খুলনা নগরের একটি ভাড়া বাসা থেকে এক নারী ও তার দুই নাতির লাশ উদ্ধার করেছে পুলিশ। এই ঘটনার পর থেকে শিশু দুটির সৎবাবা পলাতক রয়েছেন। শনিবার (৩০ মে) সন্ধ্যা ৬ টার দিকে নগরের সোনাডাঙ্গা এলাকার কাঁচাবাজারের পাশে দারুল আমান মহল্লার সুজুকি কর্নার গলির একটি বাড়ি থেকে লাশ তিনটি উদ্ধার করা হয়।
নিহত ব্যক্তিরা হলেন বেবী বেগম (৫৫) এবং তার দুই নাতি শামীম ব্যাপারী (১২) ও মুস্তাকিম (৪)। শিশু দুটির মায়ের নাম ফাতেমা বেগম। পলাতক সৎবাবার নাম রফিকুল ইসলাম, তিনি পেশায় একজন ট্রাকচালক এবং নগরের দৌলতপুর থানার মানিকতলা এলাকার বাসিন্দা।
সোনাডাঙ্গা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. রফিকুল ইসলাম বলেন, স্থানীয় লোকজনের কাছ থেকে খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে বাসার দরজা ভেঙে প্রথমে ওই নারী ও বড় শিশুর লাশ উদ্ধার করে। তখন ছোট শিশু মুস্তাকিমকে নিখোঁজ মনে করা হচ্ছিল। পরে তল্লাশি চালিয়ে কক্ষের একটি ওয়ারড্রোবের তালা ভেঙে তার লাশ উদ্ধার করা হয়।
পুলিশ জানায়, ফাতেমা বেগমের প্রথম পক্ষের সন্তান শামীম ও মুস্তাকিম। প্রায় চার বছর আগে ফাতেমার সঙ্গে তার প্রথম স্বামী মাসুম ব্যাপারীর বিবাহবিচ্ছেদ হয়। এরপর দুই সন্তান মায়ের সঙ্গেই বসবাস করত। পরে ফাতেমা রফিকুল ইসলামকে বিয়ে করেন।
খবর পেয়ে জেলা গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি) ও সিআইডির সদস্যরা ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে বিভিন্ন আলামত সংগ্রহ করেছেন। লাশ তিনটি ময়নাতদন্তের জন্য খুলনা মেডিকেল কলেজের মর্গে পাঠানো হয়েছে। ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন ও তদন্তের অগ্রগতির ভিত্তিতে মৃত্যুর প্রকৃত কারণ নিশ্চিত হওয়া যাবে বলে জানিয়েছেন ওসি।
খুলনা মহানগর পুলিশের (কেএমপি) কমিশনার মোহাম্মদ জাহিদুল হাসান বলেন, প্রাথমিক আলামত দেখে ধারণা করা হচ্ছে, পারিবারিক বিরোধের জেরে ফাতেমার দ্বিতীয় স্বামী রফিকুল ইসলাম এই হত্যাকাণ্ড ঘটিয়ে থাকতে পারেন। ঘটনার পর থেকেই তিনি পলাতক। এই ঘটনায় জিজ্ঞাসাবাদের জন্য ফাতেমা বেগমকে পুলিশ হেফাজতে নেওয়া হয়েছে। ঘটনার প্রকৃত কারণ উদ্ঘাটন ও রফিকুলকে গ্রেপ্তারে পুলিশ কাজ করছে।

রোববার, ৩১ মে ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ৩১ মে ২০২৬
খুলনা নগরের একটি ভাড়া বাসা থেকে এক নারী ও তার দুই নাতির লাশ উদ্ধার করেছে পুলিশ। এই ঘটনার পর থেকে শিশু দুটির সৎবাবা পলাতক রয়েছেন। শনিবার (৩০ মে) সন্ধ্যা ৬ টার দিকে নগরের সোনাডাঙ্গা এলাকার কাঁচাবাজারের পাশে দারুল আমান মহল্লার সুজুকি কর্নার গলির একটি বাড়ি থেকে লাশ তিনটি উদ্ধার করা হয়।
নিহত ব্যক্তিরা হলেন বেবী বেগম (৫৫) এবং তার দুই নাতি শামীম ব্যাপারী (১২) ও মুস্তাকিম (৪)। শিশু দুটির মায়ের নাম ফাতেমা বেগম। পলাতক সৎবাবার নাম রফিকুল ইসলাম, তিনি পেশায় একজন ট্রাকচালক এবং নগরের দৌলতপুর থানার মানিকতলা এলাকার বাসিন্দা।
সোনাডাঙ্গা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. রফিকুল ইসলাম বলেন, স্থানীয় লোকজনের কাছ থেকে খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে বাসার দরজা ভেঙে প্রথমে ওই নারী ও বড় শিশুর লাশ উদ্ধার করে। তখন ছোট শিশু মুস্তাকিমকে নিখোঁজ মনে করা হচ্ছিল। পরে তল্লাশি চালিয়ে কক্ষের একটি ওয়ারড্রোবের তালা ভেঙে তার লাশ উদ্ধার করা হয়।
পুলিশ জানায়, ফাতেমা বেগমের প্রথম পক্ষের সন্তান শামীম ও মুস্তাকিম। প্রায় চার বছর আগে ফাতেমার সঙ্গে তার প্রথম স্বামী মাসুম ব্যাপারীর বিবাহবিচ্ছেদ হয়। এরপর দুই সন্তান মায়ের সঙ্গেই বসবাস করত। পরে ফাতেমা রফিকুল ইসলামকে বিয়ে করেন।
খবর পেয়ে জেলা গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি) ও সিআইডির সদস্যরা ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে বিভিন্ন আলামত সংগ্রহ করেছেন। লাশ তিনটি ময়নাতদন্তের জন্য খুলনা মেডিকেল কলেজের মর্গে পাঠানো হয়েছে। ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন ও তদন্তের অগ্রগতির ভিত্তিতে মৃত্যুর প্রকৃত কারণ নিশ্চিত হওয়া যাবে বলে জানিয়েছেন ওসি।
খুলনা মহানগর পুলিশের (কেএমপি) কমিশনার মোহাম্মদ জাহিদুল হাসান বলেন, প্রাথমিক আলামত দেখে ধারণা করা হচ্ছে, পারিবারিক বিরোধের জেরে ফাতেমার দ্বিতীয় স্বামী রফিকুল ইসলাম এই হত্যাকাণ্ড ঘটিয়ে থাকতে পারেন। ঘটনার পর থেকেই তিনি পলাতক। এই ঘটনায় জিজ্ঞাসাবাদের জন্য ফাতেমা বেগমকে পুলিশ হেফাজতে নেওয়া হয়েছে। ঘটনার প্রকৃত কারণ উদ্ঘাটন ও রফিকুলকে গ্রেপ্তারে পুলিশ কাজ করছে।

আপনার মতামত লিখুন