সংবাদ

মিরপুরে ১০ হাজার কোটি টাকার সরকারি জমি গিলে খাচ্ছে প্রভাবশালীরা


বাকী বিল্লাহ
বাকী বিল্লাহ
প্রকাশ: ১৩ মে ২০২৬, ০৮:০৮ পিএম

মিরপুরে ১০ হাজার কোটি টাকার সরকারি জমি গিলে খাচ্ছে প্রভাবশালীরা
মিরপুরে জাতীয় গৃহায়ন কর্তৃপক্ষের প্রায় ১৫০ একর বেহাত

  • উদ্ধারে হার্ডলাইনে গৃহায়ন কর্তৃপক্ষ
  • থানায় অভিযোগ ও ম্যাজিস্ট্রেট নিয়োগ

রাজধানীর মিরপুরে জাতীয় গৃহায়ন কর্তৃপক্ষের প্রায় ১৫০ একর মহামূল্যবান জমি গত কয়েক বছর ধরে প্রভাবশালী মহলের অবৈধ দখলে রয়েছে। দখলকৃত এই বিশাল সম্পত্তির বর্তমান বাজার মূল্য প্রায় ১০ হাজার কোটি টাকা বলে দাবি করছে গৃহায়ন কর্তৃপক্ষ। রাজনৈতিক পরিচয় ক্ষমতার দাপট দেখিয়ে সরকারি এই জমি দখল করে বস্তি, টিনশেড ঘর থেকে শুরু করে বহুতল ভবন সুপার মার্কেট পর্যন্ত নির্মাণ করা হয়েছে। তবে এবার এই বিপুল পরিমাণ সম্পত্তি উদ্ধারে কোমর বেঁধে মাঠে নেমেছে কর্তৃপক্ষ। ইতোমধ্যে অবৈধ দখলদারদের উচ্ছেদ করতে থানায় লিখিত অভিযোগ দায়েরসহ আইনি প্রক্রিয়া ত্বরান্বিত করতে ম্যাজিস্ট্রেট নিয়োগ করা হয়েছে।

দখলবাজিতে একজোট সব পক্ষের প্রভাবশালীরা

গৃহায়ন কর্তৃপক্ষের একাধিক কর্মকর্তার তথ্যানুযায়ী, মিরপুরের বিভিন্ন সেকশনে হাউজিং এস্টেটের প্রায় হাজার কাঠা জমি বর্তমানে ভূমিদস্যুদের কবলে। অবাক করার বিষয় হলো, জাতীয় রাজনীতিতে আদর্শিক বিরোধ থাকলেও সরকারি জমি দখলের উৎসবে সব পক্ষের প্রভাবশালীরাই যেন একতাবদ্ধ। তারা একেকটি সিন্ডিকেট তৈরি করে সরকারি সম্পদ লুটে নিচ্ছে। দখল করা জমিতে কেউ স্থায়ী ইমারত গড়ছে, আবার কেউ পজিশন বিক্রি করে কোটি কোটি টাকা হাতিয়ে নিচ্ছে। এই অরাজকতা বন্ধে এবং দখলদারদের হঠাতে গৃহায়ন কর্তৃপক্ষ এখন উচ্চ পর্যায়ের আইনি পরিকল্পনা গ্রহণ করেছে।

আইন অমান্য করে চলছে দখলের মহোৎসব

জানা গেছে, মিরপুরস্থ দুয়ারিপাড়া সেকশন- এর ব্লকসহ বিভিন্ন এলাকায় গৃহায়ন কর্তৃপক্ষের জমি ১৯৯০ সালের গেজেট অনুযায়ী অধিগ্রহণ সম্পন্ন করা হয়। ঢাকা জেলা প্রশাসকের কার্যালয় থেকে জমিগুলো গৃহায়ন কর্তৃপক্ষের কাছে হস্তান্তরও করা হয়েছিল। কিন্তু সম্প্রতি দেখা গেছে, প্রভাবশালীরা কেবল জমিই নয়, বরং সরকারি ৪০ ফুট প্রশস্ত রাস্তাও লোহার পাইপ টিন দিয়ে ঘিরে দখল করে রেখেছে। গৃহায়ন কর্তৃপক্ষের পক্ষ থেকে দফায় দফায় নিষেধ করা সত্ত্বেও ভূমিদস্যুরা রাতের আঁধারে টিনের বেড়া দিয়ে সীমানা বৃদ্ধি করে চলেছে। তাদের এই বেপরোয়া দাপটের সামনে সাধারণ মানুষ মাঠ পর্যায়ের কর্মীরা অসহায় হয়ে পড়ছেন।

থানায় অভিযোগের পাহাড়, তবুও থামছে না ভূমিদস্যুরা

সরকারি সম্পদ রক্ষায় রূপনগর থানায় ইতোমধ্যে তিনটি পৃথক লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছে গৃহায়ন কর্তৃপক্ষের ভূমি শাখা। সর্বশেষ গত মে দায়ের করা অভিযোগে বলা হয়েছে, দখলদার চক্র কোনো আইনি নোটিশের তোয়াক্কা করছে না। সরকারি জমি রক্ষার্থে এবং ভূমিদস্যুদের বিরুদ্ধে কঠোর আইনি ব্যবস্থা নেওয়ার পাশাপাশি পুলিশের টহল বাড়ানোর অনুরোধ জানানো হয়েছে ওই অভিযোগে। এর আগে গত ২৯ এপ্রিল এবং ২০২৪ সালের আগস্ট সেপ্টেম্বর মাসেও পৃথক অভিযোগ দায়ের করা হয়েছিল, যা থেকে স্পষ্ট হয় যে এই দখলদারিত্ব দীর্ঘদিনের এবং অত্যন্ত সুসংগঠিত।

মিরপুরের কোন এলাকায় কতটুকু দখল

কর্তৃপক্ষের দেওয়া তথ্যমতে, মিরপুর নম্বর সেকশনেরব্লকে প্রধান সড়কের পাশে জিরো পয়েন্ট ৬২ একর জমি দখল করে বিশালাকার সুপার মার্কেট নির্মাণ করা হয়েছে। একই সেকশনের নম্বর রোডে জিরো পয়েন্ট ১৫ একর এবংজিব্লকে বাণিজ্যিক প্লট হিসেবে চিহ্নিত ১০.২৫ একর জমিও এখন দুর্বৃত্তদের দখলে। এছাড়া মিরপুর ১১ নম্বর সেকশনে বাস্তুহারা প্রকল্পের আওতাধীন জমি এবং নম্বর সেকশনের স্বপ্ননগর- প্রকল্পের পাশের ১৯.৬৬ একর জমিও বেদখল হয়ে আছে। এমনকি মিরপুর- সেকশনের চলন্তিকা বস্তি এলাকায় থাকা ২৩ একর জমিও প্রভাবশালীদের ইশারায় নিয়ন্ত্রিত হচ্ছে। সব মিলিয়ে মিরপুরের বিভিন্ন প্রান্তে ছড়িয়ে থাকা গৃহায়ন কর্তৃপক্ষের এই বিশাল সাম্রাজ্য এখন অবৈধ দখলদারদের অভয়ারণ্যে পরিণত হয়েছে।

উদ্ধার অভিযানে হার্ডলাইনে গৃহায়ন কর্তৃপক্ষ

জাতীয় গৃহায়ন কর্তৃপক্ষের বর্তমান চেয়ারম্যান দায়িত্ব নেওয়ার পর থেকে নিজস্ব সম্পত্তি উদ্ধারে জিরো টলারেন্স নীতি গ্রহণ করেছেন। কর্তৃপক্ষের কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, যেখানেই দখলদারদের অস্তিত্ব পাওয়া যাবে, সেখানেই প্রতিরোধ গড়ে তোলা হবে। সম্প্রতি মিরপুর এলাকায় প্রায় ৩০০ কোটি টাকার সম্পত্তি সফলভাবে উদ্ধার করা হয়েছে। এরই ধারাবাহিকতায় এখন ১০ হাজার কোটি টাকার সম্পদ উদ্ধারে বড় ধরনের অভিযানের প্রস্তুতি চলছে। তবে এই তৎপরতার কারণে প্রভাবশালীরা গৃহায়ন কর্তৃপক্ষের কর্মকর্তাদের বিভিন্নভাবে হুমকি-ধমকি দিচ্ছে বলে অভিযোগ উঠেছে। প্রাণের ভয়ে অনেক কর্মকর্তা নাম প্রকাশ করে মুখ খুলতে সাহস পাচ্ছেন না।

ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা আশাবাদ

গৃহায়ন কর্তৃপক্ষের কয়েকজন কর্মকর্তা তাদের কার্যালয়ে গণমাধ্যমকর্মীদের বলেন, “জাতীয় গৃহায়ন কর্তৃপক্ষের বর্তমান চেয়ারম্যানের কঠোর নির্দেশনায় আমরা ঝুঁকি নিয়ে কাজ করছি। প্রভাবশালীরা যত শক্তিশালীই হোক, সরকারি সম্পদ তাদের ভোগ করতে দেওয়া হবে না। আমরা ইতোমধ্যে ম্যাজিস্ট্রেট নিয়োগ করেছি এবং আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সহযোগিতা চেয়েছি। পুলিশ যথাযথ সহায়তা করলে এই ১০ হাজার কোটি টাকার সম্পত্তি দ্রুতই সরকারের নিয়ন্ত্রণে আনা সম্ভব হবে।উদ্ধারকৃত জমিতে সাধারণ মানুষের জন্য ফ্ল্যাট প্রকল্প বাণিজ্যিকভাবে পরিকল্পিত উন্নয়ন কাজ শুরু করার পরিকল্পনা রয়েছে কর্তৃপক্ষের। দখলদার উচ্ছেদ প্রক্রিয়া শেষ হলেই ৪টি ধাপে নতুন প্রকল্পগুলো বাস্তবায়িত হবে বলে জানা গেছে।

আপনার মতামত লিখুন

সংবাদ

বুধবার, ১৩ মে ২০২৬


মিরপুরে ১০ হাজার কোটি টাকার সরকারি জমি গিলে খাচ্ছে প্রভাবশালীরা

প্রকাশের তারিখ : ১৩ মে ২০২৬

featured Image

  • উদ্ধারে হার্ডলাইনে গৃহায়ন কর্তৃপক্ষ
  • থানায় অভিযোগ ও ম্যাজিস্ট্রেট নিয়োগ

রাজধানীর মিরপুরে জাতীয় গৃহায়ন কর্তৃপক্ষের প্রায় ১৫০ একর মহামূল্যবান জমি গত কয়েক বছর ধরে প্রভাবশালী মহলের অবৈধ দখলে রয়েছে। দখলকৃত এই বিশাল সম্পত্তির বর্তমান বাজার মূল্য প্রায় ১০ হাজার কোটি টাকা বলে দাবি করছে গৃহায়ন কর্তৃপক্ষ। রাজনৈতিক পরিচয় ক্ষমতার দাপট দেখিয়ে সরকারি এই জমি দখল করে বস্তি, টিনশেড ঘর থেকে শুরু করে বহুতল ভবন সুপার মার্কেট পর্যন্ত নির্মাণ করা হয়েছে। তবে এবার এই বিপুল পরিমাণ সম্পত্তি উদ্ধারে কোমর বেঁধে মাঠে নেমেছে কর্তৃপক্ষ। ইতোমধ্যে অবৈধ দখলদারদের উচ্ছেদ করতে থানায় লিখিত অভিযোগ দায়েরসহ আইনি প্রক্রিয়া ত্বরান্বিত করতে ম্যাজিস্ট্রেট নিয়োগ করা হয়েছে।

দখলবাজিতে একজোট সব পক্ষের প্রভাবশালীরা

গৃহায়ন কর্তৃপক্ষের একাধিক কর্মকর্তার তথ্যানুযায়ী, মিরপুরের বিভিন্ন সেকশনে হাউজিং এস্টেটের প্রায় হাজার কাঠা জমি বর্তমানে ভূমিদস্যুদের কবলে। অবাক করার বিষয় হলো, জাতীয় রাজনীতিতে আদর্শিক বিরোধ থাকলেও সরকারি জমি দখলের উৎসবে সব পক্ষের প্রভাবশালীরাই যেন একতাবদ্ধ। তারা একেকটি সিন্ডিকেট তৈরি করে সরকারি সম্পদ লুটে নিচ্ছে। দখল করা জমিতে কেউ স্থায়ী ইমারত গড়ছে, আবার কেউ পজিশন বিক্রি করে কোটি কোটি টাকা হাতিয়ে নিচ্ছে। এই অরাজকতা বন্ধে এবং দখলদারদের হঠাতে গৃহায়ন কর্তৃপক্ষ এখন উচ্চ পর্যায়ের আইনি পরিকল্পনা গ্রহণ করেছে।

আইন অমান্য করে চলছে দখলের মহোৎসব

জানা গেছে, মিরপুরস্থ দুয়ারিপাড়া সেকশন- এর ব্লকসহ বিভিন্ন এলাকায় গৃহায়ন কর্তৃপক্ষের জমি ১৯৯০ সালের গেজেট অনুযায়ী অধিগ্রহণ সম্পন্ন করা হয়। ঢাকা জেলা প্রশাসকের কার্যালয় থেকে জমিগুলো গৃহায়ন কর্তৃপক্ষের কাছে হস্তান্তরও করা হয়েছিল। কিন্তু সম্প্রতি দেখা গেছে, প্রভাবশালীরা কেবল জমিই নয়, বরং সরকারি ৪০ ফুট প্রশস্ত রাস্তাও লোহার পাইপ টিন দিয়ে ঘিরে দখল করে রেখেছে। গৃহায়ন কর্তৃপক্ষের পক্ষ থেকে দফায় দফায় নিষেধ করা সত্ত্বেও ভূমিদস্যুরা রাতের আঁধারে টিনের বেড়া দিয়ে সীমানা বৃদ্ধি করে চলেছে। তাদের এই বেপরোয়া দাপটের সামনে সাধারণ মানুষ মাঠ পর্যায়ের কর্মীরা অসহায় হয়ে পড়ছেন।

থানায় অভিযোগের পাহাড়, তবুও থামছে না ভূমিদস্যুরা

সরকারি সম্পদ রক্ষায় রূপনগর থানায় ইতোমধ্যে তিনটি পৃথক লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছে গৃহায়ন কর্তৃপক্ষের ভূমি শাখা। সর্বশেষ গত মে দায়ের করা অভিযোগে বলা হয়েছে, দখলদার চক্র কোনো আইনি নোটিশের তোয়াক্কা করছে না। সরকারি জমি রক্ষার্থে এবং ভূমিদস্যুদের বিরুদ্ধে কঠোর আইনি ব্যবস্থা নেওয়ার পাশাপাশি পুলিশের টহল বাড়ানোর অনুরোধ জানানো হয়েছে ওই অভিযোগে। এর আগে গত ২৯ এপ্রিল এবং ২০২৪ সালের আগস্ট সেপ্টেম্বর মাসেও পৃথক অভিযোগ দায়ের করা হয়েছিল, যা থেকে স্পষ্ট হয় যে এই দখলদারিত্ব দীর্ঘদিনের এবং অত্যন্ত সুসংগঠিত।

