ফরিদপুরের বোয়ালমারী উপজেলায় বিরোধপূর্ণ জমিতে বাথরুম নির্মাণকে কেন্দ্র করে ফিরোজা বেগম (৭১) নামের এক বৃদ্ধাকে পিটিয়ে ও লাথি মেরে হত্যার অভিযোগ উঠেছে। বুধবার (২৭ মে) সকাল সাড়ে ১১টার দিকে উপজেলার চতুল ইউনিয়নের বনচাকী গ্রামে এই ঘটনা ঘটে।
নিহত ফিরোজা বেগম ওই গ্রামের মৃত ওজেদ মোল্লার মেয়ে এবং মৃত মুক্তার মোল্লার স্ত্রী।
পুলিশ ও ভুক্তভোগী পরিবার সূত্রে জানা গেছে, ফিরোজা বেগমের সঙ্গে পার্শ্ববর্তী রামচন্দ্রপুর গ্রামের টুলু মিয়া ও তার ভাইদের পৈতৃক সম্পত্তি নিয়ে দীর্ঘদিন ধরে বিরোধ চলছিল। ওই জমি নিয়ে দেওয়ানি আদালতে মামলার পর রায় ফিরোজা বেগমের পক্ষে আসে বলে তার পরিবার জানায়। তবে আদালতের রায় অমান্য করে টুলু মিয়ারা জোর করে ওই জমি দখল করে রেখেছিলেন। বুধবার ওই জমিতে ফিরোজা বেগম বাথরুম নির্মাণ করতে গেলে রামচন্দ্রপুর গ্রামের টুলু মিয়া (৪৫), তার ভাই বাচ্চু মিয়া (৫৫), রসুল মিয়া (৭৫) ও বাচ্চু মিয়ার ছেলে বাপ্পি মিয়া (২৭) ফিরোজা বেগমকে এলোপাতাড়ি মারধর করেন। কিল, ঘুষি ও লাথিতে গুরুতর আহত অবস্থায় তাকে উদ্ধার করে বোয়ালমারী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে জরুরি বিভাগের কর্তব্যরত চিকিৎসক সুমন রায় তাকে মৃত ঘোষণা করেন।
নিহত ফিরোজা বেগমের বোন সবুর নেছা বলেন, ‘জমির বিরোধকে কেন্দ্র করে প্রতিপক্ষ রামচন্দ্রপুর গ্রামের টুলু মিয়া, তার ভাই বাচ্চু মিয়া, রসুল মিয়া ও বাচ্চু মিয়ার ছেলে বাপ্পি মিয়া আমার বোনকে কিল-ঘুষি ও লাথি মেরে পিটিয়ে হত্যা করেছে।’
নিহতের ছেলে আজিজুর মোল্লা বলেন, ‘আমাদের জমি জোর করে টুলু মিয়ারা দখল করে রেখেছে। ওই জমিতে আমরা বাথরুম করতে গেলে আমার মাকে মারধর করে পিটিয়ে হত্যা করা হয়। আমি আমার মায়ের হত্যাকারীদের বিচার ও ফাঁসি চাই।’
স্থানীয় ইউপি সদস্য মো. জালাল সিকদার বলেন, জমিটি নিয়ে আদালতে মামলা চলছিল। আজ সেখানে বাথরুম নির্মাণ করতে গেলে প্রতিপক্ষের লোকজন বৃদ্ধা ফিরোজা বেগমকে পিটিয়ে মেরে ফেলেন।
বোয়ালমারী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. আনোয়ার হোসেন বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, হাসপাতাল থেকে ফিরোজা বেগমের মরদেহ উদ্ধার করে থানায় আনা হয়েছে। ময়নাতদন্তের জন্য মরদেহ মর্গে পাঠানো হবে। এই ঘটনায় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার প্রক্রিয়া চলছে।

বুধবার, ২৭ মে ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৭ মে ২০২৬
ফরিদপুরের বোয়ালমারী উপজেলায় বিরোধপূর্ণ জমিতে বাথরুম নির্মাণকে কেন্দ্র করে ফিরোজা বেগম (৭১) নামের এক বৃদ্ধাকে পিটিয়ে ও লাথি মেরে হত্যার অভিযোগ উঠেছে। বুধবার (২৭ মে) সকাল সাড়ে ১১টার দিকে উপজেলার চতুল ইউনিয়নের বনচাকী গ্রামে এই ঘটনা ঘটে।
নিহত ফিরোজা বেগম ওই গ্রামের মৃত ওজেদ মোল্লার মেয়ে এবং মৃত মুক্তার মোল্লার স্ত্রী।
পুলিশ ও ভুক্তভোগী পরিবার সূত্রে জানা গেছে, ফিরোজা বেগমের সঙ্গে পার্শ্ববর্তী রামচন্দ্রপুর গ্রামের টুলু মিয়া ও তার ভাইদের পৈতৃক সম্পত্তি নিয়ে দীর্ঘদিন ধরে বিরোধ চলছিল। ওই জমি নিয়ে দেওয়ানি আদালতে মামলার পর রায় ফিরোজা বেগমের পক্ষে আসে বলে তার পরিবার জানায়। তবে আদালতের রায় অমান্য করে টুলু মিয়ারা জোর করে ওই জমি দখল করে রেখেছিলেন। বুধবার ওই জমিতে ফিরোজা বেগম বাথরুম নির্মাণ করতে গেলে রামচন্দ্রপুর গ্রামের টুলু মিয়া (৪৫), তার ভাই বাচ্চু মিয়া (৫৫), রসুল মিয়া (৭৫) ও বাচ্চু মিয়ার ছেলে বাপ্পি মিয়া (২৭) ফিরোজা বেগমকে এলোপাতাড়ি মারধর করেন। কিল, ঘুষি ও লাথিতে গুরুতর আহত অবস্থায় তাকে উদ্ধার করে বোয়ালমারী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে জরুরি বিভাগের কর্তব্যরত চিকিৎসক সুমন রায় তাকে মৃত ঘোষণা করেন।
নিহত ফিরোজা বেগমের বোন সবুর নেছা বলেন, ‘জমির বিরোধকে কেন্দ্র করে প্রতিপক্ষ রামচন্দ্রপুর গ্রামের টুলু মিয়া, তার ভাই বাচ্চু মিয়া, রসুল মিয়া ও বাচ্চু মিয়ার ছেলে বাপ্পি মিয়া আমার বোনকে কিল-ঘুষি ও লাথি মেরে পিটিয়ে হত্যা করেছে।’
নিহতের ছেলে আজিজুর মোল্লা বলেন, ‘আমাদের জমি জোর করে টুলু মিয়ারা দখল করে রেখেছে। ওই জমিতে আমরা বাথরুম করতে গেলে আমার মাকে মারধর করে পিটিয়ে হত্যা করা হয়। আমি আমার মায়ের হত্যাকারীদের বিচার ও ফাঁসি চাই।’
স্থানীয় ইউপি সদস্য মো. জালাল সিকদার বলেন, জমিটি নিয়ে আদালতে মামলা চলছিল। আজ সেখানে বাথরুম নির্মাণ করতে গেলে প্রতিপক্ষের লোকজন বৃদ্ধা ফিরোজা বেগমকে পিটিয়ে মেরে ফেলেন।
বোয়ালমারী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. আনোয়ার হোসেন বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, হাসপাতাল থেকে ফিরোজা বেগমের মরদেহ উদ্ধার করে থানায় আনা হয়েছে। ময়নাতদন্তের জন্য মরদেহ মর্গে পাঠানো হবে। এই ঘটনায় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার প্রক্রিয়া চলছে।

আপনার মতামত লিখুন