লালমনিরহাটের হাতীবান্ধা উপজেলার আমঝোল সীমান্তে ভারতীয় সীমান্তরক্ষী বাহিনীর (বিএসএফ) ছোড়া ছররা গুলিতে খাদেমুল (২৫) নামের এক বাংলাদেশি যুবক নিহত হয়েছেন। গভীর রাতে সীমান্ত এলাকায় এ গুলির ঘটনা ঘটে। পরে রংপুরের একটি বেসরকারি ক্লিনিকে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়।
নিহত খাদেমুল উপজেলার উত্তর আমঝোল গ্রামের আমজাদ হোসেনের ছেলে। এ ঘটনায় সীমান্ত এলাকায় থমথমে পরিস্থিতি বিরাজ করছে।
স্থানীয় ও সীমান্ত সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, গতকাল দিবাগত রাত আনুমানিক দুইটার দিকে বনচৌকি বিওপি সংলগ্ন মেইন পিলার ৯০৫/৬ এস-এর কাছাকাছি এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। খাদেমুলসহ কয়েকজনের একটি দল ভারতের অভ্যন্তরে প্রায় ১৫০ গজ ভেতরে কাঁটাতারের বেড়ার কাছে পৌঁছালে ভারতের ৭৮ বিএসএফ ব্যাটালিয়নের পাগলামারী ক্যাম্পের একটি টহল দল তাদের লক্ষ্য করে ছররা গুলি ছোড়ে।
বিএসএফের ছোড়া গুলি খাদেমুলের মুখমণ্ডল, বুক ও মাথায় বিদ্ধ হয়। গুরুতর আহত অবস্থায় তিনি কোনোক্রমে সীমান্ত পেরিয়ে বাংলাদেশে ফিরে আসতে সক্ষম হন। পরে স্থানীয়রা তাকে উদ্ধার করে দ্রুত রংপুরের একটি ক্লিনিকে ভর্তি করেন। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়।
বর্ডার গার্ড বাংলাদেশের (বিজিবি) লালমনিরহাট ১৫ ব্যাটালিয়নের অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল মেহেদী ইমাম গোলাগুলির ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে জানান, পুরো বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে দেখা হচ্ছে।
হাতীবান্ধা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) রমজান আলী বলেন, ‘আমরা মধ্যরাতেই সীমান্তে গুলির খবর পেয়েছি। পরে জানতে পারি, গুলিবিদ্ধ যুবক রংপুরের একটি হাসপাতালে মারা গেছেন। নিহতের পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা চলছে। তদন্ত শেষে বিস্তারিত আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’

বৃহস্পতিবার, ১৪ মে ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৪ মে ২০২৬
লালমনিরহাটের হাতীবান্ধা উপজেলার আমঝোল সীমান্তে ভারতীয় সীমান্তরক্ষী বাহিনীর (বিএসএফ) ছোড়া ছররা গুলিতে খাদেমুল (২৫) নামের এক বাংলাদেশি যুবক নিহত হয়েছেন। গভীর রাতে সীমান্ত এলাকায় এ গুলির ঘটনা ঘটে। পরে রংপুরের একটি বেসরকারি ক্লিনিকে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়।
নিহত খাদেমুল উপজেলার উত্তর আমঝোল গ্রামের আমজাদ হোসেনের ছেলে। এ ঘটনায় সীমান্ত এলাকায় থমথমে পরিস্থিতি বিরাজ করছে।
স্থানীয় ও সীমান্ত সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, গতকাল দিবাগত রাত আনুমানিক দুইটার দিকে বনচৌকি বিওপি সংলগ্ন মেইন পিলার ৯০৫/৬ এস-এর কাছাকাছি এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। খাদেমুলসহ কয়েকজনের একটি দল ভারতের অভ্যন্তরে প্রায় ১৫০ গজ ভেতরে কাঁটাতারের বেড়ার কাছে পৌঁছালে ভারতের ৭৮ বিএসএফ ব্যাটালিয়নের পাগলামারী ক্যাম্পের একটি টহল দল তাদের লক্ষ্য করে ছররা গুলি ছোড়ে।
বিএসএফের ছোড়া গুলি খাদেমুলের মুখমণ্ডল, বুক ও মাথায় বিদ্ধ হয়। গুরুতর আহত অবস্থায় তিনি কোনোক্রমে সীমান্ত পেরিয়ে বাংলাদেশে ফিরে আসতে সক্ষম হন। পরে স্থানীয়রা তাকে উদ্ধার করে দ্রুত রংপুরের একটি ক্লিনিকে ভর্তি করেন। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়।
বর্ডার গার্ড বাংলাদেশের (বিজিবি) লালমনিরহাট ১৫ ব্যাটালিয়নের অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল মেহেদী ইমাম গোলাগুলির ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে জানান, পুরো বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে দেখা হচ্ছে।
হাতীবান্ধা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) রমজান আলী বলেন, ‘আমরা মধ্যরাতেই সীমান্তে গুলির খবর পেয়েছি। পরে জানতে পারি, গুলিবিদ্ধ যুবক রংপুরের একটি হাসপাতালে মারা গেছেন। নিহতের পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা চলছে। তদন্ত শেষে বিস্তারিত আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’

আপনার মতামত লিখুন