মিরপুরের কোন এলাকায় কতটুকু দখল

কর্তৃপক্ষের দেওয়া তথ্যমতে, মিরপুর নম্বর সেকশনেরব্লকে প্রধান সড়কের পাশে জিরো পয়েন্ট ৬২ একর জমি দখল করে বিশালাকার সুপার মার্কেট নির্মাণ করা হয়েছে। একই সেকশনের নম্বর রোডে জিরো পয়েন্ট ১৫ একর এবংজিব্লকে বাণিজ্যিক প্লট হিসেবে চিহ্নিত ১০.২৫ একর জমিও এখন দুর্বৃত্তদের দখলে। এছাড়া মিরপুর ১১ নম্বর সেকশনে বাস্তুহারা প্রকল্পের আওতাধীন জমি এবং নম্বর সেকশনের স্বপ্ননগর- প্রকল্পের পাশের ১৯.৬৬ একর জমিও বেদখল হয়ে আছে। এমনকি মিরপুর- সেকশনের চলন্তিকা বস্তি এলাকায় থাকা ২৩ একর জমিও প্রভাবশালীদের ইশারায় নিয়ন্ত্রিত হচ্ছে। সব মিলিয়ে মিরপুরের বিভিন্ন প্রান্তে ছড়িয়ে থাকা গৃহায়ন কর্তৃপক্ষের এই বিশাল সাম্রাজ্য এখন অবৈধ দখলদারদের অভয়ারণ্যে পরিণত হয়েছে।

উদ্ধার অভিযানে হার্ডলাইনে গৃহায়ন কর্তৃপক্ষ

জাতীয় গৃহায়ন কর্তৃপক্ষের বর্তমান চেয়ারম্যান দায়িত্ব নেওয়ার পর থেকে নিজস্ব সম্পত্তি উদ্ধারে জিরো টলারেন্স নীতি গ্রহণ করেছেন। কর্তৃপক্ষের কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, যেখানেই দখলদারদের অস্তিত্ব পাওয়া যাবে, সেখানেই প্রতিরোধ গড়ে তোলা হবে। সম্প্রতি মিরপুর এলাকায় প্রায় ৩০০ কোটি টাকার সম্পত্তি সফলভাবে উদ্ধার করা হয়েছে। এরই ধারাবাহিকতায় এখন ১০ হাজার কোটি টাকার সম্পদ উদ্ধারে বড় ধরনের অভিযানের প্রস্তুতি চলছে। তবে এই তৎপরতার কারণে প্রভাবশালীরা গৃহায়ন কর্তৃপক্ষের কর্মকর্তাদের বিভিন্নভাবে হুমকি-ধমকি দিচ্ছে বলে অভিযোগ উঠেছে। প্রাণের ভয়ে অনেক কর্মকর্তা নাম প্রকাশ করে মুখ খুলতে সাহস পাচ্ছেন না।

ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা আশাবাদ

গৃহায়ন কর্তৃপক্ষের কয়েকজন কর্মকর্তা তাদের কার্যালয়ে গণমাধ্যমকর্মীদের বলেন, “জাতীয় গৃহায়ন কর্তৃপক্ষের বর্তমান চেয়ারম্যানের কঠোর নির্দেশনায় আমরা ঝুঁকি নিয়ে কাজ করছি। প্রভাবশালীরা যত শক্তিশালীই হোক, সরকারি সম্পদ তাদের ভোগ করতে দেওয়া হবে না। আমরা ইতোমধ্যে ম্যাজিস্ট্রেট নিয়োগ করেছি এবং আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সহযোগিতা চেয়েছি। পুলিশ যথাযথ সহায়তা করলে এই ১০ হাজার কোটি টাকার সম্পত্তি দ্রুতই সরকারের নিয়ন্ত্রণে আনা সম্ভব হবে।উদ্ধারকৃত জমিতে সাধারণ মানুষের জন্য ফ্ল্যাট প্রকল্প বাণিজ্যিকভাবে পরিকল্পিত উন্নয়ন কাজ শুরু করার পরিকল্পনা রয়েছে কর্তৃপক্ষের। দখলদার উচ্ছেদ প্রক্রিয়া শেষ হলেই ৪টি ধাপে নতুন প্রকল্পগুলো বাস্তবায়িত হবে বলে জানা গেছে।


সংবাদ

সম্পাদক ও প্রকাশক
আলতামাশ কবির

নির্বাহী সম্পাদক
শাহরিয়ার করিম

প্রধান, ডিজিটাল সংস্করণ
রাশেদ আহমেদ


কপিরাইট © ২০২৬ | সংবাদ | সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত