সংবাদ

এসিল্যান্ডের সই জাল করায় সহকারী বরখাস্ত


প্রতিনিধি, দেওয়ানগঞ্জ (জামালপুর)
প্রতিনিধি, দেওয়ানগঞ্জ (জামালপুর)
প্রকাশ: ১৪ মে ২০২৬, ০২:৫৩ পিএম

এসিল্যান্ডের সই জাল করায় সহকারী বরখাস্ত
উপজেলা ভূমি অফিস, জামালপুর। ছবি : সংবাদ

সহকারী কমিশনারের (ভূমি) সই জাল করে মামলার রায় দেওয়ার অভিযোগে মো. জিয়া শাহ সুলতান নামের এক সার্টিফিকেট সহকারীকে চাকরি থেকে অপসারণ করা হয়েছে।  মঙ্গলবার (১২ মে) ময়মনসিংহ বিভাগীয় কমিশনার ফারাহ শাম্মী স্বাক্ষরিত এক অফিস আদেশে এ তথ্য জানানো হয়।

জিয়া শাহ সুলতান বর্তমানে জামালপুর সদর উপজেলা ভূমি অফিসে কর্মরত ছিলেন। তবে জালিয়াতির ঘটনাটি ঘটে যখন তিনি দেওয়ানগঞ্জ উপজেলা ভূমি অফিসে কর্মরত ছিলেন।

অফিস আদেশে বলা হয়েছে, দেওয়ানগঞ্জ উপজেলা ভূমি অফিসে থাকাকালে জিয়া শাহ সুলতান তৎকালীন সহকারী কমিশনার (ভূমি) মো. শামছুজ্জামান আসিফের সই জাল করে একটি বিবিধ মামলার (মিস কেস) চূড়ান্ত আদেশ দেন। এ বিষয়ে বিভাগীয় মামলা হওয়ার পর তদন্তের দায়িত্ব পান বিভাগীয় কমিশনার কার্যালয়ের স্থানীয় সরকার বিভাগের উপপরিচালক বিপিন চন্দ্র বিশ্বাস।

তদন্ত প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, জিয়া শাহ সুলতানের বিরুদ্ধে আনা অভিযোগগুলো দালিলিক সাক্ষ্য ও শুনানির মাধ্যমে প্রমাণিত হয়েছে। এটি ‘সরকারি কর্মচারী (শৃঙ্খলা ও আপিল) বিধিমালা, ২০১৮’ অনুযায়ী গুরুতর অসদাচরণ। এর পরিপ্রেক্ষিতে ওই বিধিমালার ৪(৩)(গ) ধারা মোতাবেক তাকে চাকরি থেকে অপসারণের ‘গুরুদণ্ড’ দেওয়া হয়।

বিভাগীয় কমিশনারের আদেশে আরও উল্লেখ করা হয়, চাকরি থেকে অপসারণের ফলে জিয়া শাহ সুলতান কোনো বকেয়া আর্থিক সুবিধা প্রাপ্য হবেন না।

আপনার মতামত লিখুন

সংবাদ

বৃহস্পতিবার, ১৪ মে ২০২৬


এসিল্যান্ডের সই জাল করায় সহকারী বরখাস্ত

প্রকাশের তারিখ : ১৪ মে ২০২৬

featured Image

সহকারী কমিশনারের (ভূমি) সই জাল করে মামলার রায় দেওয়ার অভিযোগে মো. জিয়া শাহ সুলতান নামের এক সার্টিফিকেট সহকারীকে চাকরি থেকে অপসারণ করা হয়েছে।  মঙ্গলবার (১২ মে) ময়মনসিংহ বিভাগীয় কমিশনার ফারাহ শাম্মী স্বাক্ষরিত এক অফিস আদেশে এ তথ্য জানানো হয়।

জিয়া শাহ সুলতান বর্তমানে জামালপুর সদর উপজেলা ভূমি অফিসে কর্মরত ছিলেন। তবে জালিয়াতির ঘটনাটি ঘটে যখন তিনি দেওয়ানগঞ্জ উপজেলা ভূমি অফিসে কর্মরত ছিলেন।

অফিস আদেশে বলা হয়েছে, দেওয়ানগঞ্জ উপজেলা ভূমি অফিসে থাকাকালে জিয়া শাহ সুলতান তৎকালীন সহকারী কমিশনার (ভূমি) মো. শামছুজ্জামান আসিফের সই জাল করে একটি বিবিধ মামলার (মিস কেস) চূড়ান্ত আদেশ দেন। এ বিষয়ে বিভাগীয় মামলা হওয়ার পর তদন্তের দায়িত্ব পান বিভাগীয় কমিশনার কার্যালয়ের স্থানীয় সরকার বিভাগের উপপরিচালক বিপিন চন্দ্র বিশ্বাস।

তদন্ত প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, জিয়া শাহ সুলতানের বিরুদ্ধে আনা অভিযোগগুলো দালিলিক সাক্ষ্য ও শুনানির মাধ্যমে প্রমাণিত হয়েছে। এটি ‘সরকারি কর্মচারী (শৃঙ্খলা ও আপিল) বিধিমালা, ২০১৮’ অনুযায়ী গুরুতর অসদাচরণ। এর পরিপ্রেক্ষিতে ওই বিধিমালার ৪(৩)(গ) ধারা মোতাবেক তাকে চাকরি থেকে অপসারণের ‘গুরুদণ্ড’ দেওয়া হয়।

বিভাগীয় কমিশনারের আদেশে আরও উল্লেখ করা হয়, চাকরি থেকে অপসারণের ফলে জিয়া শাহ সুলতান কোনো বকেয়া আর্থিক সুবিধা প্রাপ্য হবেন না।


সংবাদ

সম্পাদক ও প্রকাশক
আলতামাশ কবির

নির্বাহী সম্পাদক
শাহরিয়ার করিম

প্রধান, ডিজিটাল সংস্করণ
রাশেদ আহমেদ


কপিরাইট © ২০২৬ | সংবাদ | সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত