হাতে নেওয়া হয়েছে।

নির্বাচিত হওয়ার পর থেকেই মনপুরার উন্নয়ন ও বিদ্যুৎ সংকট দূর করতে সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়ে নিরলস প্রচেষ্টা চালিয়ে যান সংসদ সদস্য মোহাম্মদ নুরুল ইসলাম নয়ন। তার এই ঐকান্তিক প্রচেষ্টায় বিদ্যুৎ বিভাগ প্রকল্পটি দ্রুত অনুমোদন দেয়।

এ বিষয়ে সংসদ সদস্য মোহাম্মদ নুরুল ইসলাম নয়ন বলেন, "নির্বাচনের সময় মনপুরায় নিরবচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ পৌঁছে দেওয়ার যে অঙ্গীকার করেছিলাম, এটি তারই প্রতিফলন। মেঘনার তলদেশ দিয়ে ক্যাবল আনা বড় চ্যালেঞ্জ ছিল। এই বিদ্যুৎ মনপুরার অর্থনীতিতে বিপ্লব ঘটাবে।"

ওজোপডিকো সূত্রে জানা গেছে, প্রকল্পের আওতায় ৩৩ কেভি সাবমেরিন ক্যাবলের নকশা, সরবরাহ, স্থাপন ও কমিশনিং করা হবে। নদীর তলদেশ দিয়ে প্রতিটি ৭ কিলোমিটার দৈর্ঘ্যের ৪টি রানসহ মোট ২৮ কিলোমিটার ক্যাবল স্থাপন করা হবে। সেই সঙ্গে নির্মাণ করা হবে অত্যাধুনিক ল্যান্ডিং স্টেশন। এতে ডিজেলচালিত জেনারেটরের ওপর নির্ভরতা কাটিয়ে স্থিতিশীল বিদ্যুৎ পাবে দ্বীপবাসী।

আন্তর্জাতিক অভিজ্ঞতাসম্পন্ন ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানগুলো আগামী ২৫ জুন ২০২৬ পর্যন্ত দরপত্র জমা দিতে পারবে। স্থানীয়রা মনে করছেন, এই প্রকল্প বাস্তবায়িত হলে মনপুরার হিমায়িত মৎস্য শিল্প, পর্যটন ও স্থানীয় ক্ষুদ্র শিল্পে নতুন গতির সঞ্চার হবে। বিশেষ করে চরাঞ্চলের শিক্ষা ও স্বাস্থ্যসেবায় বৈপ্লবিক পরিবর্তন আসবে।

দ্বীপের সাধারণ মানুষের মধ্যে এখন আনন্দের জোয়ার। তারা বলছেন, সঠিক নেতৃত্বের কারণেই দীর্ঘদিনের অন্ধকার ঘুচিয়ে মনপুরা এখন আলোর পথে যাত্রা শুরু করছে।



সংবাদ

সম্পাদক ও প্রকাশক
আলতামাশ কবির

নির্বাহী সম্পাদক
শাহরিয়ার করিম

প্রধান, ডিজিটাল সংস্করণ
রাশেদ আহমেদ


কপিরাইট © ২০২৬ | সংবাদ | সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত