দেশের প্রাচীন ঈদগাহ ময়দান হিসেবে পরিচিত কিশোরগঞ্জের ঐতিহাসিক শোলাকিয়া ময়দানে এবার পবিত্র ঈদুল আজহার ১৯৯তম ঈদ জামাত অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে। বৃহস্পতিবার (২৮ মে) সকাল নয়টায় শুরু হতে যাওয়া এই জামাতে ইমামতি করবেন মাওলানা মুফতি আবুল খায়ের মোহাম্মদ ছাইফুল্লাহ।
নিরাপত্তার স্বার্থে এবার জায়নামাজ ছাড়া অন্য কোনো বস্তু (যেমন ছাতা, ব্যাগ বা লাঠি) নিয়ে মুসল্লিদের মাঠে প্রবেশ করতে বারণ করা হয়েছে। উৎসবমুখর ও নিরাপদ পরিবেশে ঈদ জামাত আয়োজনে মাঠ ও আশপাশের এলাকায় চার স্তরের কঠোর নিরাপত্তা ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে। দূরদূরান্তের মুসল্লিদের যাতায়াতের সুবিধার্থে ভৈরব ও ময়মনসিংহ থেকে ‘শোলাকিয়া এক্সপ্রেস’ নামে দুটি বিশেষ ট্রেন চলাচল করবে। ইতিমধ্যে মাঠের নিয়ন্ত্রণ নিয়েছেন বিজিবি সদস্যরা।
মঙ্গলবার (২৬ মে) দুপুরে শোলাকিয়া ঈদগাহ ময়দান ব্যবস্থাপনা কমিটির সভাপতি ও কিশোরগঞ্জের জেলা প্রশাসক সোহানা নাসরিন এসব তথ্য নিশ্চিত করেছেন।
জেলা প্রশাসন সূত্রে জানা গেছে, ঐতিহাসিক শোলাকিয়া মাঠের সব প্রস্তুতি সম্পন্ন করা হয়েছে। ঈদগাহ মাঠ ও পুরো শহরের নিরাপত্তায় প্রায় ৬০০ জন পুলিশ সদস্য, দুই প্লাটুন বিজিবি এবং ৫৫ জন র্যাব সদস্য মোতায়েন থাকবেন। মাঠে ৪টি ওয়াচ টাওয়ার স্থাপন করা হয়েছে এবং পুরো এলাকাকে ৮টি সেক্টরে ভাগ করে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যদের দায়িত্ব বণ্টন করা হয়েছে। এ ছাড়া ৯ জন নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ পয়েন্টে দায়িত্ব পালন করবেন।
শহরের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ প্রবেশপথে ৩২টি চেকপোস্ট, ৭টি আর্চওয়ে গেট ও ৫০টি মেটাল ডিটেক্টর স্থাপন করা হয়েছে। মাঠ ও আশপাশ এলাকা নজরদারি করতে বসানো হয়েছে ৬৪টি সিসিটিভি ক্যামেরা। নিরাপত্তা তদারকিতে পর্যাপ্ত ড্রোন ও ভিডিও ক্যামেরাও ব্যবহার করা হবে।
মুসল্লিদের সুবিধার্থে মাঠে ৫০টি অস্থায়ী অজুখানা, ২০টি স্থায়ী টয়লেট ও ২০টি ইউরিনালের ব্যবস্থা রাখা হয়েছে। পাশাপাশি দুই হাজার লিটার ধারণক্ষমতার দুটি অস্থায়ী পানির ভ্যান স্থাপন করা হবে। মাঠসংলগ্ন পুকুরেও অজুর ব্যবস্থা থাকবে। চিকিৎসাসেবার জন্য চিকিৎসক, প্রয়োজনীয় ওষুধ ও অ্যাম্বুলেন্সসহ মেডিকেল টিম প্রস্তুত থাকবে।
কিশোরগঞ্জের পুলিশ সুপার মিজানুর রহমান জানান, কোনো ধরনের ভয়ভীতি ছাড়া মুসল্লিরা যাতে নামাজ আদায় করতে পারেন, সে জন্য সব ধরনের প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছে।
কিশোরগঞ্জ-১ আসনের সংসদ সদস্য মো. মাজহারুল ইসলাম বলেন, গত ঈদুল ফিতরের জামাত অত্যন্ত শান্তিপূর্ণ পরিবেশে অনুষ্ঠিত হয়েছিল। এবারও উৎসবমুখর পরিবেশে ঈদুল আজহার জামাতে অংশ নেওয়ার জন্য তিনি সব মুসল্লির প্রতি আহ্বান জানান।

বুধবার, ২৭ মে ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৭ মে ২০২৬
দেশের প্রাচীন ঈদগাহ ময়দান হিসেবে পরিচিত কিশোরগঞ্জের ঐতিহাসিক শোলাকিয়া ময়দানে এবার পবিত্র ঈদুল আজহার ১৯৯তম ঈদ জামাত অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে। বৃহস্পতিবার (২৮ মে) সকাল নয়টায় শুরু হতে যাওয়া এই জামাতে ইমামতি করবেন মাওলানা মুফতি আবুল খায়ের মোহাম্মদ ছাইফুল্লাহ।
নিরাপত্তার স্বার্থে এবার জায়নামাজ ছাড়া অন্য কোনো বস্তু (যেমন ছাতা, ব্যাগ বা লাঠি) নিয়ে মুসল্লিদের মাঠে প্রবেশ করতে বারণ করা হয়েছে। উৎসবমুখর ও নিরাপদ পরিবেশে ঈদ জামাত আয়োজনে মাঠ ও আশপাশের এলাকায় চার স্তরের কঠোর নিরাপত্তা ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে। দূরদূরান্তের মুসল্লিদের যাতায়াতের সুবিধার্থে ভৈরব ও ময়মনসিংহ থেকে ‘শোলাকিয়া এক্সপ্রেস’ নামে দুটি বিশেষ ট্রেন চলাচল করবে। ইতিমধ্যে মাঠের নিয়ন্ত্রণ নিয়েছেন বিজিবি সদস্যরা।
মঙ্গলবার (২৬ মে) দুপুরে শোলাকিয়া ঈদগাহ ময়দান ব্যবস্থাপনা কমিটির সভাপতি ও কিশোরগঞ্জের জেলা প্রশাসক সোহানা নাসরিন এসব তথ্য নিশ্চিত করেছেন।
জেলা প্রশাসন সূত্রে জানা গেছে, ঐতিহাসিক শোলাকিয়া মাঠের সব প্রস্তুতি সম্পন্ন করা হয়েছে। ঈদগাহ মাঠ ও পুরো শহরের নিরাপত্তায় প্রায় ৬০০ জন পুলিশ সদস্য, দুই প্লাটুন বিজিবি এবং ৫৫ জন র্যাব সদস্য মোতায়েন থাকবেন। মাঠে ৪টি ওয়াচ টাওয়ার স্থাপন করা হয়েছে এবং পুরো এলাকাকে ৮টি সেক্টরে ভাগ করে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যদের দায়িত্ব বণ্টন করা হয়েছে। এ ছাড়া ৯ জন নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ পয়েন্টে দায়িত্ব পালন করবেন।
শহরের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ প্রবেশপথে ৩২টি চেকপোস্ট, ৭টি আর্চওয়ে গেট ও ৫০টি মেটাল ডিটেক্টর স্থাপন করা হয়েছে। মাঠ ও আশপাশ এলাকা নজরদারি করতে বসানো হয়েছে ৬৪টি সিসিটিভি ক্যামেরা। নিরাপত্তা তদারকিতে পর্যাপ্ত ড্রোন ও ভিডিও ক্যামেরাও ব্যবহার করা হবে।
মুসল্লিদের সুবিধার্থে মাঠে ৫০টি অস্থায়ী অজুখানা, ২০টি স্থায়ী টয়লেট ও ২০টি ইউরিনালের ব্যবস্থা রাখা হয়েছে। পাশাপাশি দুই হাজার লিটার ধারণক্ষমতার দুটি অস্থায়ী পানির ভ্যান স্থাপন করা হবে। মাঠসংলগ্ন পুকুরেও অজুর ব্যবস্থা থাকবে। চিকিৎসাসেবার জন্য চিকিৎসক, প্রয়োজনীয় ওষুধ ও অ্যাম্বুলেন্সসহ মেডিকেল টিম প্রস্তুত থাকবে।
কিশোরগঞ্জের পুলিশ সুপার মিজানুর রহমান জানান, কোনো ধরনের ভয়ভীতি ছাড়া মুসল্লিরা যাতে নামাজ আদায় করতে পারেন, সে জন্য সব ধরনের প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছে।
কিশোরগঞ্জ-১ আসনের সংসদ সদস্য মো. মাজহারুল ইসলাম বলেন, গত ঈদুল ফিতরের জামাত অত্যন্ত শান্তিপূর্ণ পরিবেশে অনুষ্ঠিত হয়েছিল। এবারও উৎসবমুখর পরিবেশে ঈদুল আজহার জামাতে অংশ নেওয়ার জন্য তিনি সব মুসল্লির প্রতি আহ্বান জানান।

আপনার মতামত লিখুন